সোমবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৯

প্রেমে ‌বাথা ‌তার ‌সমাধান.

.প্রেমের পথে হাজার বাধা। কখনও পরিবার সমস্যা তৈরি করে তো কখনও সমাজ। জ্যোতিষশাস্ত্রে এর সমাধান রয়েছে। শাস্ত্রে এমন কিছু মন্ত্রের উল্লেখ আছে, যা নিয়মিত জপ করলে সমস্ত বাধা কাটিয়ে আপনি আপনার পছন্দের মানুষকে সারা জীবনের জন্য কাছে পাবেন। জেনে নিন সেই মন্ত্রগুলি--
প্রেমিক বা প্রেমিকাকে আকৃষ্ট করতে চাইলে রোজ জপ করুন-- 'ওঁ ক্লীং কৃষ্ণায় গোপীজন বল্লভায় স্বাহা।'
ভালোবাসার সঙ্গীকে সারাজীবনের জন্য নিজের করে পেতে চাইলে জপ করুন-- 'কেশবী কেশবরাধ্যা কিশোরী কেশববস্তুতা, রুদ্র রূপা রুদ্র মূর্তিঃ রুদ্রাণী রুদ্র দেবতা।' মন্ত্র জপের সময় শ্রীকৃষ্ণকে স্মরণ করতে হবে। টানা ৩ মাস প্রতি শুক্রবারে রাধা-কৃষ্ণের মূর্তির সামনে ১০৮ বার এই মন্ত্র জপ করলে প্রেমজ বিবাহের যাবতীয় বাধা কেটে যায়।
শুক্লপক্ষের বৃহস্পতিবার লক্ষ্মী-নারায়ণের মূর্তির সামনে বসে দিনে তিনবার স্ফটিকের জপমালা নিয়ে জপ করুন-- 'ওঁ লক্ষ্মী-নারায়ণ নমঃ' মন্ত্র। এই মন্ত্র টানা তিন মাস প্রতি বৃহস্পতিবার জপ করতে হবে এবং শুক্লপক্ষের বৃহস্পতিবার থেকে জপ করা শুরু করতে হবে। একই সঙ্গে, মন্দিরে দেবতার উদ্দেশ্যে ফল নিবেদন করে প্রেমজ বিবাহের সফলতার জন্য প্রার্থনা করতে হবে। এতে বাধা-বিপত্তি দূর হবে।
প্রেমের বাধা কাটাতে দেবাদিদেব মহাদেবের স্মরণ নিন। পাঁচটি নারকেল শিবমূর্তির সামনে রেখে জপ করুন-- 'ওঁ শ্রী বর প্রদায় শ্রী নমঃ' মন্ত্র। স্ফটিক বা রুদ্রাক্ষের জপমালা হাতে নিয়ে এই মন্ত্র মোট পাঁচ মালা (জপের সময় জপমালার সমস্ত রুদ্রাক্ষ গুণতে হবে। পুরোটা একবার গোণা হলে এক মালা গোণা হল।)জপ করতে হবে। জপ শেষে নারকেল দেবতার উদ্দেশ্য নিবেদন করুন।
শাস্ত্রে বলেছে, প্রতি সোমবার ভোরে স্নান সেরে 'ওঁ সোমেশ্বরায় নমঃ' মন্ত্র জপ করতে করতে শিবলিঙ্গের মাথায় দুধ মিশ্রিত জল ঢাললেও উপকার পাওয়া যাওয়া। জল ঢালার পর মন্দিরে বসে রুদ্রাক্ষের জপমালা নিয়ে এই মন্ত্র এক মালা জপ করতে হবে।
তান্তিক গুরু আজিজ রহমান..01757786808

রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৯

নিজে ‌গায়েব ‌হবার ‌মন্ত


                      নিজে গায়েব হওয়ার মন্ত
নিজে গায়েব হওয়ার মন্ত্র
মন্ত্রঃ কুহুং বিহারী। হামারা কুরদে বিহারী। হেচার
নাহি মেরা চিহারি। তো সবকো শিষ্ট্রা বৃথা
জাউংগো।। বিঃদ্রঃ এই মন্ত্র অমাবস্যা রাতে বা
যে কোন শনি বা মঙ্গলবার প্রসিদ্ধ গুরু দ্বারা
চন্ডিবরন করে নিতে হবে।তারপর গুরু এর দেয়া বিধি-
অনুযায়ী কাজ করলে ১০০% কাজ করবে। অনেক বার
পরীক্ষিত। কিন্তু এই কাজ সব সময় করা যাবে না।যখন
সিদ্ধ গুটিকা সিদ্ধিপ্রাপ্তির সাথে থাকবে তখন সে
গায়েব হতে পারবে। এই কাজ অত্যন্ত সহজ। যাদের
গায়েব হওয়ার ইচ্চা কিন্তু পারছেন না। তারা আজই
যোগাযোগ করুন।।  তবে যে কোন তন্ত মন্ত করেন না কেন
প্রথমে গুরুর অনমতি নিতে হবে ও আপনার নামে চন্ডিবরন
করতে হবে তবেই যে কোন মন্ত কাযকর হবে।

