বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৯

মনের মানুষ বশীকরন .

..ছেলে ও মেয়ে বশীকরন মন্ত্র :
( ত্রিজয়ন্তী শয়তানী মন্ত্র )
সকল প্রকার মেয়েদের বশীভূত করা কালো বান, এই মন্ত্রের দ্বারা যে কোনো ছেলে মেয়েকে অনায়াসে বশীভূত করা যায় ,সঠিক ভাবে মন্ত্র প্রয়োগ করতে পারলে ১০০% কাজ হবে।
মন্ত্রঃ
সর্বা শক্তি সর্বা চান্ডালিনী" পাতাল বাসি যক্ষ নাগরানী; চৌন মুখি আঁধা চাহুনী- তার উপরে পুষ্পা রমনী- পঞ্চ পান্ডব ভীমের হংকার" রামের হাতে রাবনের ভষ্মার; ডাকি তোরে মোর বাণে- বাণের জোড়ে অমুকের মন টানে" ডানে টানে চান্ডালী- বামে পদ্মর রানী; ছার ছার ছার- তোর বাপ মার ঘর গৃহ ছার" ছার ছার ছার - তোর মাও মাসি ছার; মোর বাণ যদি লড়ে চড়ে- দোহাই কামাখ্যা মায়ের___ যুনির জল মহাদেবের মুখে পড়ে। দোহাই তেত্রিশ কোটি দেবতার।
নিয়মঃ
মন্ত্রটি আমবস্যার রাতে মুখস্ত করতে হবে। তারপর যে ছেলে বা মেয়েকে বশীভূত করার ইচ্ছে তার দিকে তাকিয়ে মন্ত্র ৩ বার পাঠ করে ফুঁক মারলেই মেয়ে বা ছেলে আপনার বশ মানবে (পরিক্ষিত)।
নোট : যথাযথ গুরুর নিকট চন্ডীবরন ও যজ্ঞ করে অনুমতি নিয়ে কাজ করবেন, যথার্থ অভিজ্ঞতা না থাকলে কখনোই কোন ধরনের মন্ত্র নিয়ে কাজ করা মানেই হলো নিজের জীবন কে বিপদে ঠেলে দেওয়া, অভিজ্ঞতা ছাড়া গুরুর অনুমতি ও চন্ডীবরন, যজ্ঞ ছাড়া কেউ যদি কাজ করে তার দ্বায় ভার আপনি নিজেই আমি বা আমার পেজ কোন দ্বায় গ্রহণ করবে না ]আরো জানতে 01978142102

অনের মনের কথা জানার জাদু বিদ্যা

অন্যের মনের খবর জানার মন্ত্র

ত্রাটক দিয়ে বশিকরন অথবা কারো মনের খবর জানাঃ
বর্তমান ত্রাটক ( সুপারভিষন) এমন একটি শক্তিশালী বিদ্যা যা অন্য সব বিদ্যাকে হার মানায়। যারা ত্রাটক সম্পর্কে কিছুটা হলেও জানে তাদের সবারই আকাঙ্খা হচ্ছে ত্রাটক শেখা। কিন্তু এটা শেখা তো সহজ বিষয় নয়।
তবে একটি সুখবরঃ
যে আমরা অনেক কষ্টে একটি ত্রাটক দিয়ে বশিকরনের উপায় বের করলাম। যেটা দিয়ে আপনি ১-৩ দিনের মধ্যে যে কাউকে বশিভূত করে ফেলতে পারবেন। এই নিয়মটির কাজ হচ্ছে আপনি যে কারো অন্তরে বা হৃদয়ে ঢুকতে পারবেন। এবং তার হৃদয়কে আপনার দিকে আকর্ষন করতে পারবেন। এটা করতে তেমন কিছুর প্রয়োজন পড়েনা, শুধু যাকে বশ করবেন তার একখানা ছবি অথবা তাকে যদি আপনি চিনেন অর্থাত দেখেছেন তাহলে আর ছবি এর প্রয়োজন হবেনা।
মনের খবর জানাঃ
এটা তো আগেই বললাম যে এই শক্তি দিয়ে আপনি যে কারো হৃদয়ে ঢুকতে পারবেন অর্থাত তার হৃদয়ে ঢুকতে পারলে তার ভেতরে কি আছে আছে যেমন অতীতের কোন স্মৃতি, বর্তমান অবস্থা, ভবিষ্যতের জন্য কি ভাবছে এগুলো সবই জানতে পারবেন ।
বি:দ্র:
এটা সর্বসাধারনের জন্য নয়। তাই নিয়ম টি প্রকাশ করলাম না। কেউ যদি নিয়মটি শিখতে চান তাহলে যোগাযোগ করতে পারেন। শর্তাবলীঃ এটা খুবই গোপনীয় একটি নিয়ম তাই শেখার পরে অতি গোপনীয় রাখতে হবে।
হাদিয়াঃ
এটা শেখার জন্য আপনাকে ৬০০০/- (ছয় হাজার) টাকা দিতে হবে। তবে এটা শেখার সময় ৫০% অর্থাত ৩০০০/- (তিন হাজার) টাকা পেমেন্ট করতে হবে।এবং কাজ শেখার পর অর্থাত সফল হওয়ার পরে বাকি ৩০০০/- (তিন হাজার) টাকা পেমেন্ট করতে হবে। তবে কাজ হবে ১০০% কারন ত্রাটকে কোন ভুল হয়না। তবে যদি কাজ না হয় তাহলে টাকা ফেরত দেওয়া হবে। 01978142102

মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯

অদৃশ্য বাবে হাতে কিছু আনার .কালো যাদু

.অদিশ্যভাবে নিজ হাতে কিছু আনার
মন্ত্র
মন্ত্রঃ
ত্রিভুবন নিলাম হাতে। আঠার হাজার মাখলুক নিলাম আমার
সাথে। মনে যাহা চাইগো আলী। হাতের উপর
আনিয়া দাও জয়মা কালী। নজর বান্ধিয়া নিলুম হস্তের
উপর। চাই আমি (অমুক)বস্তু শীঘ্রঈ এসে পড়।
হামারা মন্ত্র আজ্ঞা দোহায়।আজ্ঞা দোহায়
আল্লাহ। দোহায় পাগলা। দোহায় কালী।দোহায়
কালী।দোহায় আলী।
এই মন্ত্র দারা হাজার মাইল দুর থেকে আপনার হাতে
অদিশ্যভাবে যে কোন জিনিস আনতে পারবে। এই
মন্ত খোব পাউয়ারফুল মন্ত যা করার সংগে সংগে
কাজ করে
বহুপরীক্ষীত মন্ত। আপনারা যারা এই মন্ত কাজে
খাটাতে চান। তার সঠিক নিয়ন যানতে জানতে ইনবক্স
সে যোগা যোগ করুন। এই কালো যাদু বিদ্যা
শিখতে। চন্ডিবরন করে হাদিয়া দিতে হবে।
অনোথায় মন্ত কাজে আসবে না
। তান্তিক গুরু আজিজ রহমান
তন্ত মন্ত কালো যাদু টোটকা ও জ্বিন চালানের
মাধমে তদবির করা হয়
আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে
অনলাইনের মাধমে তদবির করতে পারেন বা যে
কোন বিদ্যা প্রশিক্ষন পেতে পারেন।
আরো জানতে। কল করুন

  • imo/01757786808

চোর ‌দরার ‌আয়না ‌পরা

.

তুলা রাশির দ্বারা আয়না পড়া

আইনা পড়া (চোর ধরার জন্য) বহু পরিক্ষিত। দোআ: আল্লাহর মজি পির খানজাহান আলি সাহেেবের দোয়ার বরকতে, হযরত শাহ জালাল শাহ পরান সারফিন সাহেবের দোয়ার বরকতে এই লোকের ( নাম হবে) মালামাল যে লোক নিয়ে থাকে ঐ লোকের চেহারা মোবারক পষ্ঠ করে আইনার ভিতর উঠিয়া যাও, লাইলাহা ইলা আন্তা সূবাহানাকা ইন্নি কোনতোম মিনাল যলেমিন। নিয়ম : প্রথমে গুরুর অনুমোতি প্রয়োজন, অনুমোতি নিতে চন্ডিবরন দিতে হবে। তারপর কোন খাটি তুলা রাশির লোক সংগ্রহ করে নিতে হবে, আর এমন একটি আয়না সংগ্রহ করতে হবে সে আয়নায় কোন প্রকার ছবি বা ফাটল থাকা যাবে না। এমন একটি আয়না লাগবে। দোআটি আগে মুখস্ত করে নিতে হবে যেকোন শুভ সময়ে। তাহলে সিদ্ধ হবে। দোআটি ৭ বার পড়ে আয়নায় দম করতে হবে। তারপর তুলা রাশির লোকের সামনে আয়নাটি ধরবেন আয়নার ভিতরে সেই চোরের ছবি ভেসে উঠবে, এই তদবীর টি আমার নিজ দ্বারা বহু বার পরিক্ষিত। বিদ্র: কপিবাজ দের প্রতি অনুরোধ রইল কবিরাজ, যাদু মন্ত্র কালো বল্গের এর পোষ্ট গুলো কপি করবেন না। পোষ্ট গুলো কপি করে প্রতারনা করবেন না । আজ কাল বহু সাধক বা তান্ত্রিক নামে ফেইসবুকে আইডি ও পেজ খুলে সাধারন মানুষের সাথে প্রতারনা করে চলছে। আপনাদের যে কোন প্রশ্ন পেজে এস এম এস করতে পারেন। অব্যশই উওর দিতে চেষ্টা করব। প্রয়োজনে আমার সাথে 01757786808

সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৯

সকলের জনোই এ্যাটক.

‌..পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই এখন একটি
বিষয় খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আর তা
হলো মেডিটেশন বা ধ্যান, আমাদের
বাংলাদেশেও এমন বেশকিছু
প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে মেডিটেশন
বা ধ্যান, যোগ ব্যায়াম শেখানো হয়ে
থাকে। বর্তমানে মিডিয়ার যুগে আমরা
যদি একটু খানি চোখ কান খোলা রাখি
তবে প্রায়শই চোখে পরবে বিশেষ করে
ডিস্কোভারী বা ন্যাশনাল
জিওগ্রাফীতেও কিছু কিছু দেশের
ধ্যান সাধনা বা সে দেশে যে নামেই
বলা হোক না কেন-তা এতোটাই উন্নতি
সাধন করেছে যে মানুষের পক্ষে অসম্ভব
বলে হয়তো পৃথিবীতে কিছু আর থাকবে
না। আমাদের দেশের বেশকিছু
মেডিটেশন গুরুজনেরা যে সকল ধ্যান
যোগ প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকেন তা
আমাদের জন্য যথেষ্ট। একজন মানুষের
তার নিজের চলমান জীবন মান উন্নয়ন
করতে যা যা প্রয়োজন, তা খুব ভালো
ভাবেই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে
থাকে। কিন্তু একটি বিষয়- আর তা হলো
আমরা যতটুকু যানি বা যানছি তা কি
যথেষ্ট বা এর বাইরে কি কিছু নেই,
আসলেই কিছু নেই, এই বাংলাদেশের
মানুষের প্রবৃত্তি যে পর্যায়ের তাতে
এর বাইরে আর কিছু থাকতেও নেই। আমি
কোন লেখক নই বা সুন্দর করে লেখায়
অবস্থ্য নই তারপরেও যা মনে আসছে
লিখে যাচ্ছি, আসলে কোয়ন্টাম বা
ত্রাটক বা ধ্যান যাহাই বলেন না কেন
এটার গভিরতা এতোটাই যা আমরা
কল্পনাও করতে পারি না, প্রাচিন
গ্রন্ধগুলোতে কিছু কিছু উদ্ধৃতি পাওয়া
যায় যেমন হিন্দু শাস্ত্রে আছে যখন
কোন কারনে দেবাদি দেব মহাদেব
মহেশ্বর কোন সমস্যার সম্মুক্ষিন হতেন
তখন তিনি তপস্যায় বসতেন অর্থাৎ
ধ্যানে বসতেন। এখানে তিনি যদি
ভগবান হয়ে থাকেন তবে তিনি কার
তপস্যা বা ধ্যান করেন ? আমাদের
সকলের প্রিয় রাসুল হযরতে নূর আহম্মদে
মুস্তফা মুহাম্মদে মুস্তফা (সাঃ) তেনার
জীবনি থেকেও একি কথা শোনা যায়
তিনি হেরা গুহার পর্বতে গিয়ে ধ্যান
করছিলেন, তো তিনি যদি ধ্যান করে
সত্যের সন্ধান পান তবে কেন তার
উম্মতে মোহাম্মদীর জন্য ধ্যান করা
সুন্নত বা ফরজ করে গেলেন না সেটা
আমার ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক্যে বোধগম্য নয়।
আবার প্রাচীন অহিংস ধর্ম বুদ্ধ ধর্মের
মুলেই রয়েছে ধ্যান যোগ, স্বয়ং বুদ্ধ
দির্ঘ্যকাল ধ্যান সাধনার দ্বারা অমৃত
সত্যের সন্ধান লাভ করেন এভাবে আমরা