মন্ত গুরু জ্বিন সাধক।  তান্তিক গুরু আজিজ রহমান
তন্ত মন্ত কালো যাদু তাবিজ তদবির ও জ্বিন চালানের মাধমে কাজ করা হয় যে কোন কঠিক কাজ ১/৭দিনে ১০০%গ্যরান্টিতে করা হয়। আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনে মাধমে তদবির ও যে কোন সমসার সমাধান পেতে পারেন।  এমন কি যে কোন তন্ত মন্ত সাধনা শিখে নিজেও তান্তিক হতে পারবেন।  আজি যোগা যোগ করুন।  রাজশাহী বাগ মারা হাসপাতাল রেড...  যোগা যোগ
montroguro7@gmail.com..call.. 01757786808

সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৯

এিফলা র ‌গুনা ‌গুন

 . পতিদিন এিফলা খান. . সকল রোগের মহা ওষদ

  • অনলাইন বিষ্টট প্রতিষ্টান .মন্ত গুরু .01757786808
 
প্রতিদিন ত্রিফলা খান, তারপর দেখুন কী হয়!
শরীরকে রোগ মুক্ত রাখতে ত্রিফলার বাস্তবিকই কোনও বিকল্প নেই। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে এর এত কদর। তিনটি ফলকে শুকিয়ে নিয়ে তারপর তা গুঁড়ো করে একসঙ্গে মিলিয়ে যে শক্তিশালী মিশ্রনটি তৈরি করা হয়, তাকেই আযুর্বেদ শাস্ত্রে ত্রিফলা নামে ডাকা হয়ে থাকে। 
কি কি ফল ব্যবহার করে ত্রিফলা বানানো হয়?  সাধারণত আমলকি, হরিতকি এবং বহেরা একসঙ্গে বানানো হয় এই ঔষধিটি, যাতে একাধিক ভিটামিন এবং মিনারেল ছোট-বড় নানা রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে এতে উপস্থিত গ্যালিক অ্যাসিড, ইলেগিক অ্যাসিড এবং চেবুলিনিক অ্যাসিড ত্বক এবং চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও কাজে আসে। 
ক্ষত সেরে যায় চোখের নিমেষে : অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটারি এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদানে টাসা হওয়ার কারণে এই মিশ্রনটি খাওয়া শুরু করলে শরীরের এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে ক্ষত সারতে সময় লাগে না। এই কারণেই তো চোট বাচ্চাদের নিয়মিত এই আয়ুর্বেদিক মিশ্রনটি খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : রক্তচাপ কি ওঠানামা করে? তাহলে নিয়মিত ত্রফলা খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগবে না। এই মিশ্রনটিতে লাইনোলিক অ্যাসিড, শরীরে প্রবেশ করা মাত্র এমন খেল দেখায় যে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। 
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : নিয়মিত ত্রিফলা খাওয়া শুরু করলে দেহের পুষ্টিকর উপাদানের মাত্রা এতটা বেড়ে যায় যে তার প্রভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। ফলে ছোট-বড় রোগব্যাধির প্রকোপ কমে চোখের নিমেষে।
ক্যান্সারকে কাছেই আসতে দেয় না : নিয়মিত খালি পেটে এই আয়ুর্বেদিক চূর্ণটি খাওয়া শুরু করলে শরীরের এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে ক্যান্সার সেল জন্মে নেওয়ার কোনও সুযোগই পায় না। আর একবার যদি জন্ম নিয়েও ফেলে তাহলেও তার বৃদ্ধি আটকে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই মারণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।
খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করে : ত্রিফলার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট একদিকে যেমন এল ডি এল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। তেমনি হার্টে যাতে কোনওভাবেই প্রদাহ সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোনও ধরনের করনারি আর্টারি ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।
কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রকোপ কমায় : সকালটা যদি আপনার কাছে অভিশাপের সমান হয়, তাহলে আজ থেকেই ত্রিফলা চুর্ন খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে। যে বাওয়েল মুভমেন্টের উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিয়ে কনস্টিপেশনের মতো রোগের চিকিৎসায় এই হার্বাল মিশ্রনটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। কোলোনকে পরিশুদ্ধ করার মধ্যে দিয়ে আরও নানা ধরনের রোগের আশঙ্কা কমাতেও ত্রিফলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।
ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে : অতিরিক্ত ওজনরে কারণে যদি চিন্তায় থাকেন, তাহলে ডায়েট কন্ট্রোলের পাশাপাশি আপনার প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত ত্রফলা চুর্ণ। কারণ নিয়মিত এই প্রাকৃতিক উপাদানটি গ্রহণ করলে বাওয়েল মুভমেন্টের উন্নতি ঘটে। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটার কারণে শরীরে মেদ জমার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমতে শুরু করে।
দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে : এক গ্লাস গরম পানিতে ১-২ চামচ ত্রিফলা গুঁড়ো মিশিয়ে সারা রাত রেখে দিন। পরদিন সকালে উঠে পানিটা ছেঁকে নিয়ে ভালো করে চোখ পরিষ্কার করুন। এইভাবে নিয়মিত চোখের পরিচর্যা করতে পারলে দেখবেন দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটতে সময় লাগবে না। সেই সঙ্গে চোখের সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও যাবে কমে।
অ্যাংজাইটি এবং স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : নিয়মিত খালি পেটে ত্রিফলা খাওয়ার অভ্যাস করলে শরীরের অন্দরে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যা ব্রেন পাওয়ার বাড়ানোর পাশাপাশি মানসিক ক্লান্তি এবং স্ট্রেস কমাতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। ‌ তান্তিক ও কবিরাজ . 01757786808