পৃথিবীর যত মহামানবের ইতিহাস পাব
সেখানে কোন না কোন ভাবে এই ধ্যান
আছেই এবং তা সবকিছুর মুলেই গেথে
রয়েছে। আসলে আমরা আজ
বাংলাদেশিরা মেডিটেশন বলে যা
শিখছি সেটা ধ্যান নয় এটাকে একটি
ধ্যনের একটি কনা বলা যেতে পারে,
তবে হ্যা এই ধ্যানের মাধ্যমে
বাস্তবিকই একজন অতি সাধারন মানুষ
হয়ে উঠতে পারে অতিমানব বা
মহামানব।। আমাদের এই সাইডটি মুলত এই
ধ্যান প্রশিক্ষণ বিষয়ের উপর এবং
আমরা এটার নাম রেখেছি ত্রাটক
মহাবিদ্দ্যা বা ত্রাটক সাধনা সুতারাং
আমরা এটাকে মেডিটেশন বা ধ্যান
বলবো না ত্রাটক বলবো।
এই ত্রাটকের রয়েছে দু-মুখি
তলোয়ারের মতই কর্ম ক্ষমতা আর তাই
যদি ত্রাটক শিক্ষণ এমন কোন ব্যক্তির
হাতে গিয়ে পড়ে তবে হয় সে নিজে
ধ্বংস হবে নতুবা সে সমাজ কে ধ্বংস
করে ছেড়ে দিবে আর মূলত সেই কারনে
বাংলাদেশের মেডিটেশনের শ্রদ্ধেয়
গুরুজনেরা তাদের শিক্ষণে এমন একটি
বাউন্ডারী প্রদান করে তালিম দিয়ে
থাকেন যাতে করে সে শিষ্য কোনদিনও
সেই বাউন্ডারী ভেদ করে বের হতে না
পারে, এতে করে সবচাইতে বড় সুবিধা
হলো সে যত খারাপ বা ভালো
প্রকৃতির’ই হোক না কেন তাকে যেটা
তালিম দেওয়া হয়েছে সে তার বাইরে
শত চেষ্টাতেও যেতে পারবেনা। ফলে
সে শুধু নিজের জন্য যতটুকু করার
প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হয়েছে ততটুকুই করতে
পারবে। ভালো না এটা কি ? অবশ্যই
ভালো !!!
কিন্তু আমরা বিশ্বের সাথে তাল
মিলিয়ে এগোতে কি কখনও পারবো,
আমরা কি তাহলে মসজিদ মন্দিরে
সেন্ডেল চুরির ভয়ে সেখানে যাওয়া
বন্ধ করবো নাকি স্যন্ডেল পায়ে
দেওয়া’ই ছেড়ে দিবো। বলুন ?
ত্রাটক এমন এক ধ্যান সাধনা যা দ্বারা
ব্যক্তি তার আত্ত্বশক্তিকে বিকাশিত
করতে পারে, People may bring out his
inner power to awaken her true ability.
একজন মানুষ ত্রাটক শক্তি বিকাসিত
করার ফলে তার জীবন যাত্রার মান
যেমন পাল্টাতে পারে তেমনি তার
অতিমানবীয় গুনাবলিও অর্জন করতে
পারে, প্রতিটি মানুষের মাঝে আছে
অবিনশ্বর অসীম ক্ষমতাধর আরও একটি
মানুষ, যে নিজের সার্বিক সুরক্ষা সে
নিজেই করতে পারে, নিজের বিচার,
নিজের অর্জন নিজেই করতে পারে। যে
স্রষ্টা বা প্রকৃতি এই অসামান্য জীব
সৃষ্টি করেছে তাকে কল্পনা করার মত
অচিন্তনীয় মেধা দিয়েছে সেই প্রকৃতি
আরও কতই না ক্ষমতা তার ভিতর
সাজিয়ে রেখেছে তা আমরা ততদিন না
বুঝতে পারবো যতদিন এই পথে চলবো।
আমরা আজ মোবাইল, রিমোট কন্ট্রোল,
উড়জাহাজ, জল জাহাজ, বিদ্যুৎ,
কতকিছুই না আবিষ্কার করেছি আর
সেগুলো দেখে অবিভুত হয়ে যাচ্ছি
কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছি কি যে
শক্তি আমাদের সৃষ্টি করেছে সেই
মহামহিম স্রষ্টাআমাদের মাঝে কোন
শক্তি প্রের্থিত করে পাঠিয়েছে,
আমরা কি পারি না মোবাইল ছাড়া
কারও সাথে কমিউনিকেশন করতে,
রিমোট ছাড়া কোন ইলেক্ট্রিক যন্ত্র
বা বস্তুর মুভমেন্ট করাতে, জাহাজ
ছাড়া পানি বা বাতাসে ভাষতে,
আগুনের মাঝে অবলিলায় ঢুকে যেতে,
অন্ধকারের মাঝে কোন কিছু
দেখতে ???
আসলেই কি সম্ভব নয় ? আসলেই কি
আমরা পারিন না আমাদের সম্মুখ্যে
আসা কোন শত্রুর মোকাবেলা করতে
কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে লড়াই
করতে ? কেউ কিকখনও তা পারে নি ?
নাকি আমরাই শুধু পারি না ? ? ?
ত্রাটক সাধনার শুরুতেই আমরা এমন কিছু
করে দেখাব যা আপনি কখনও কল্পনাও
করেন নি, কখনও ভাবেন ও নি। আমরা
প্রত্যেকের মাঝেই লুকায়িত শক্তিকে
আমরা শুধু সাধনার মাধ্যমে খুজে
আনবো। আপনারা অনেকেই লক্ষ করে
থাকবেন আমাদের অবচেতন মন অনেক
সময়’ই অনেক কিছু ব্যক্ত করে ফেলে যা
আমরা কাকতালীয় ঘটনা ভেবে উড়িয়ে
দেই কিন্তু আসলে কি তা কাকতালীয় ?
যেমন অনেক সময় বাইরে থাকা কালিন
মনে হয় আজ অফিসে বা বাসায় অমুক
ব্যক্তি এসেছে বা অমুক কাজটি হয়ে
গেছে-ঘটনার স্পটে গিয়ে দেখা গেল
ঠিকই তাই। কিছু কিছু স্বপ্ন হুবহু
প্রতিফলিত হয়ে যায়। বিজ্ঞান বলে
প্রতিটি মানুষের দুর্ঘটনার কয়েক
সেকেন্ড আগে সে বুঝতে পারে এবং
কিছুটা সময়ও সে পায় সেটা থেকে
বাচার, কিন্তু হতবিহ্বল ব্যক্তিরাই
দুর্ঘটনার স্বিকার হয়।
আমরা জানবো কি ভাবে ঘটনা ঘটার
আগেই তা জানতে হবে, কি ভাবে
অন্যের অগচরে কোন প্রকার
কমিউনিকেশন ছাড়াই কোন ব্যক্তির
সাথে যোগাযোগ করা যাবে, কি ভাবে
আমার ইচ্ছেমত আমি কারও মুভমেন্ট
কন্ট্রোল করতে পারবো, কি ভাবে আমি
কারও অজান্তেই তাকে বাধ্য করতে
পারবো, কি ভাবে আমার সামনে আগত
দুর্ঘটনার পূর্বেই আমি সর্তক্য হবো।
এমনি শতশত বিষয় আমরা প্রশিক্ষণ দিব
এবং আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব
মানুষের মাঝে বিরাজও মান আর একজন
মানুষের সাথে। জিনি আপনার হয়ে
আপনার সমস্ত কাজগুলো সুশৃঙ্খল ভাবে
সমাপন করবে, আপনার অগোছালো
জীবনকে গুছিয়ে এক অনাবিল আনন্দময়
জীবনে পরিনত করবে। আপনার
হতাষাময় জীবনে বয়ে আনেবে সুখের
হিমেল বাতাস। আপনি হবেন মানুষের
মাঝে এক অনন্য মানুষ।। হয়তো মানুষ না
হয়ে মহামানবে পরিনত হবেন।।>> তবে আপনি যদি এই এ্যাটক সাধনা করতে চান যোগা যোগ করুন
.