মনের সকল ইচ্ছা পুরন হবার আমল

...সমানিতো ভিজাটার গন . আপনাদের জনো ইসলামি আমলের মাধমে সকল সৎ ইচ্ছা পুরনের আমল পোষ্ট করেছি যা 100%পরিক্ষিতো..
মনের আশা পূর্ণ হওয়ার জন্য সূরা ইয়াসিন!!
দৈনন্দিন জীবনে আমাদের অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় | অনেক কষ্টের মাঝে আমরা মাঝে মধ্যে দিশা হারিয়ে ফেলি | কষ্টের কথা আমরা আশেপাশের মানুষকে বলে বেড়াই এবং তাদের সান্তনা নেই | কিন্তু আমরা ভুলে যাই এমন একজন আছেন যিনি আমাদের সকল কষ্ট দূর করার মালিক | যার দয়া যার রহমত সব কিছুর উর্ধে | যিনি কখনো তার বান্দার খারাপ চান না | আর তিনি আর কেউ নন আমাদের সারা জাহানের মালিক মহান আল্লাহ পাক |
আল্লাহ পাক যেমন বিপদ দেন তেমন বিপদ উত্তরণের পথ ও তিনি করে দেন | তাই কখনো নিরাশ না হয়ে একমনে আল্লাহ কে ডাকা উচিত | উনাকেই সকল কষ্টের কথা বলা উচিত |
বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ও মহান আল্লাহ তা আলা কোরান শরীফ এ বিভিন্ন সূরা আমাদের জন্য দিয়ে দিয়েছেন | আজ আমি এমন একটি সূরার কথা বলবো যেটি পরে আপনি আল্লাহর কাছে দুআ চাইলে আল্লাহ অবশ্যই আপনার নেক ইচ্ছা কবুল করে নিবেন ইন শা আল্লাহ যদি আপনার করা দুআ টি আল্লাহ আপনার জন্য মঙ্গলজনক মনে করেন | আর এই আমলটি করে আমিও অনেক উপকৃত হয়েছি আলহামদুলিল্লাহ |
কোরান শরীফের একটি বিশেষ দুআ হচ্ছে সূরা ইয়াসিন | যার ফজিলত কম বেশি আমরা সবাই জানি | এই সূরাটি ৪১ বার পাঠ করে আপনি আল্লাহর কাছে যদি নেক দুআ করেন ইন শা আল্লাহ আল্লাহ আপনার দুআ কবুল করে নিবেন | একবারে যে সূরাটি ৪১ বার পাঠ করতে হবে এমন কোনো কথা নেই | আপনি কতদিনে সূরাটি ৪১ বার পাঠ করতে পাঠ করতে পারবেন এটি সম্পূর্ণ আপনার উপর | তবে যেদিন থেকে আপনি সূরা ইয়াসিন পাঠ করা শুরু করবেন তার আগে অবশ্যই দুরুদে ইব্রাহিম ১১ বার পাঠ করে আল্লাহর কাছে এভাবে দুআ করে নিবেন যে আল্লাহ আমি এই উদ্দেশ্যে সূরা ইয়াসিন পাঠ করছি | আপনি এই সূরার বরকতে এবং রহমতে আমার এই নেক ইচ্ছাটি কবুল করে নিয়েন |
আবার যেদিন আপনার ৪১ বার সূরা ইয়াসিন পাঠ করা শেষ হবে সেদিন আবার ১১ বার দুরুদে ইব্রাহিম পরে আল্লাহর কাছে দুআ করবেন | অনেকেই আছেন সূরা ইয়াসিন বাংলা তা দেখে পাঠ করেন তাতেও অসুবিধা নেই তবে ভালো হয় আরবি দেখে পাঠ করলে | কারণ অনেক সময় বাংলা দেখে পাঠ করে টান গুন্নাহ ঠিক থাকে না |
অনেকেই হয়তো জানেন না দুরুদে ইব্রাহিম কোনটা | যেই দুরুদ আমরা সবসময় নামাজে পড়ি সেটাই দুরুদে ইব্রাহিম | আর মনে রাখবেন আমলটি করার পাশাপাশি ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন | আমলটি করার মাঝে যদি আপনার দুআ কবুল ও হয়ে যায় তাও আপনি ৪১ বার পড়া শেষ করবেন |
যেমন মনে করুন ১৮ বার পড়ার পর আপনার দুআ কবুল হয়ে গেলো তারপর আপনি ৪১ বার পড়ে শেষ করবেন | আর আমল টি করার সময় অবশ্যই মনে এই বিশ্বাস রাখবেন যে আল্লাহ আপনার দুআ অবশ্যই কবুল করবেন |
সবশেষে বলতে চাই সব কিছু দেয়ার মালিক আমাদের রাব্বুল আলামিন | তাই যে কোনো আমল করার সময় মনে রাখতে হবে আল্লাহ ভালো মনে করলেই আমরা সেই জিনিসটা আমাদের জীবনে পাবো | তাই কোনো সময় কিছু না পেলে আশাহত হওয়া যাবেনা | সবসময় মনে রাখতে হবে আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন | তাই যতদিন পর্যন্ত দুআ কবুল না হয় আল্লাহর কাছে দুআ করে যাবেন | ইন শা আল্লাহ একসময় না অ আপনার দুআ আল্লাহ অবশ্যই কবুল করবেন যদি সেটি আপনার জন্য আল্লাহ ভালো মনে করেন |।
[ যেকোনো প্রশ্ন ও পরামর্শে যোগাযোগ নাম্বার : 01757786808

বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৯

পরী সাধনা করার সহজ উপায়

.পরী সাধনা করার বিবরণঃ- যেকোন সাধনাই মানুষের দৃষ্টিতে যতটা সরল মনে হয় ততটা সরল নয়। সব সাধনার পিছনেই কিছু গোপনীয় তথ্য থাকে যার সঠিক প্রয়োগ হলে তবেই সিদ্ধি লাভ হয়। ভৌতিক সৌন্দর্য্য ও নারী উভয়ের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে পুরুষ সমাজের কাছে। এই সাধনায় সিদ্ধি লাভের দ্বারা সাধক এমন অনেক কিছুই করতে পারে যা বিস্ময়কর। এই সাধনাটি মাত্র ৯ দিনের। কোন শুভ মুহুর্তে এটি শুরু করে চলবে ৯ দিন পর্যন্তু। ৯ দিনের মাথায় পরী এসে সাধককে দেখা দেবে। পরীর আশ্চর্য্য রুপ ও যৌবন সাধককে চঞ্চল ও হতবাক করে দিতে পারে! তাই সাধককে এই ধৈর্য্য ও সাহসে ভর করে থাকতে হবে। পরী সাধককে দেখা দিয়ে তার মনকামনা জানতে চাইবে। সাধক যদি এই সময়ে সংযম না রাখতে পারে তাহলে তার এতোদিনের সাধনা নিস্ফল হবে এবং তার ভয়ানক ক্ষতি হবে। এই সময়ে সাধক পরীর গলায় গোলাপ ফুলের মালা দেবে। পরী মালা স্বীকার করলে সাধকের বশীভূত হবে এবং সাধকের আদেশ অনুযায়ী কাজ করবে। অতএব মন ঠিক রেখে, ধৈর্য্যশীল থেকে সাধনার কাজ সাধকে করতে হবে।
সাধনার নিয়মঃ
সাধক শুদ্ধ জলে স্নাস করে, জালীদার টুপি পরে কোন শুক্রবার রাত ১১ টায় নিজের কোন একান্ত ঘরে সবুজ রঙের আসনে নামাজ পড়ার মুদ্রায় বসে পুরো শরীর হিনা সুগন্ধি লাগিয়ে বসে সামনে তামার পাতে আঁকা যন্ত্রকে স্থাপন করবে। লোবানের ধূনী জ্বালিয়ে তসবী মালা দিয়ে মন্ত্র জপ করতে হবে। মন্ত্র ও যন্ত্র নিচে দেওয়া হলোঃ-
মন্ত্রঃ- “ওঁম নমো বিস্মিল্লাহি রহিমান রব্বে ইন্নী মঙ্গল ফন্তসীর”
যন্ত্রঃ-
বিঃদ্রঃ- এই সাধনাটি করতে চাইলে অবশ্যই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যোগাযোগের মাধ্যপরী সাধনা করার উপায়