বশী‌করন .‌টোটকা

বশীকরণ শক্তি শালী টোটকা

                        বশীকরণ শক্তিশালী টোটকা।
যে কাজ করিলে,, অবাধ্য নারীরা পুরুষের বাধ্য হইবো,,প্রথমে যে কোন মেয়ের,, মাথার চুল আইনা,, আপনার কাছে রাইখা দিবেন,, 

তারপর আপনি গোসল কইরা,, ও নামাজের ওযু কইরা দুই রাকয়াত নফল নামাজ পইরা,,(আল্লাহু সামাদ) এর কাছে উক্ত নারীকে বশ করে দেওয়ার জন্যে মুনাজাত করবেন,, 

এখন আপনি আগে যে নারীর মাথার চুল সংগ্রহ করেছেন উক্ত চুল গুলা ভালো ভাবে পরিস্কার কইরা সেই নারীরী বাড়ির সামনের,, যেকোন একটা গাছের,, মগ ডালে বাইন্ধা দিলে,, 

পরের দিন ঐ নারী আপনার প্রতি দুর্বল হইবো,, অর্থাত আপনার অনুকূল্য হইবো,, এই কাজটা বিশ্বপ্রেমা,, যতবার করছে,, ততবারী কৃতকার্য হয়ছে,,।  মন্ত গুরু জ্বিন সাধন।
তন্ত মন্ত কালো যাদু তাবিজ তদবির ও জ্বিন চালানের মাধমে কাজ করা হয় বিফলে মুলো ফেরত। তান্তিক গুরু সিবলী সাধক। আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলা 

কখনো আশাহত হয় নাই,, খুব সহজ,, এবং নির্ভূল একটা কাজ,, আপনিও যতবার প্রয়োগ করবেন,,নিঃসন্দেহে ততবারী সফলকাম হবেন,, কক্ষনো ব্যর্থ হবেন না,  মন্ত গুরু জ্বিন সাধন। তন্ত মন্ত কালো যাদু তাবিজ তদবির ও জ্বিন চালারর মাধমে কাজ করা হয় যে কোন কাজ ১/৫দিনে গ্যরান্টিতে করা হয় বিফলে মুলো ফেরত। আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধমে তদবির ও যে কোন সমসার সমাধান পেতে পারেন। যোগা যোগ montroguro7@gmail.com...call..01757786808

দৃষ্টি ‌দিয়ে ‌বশীকরন ‌মন্ত

. .

দৃষ্টি দিয়ে বশ করার মন্ত্রঃ

অনেক সময় দেখা আপনি যাকে পছন্দ করেন, তাকে কোন ভাবেই কথা বলা বা কোন ভাবেই কোথাও ঘুরতে নিয়ে যাওয়া কিংবা তাকে কোনভাবেই কিছু খাওয়াতে পারছেন না। তাকে বশ করার মতো অন্য কোন উপায় খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কিন্তু তাকে প্রতিনিয়তই দেখেই যাচ্ছে আর দেখেই যাচ্ছেন ঠিক সেই মুহূর্তে আপনি আপনার দৃষ্টি শক্তি দ্বারা তাকে বশ করতে পারবেন। শুধু মাত্র একটি মন্ত্র পাঠ করে। তো চলুন মন্ত্রটি ও তার প্রয়োগ বিধি সম্পর্কে জেনে নেই।
মন্ত্রঃ-
“ঐ বগ ভুগে ভগনি।। ভাগোদরি ভগমালে।।
যৌনি ভগনিপতিনি।।
সর্ব ভগ সংকরী।।
ভগরুপে নিত্য ক্লৈ।।
ভগস্বরুপে সর্ব ভগান।।
মে বশমানয়ৎবরুদেরেতে।।
সুরেতে ভগ লিংকনে।।
ক্লীং নং দ্রবে ক্লেদয়।।
দ্রাবয় অমোঘে ভগ বিধো।।
ক্ষভু ক্ষোভয় সর্ব।।
সত্বাভগেশ্বরী মে।।
হকং জরু ব্লু ভৈং।।
মৌ বলুং হে হে।।
ক্লিনে সর্বাণি।।
ভগানি তস্মৈং স্বাহাং।।”
প্রয়োগ বিধিঃ- এই মন্ত্র জপ করার পর যদি কারো সঙ্গে দৃষ্টি বা নজর মেলানো হয় তবে সে সাধকের বশীভূত হয়ে যায়। তবে যে কোন গুরু পুষ্য যোগে ১০০৮ বার এই মন্ত্র জপ করে এবং ১০৮ বার উক্ত মন্ত্র দিয়ে আহুতি দিয়ে মন্ত্রকে অবশ্যই সিদ্ধ করে নিতে হবে। তাহলে অবশ্যই কাজ হবে।
বিঃদ্রঃ-কাজটি করার পূর্বে অবশ্যই কোন সিদ্ধ গুরুর অনুমতি নিতে হবে, এবং গুরুকে খুশি রাখতে তাকে কিছু চন্ডিবরণ দিতে হবে। ধন্যবাদ।।।