কালো ‌যাদু ‌কি

জন দ্য এবং এডওয়ার্ড কেল্লি একটি গির্জা কবরস্থানে একটি আত্মা আহ্বান একটি জাদু বৃত্ত অনুষ্ঠান ব্যবহার করে।
কালো জাদু বা অন্ধকার জাদু হলো এমন এক ধরনের চর্চা যা অন্যের অনিষ্ট সাধনে কিংবা নিজের স্বার্থ সিদ্ধির জন্যে করা হয়। এটি অতিমানবিক ও অশুভ শক্তির সংশ্লিষ্টতা । কালো জাদু সাধারনত অতিমানবিক শক্তি দ্বারা করা হয় । তবে অনেকে বলেন এতে ভূতপ্রেতআত্মাপ্রেতাত্মা ব্যবহার করা হয় । অর্থাৎ বলা হয়ে যে কালো জাদু দিয়ে ভুতপ্রেতপ্রেতাত্মা ইত্যাদি বশ করে তাদের দিয়ে নানা কাজ করা যায়। যারা কালো জাদু করে তাদের কালো জাদুকর বলা হয়।
কালো জাদু ঐতিহ্যগতভাবে অলৌকিক শক্তি বা মন্দ এবং স্বার্থপর উদ্দেশ্যের জন্য জাদুর ব্যবহার উল্লেখ করা হয়েছে।[১] বাম দিকের পথ এবং ডান দিকের পথ ডাইকোটোমির ক্ষেত্রে, কালো জাদুটি দয়ালু সাদা জাদুটি দূষিত, বাম দিকের অংশ। আধুনিক সময়ে, কেউ কেউ "কালো যাদু" সংজ্ঞাটিকে "কালো যাদু" হিসাবে অস্বীকার করে। এমন যাদু বা রীতিগত অনুশীলনগুলিকে সংজ্ঞায়িত করে, তাদের দ্বারা সংকুচিত করা হয়েছে।[২]

বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৯

গ্রাহক ‌সেবা. ‌বিবরন

                                                          গ্রাহক সেবা সমহু.
         .অামাদের ‌সেবা সমহূ
1. আয় রোজগার বৃদ্ধির তাবিজ।
2. অভাব দুর কারার তাবিজ।
3. ব্যবসায় উন্নতির তাবিজ।
4. দোকনের উন্নতির তাবিজ।
5. ধনী হওয়ার তাবিজ।
6. ঋন মুক্তির তাবিজ।
7. মান সম্মান বৃদ্ধির তাবিজ।
8. শত্রুর উপর জয় লাভের তাবিজ।
9. বিপদ মুক্তির তাবিজ।
10. মাল হেফাজতের তাবিজ।
11. জান-মাল হেফাজতের তাবিজ।
12. স্বামীর ভলোবাসা বৃদ্ধির তাবিজ।
13. স্ত্রীর ভলোবাসা বৃদ্ধির তাবিজ।
14. স্বামীকে বস করার তাবিজ।
15. স্ত্রীকে বস করার তাবিজ।
16. দুজনের মাঝে ভালোবাসা সৃষ্টির তাবিজ।
17. কাউকে নিজের প্রেমে পাগল করার তাবিজ।
18. প্রেমিক-প্রেমিকার মাঝে মিলন হওয়ার তাবিজ।
19. কারো বন্ধুত্ব লাভের তাবিজ।
20. কাউকে বস করার তাবিজ।
21. স্বামীর পরকিয়া বন্ধের তাবিজ।
22. স্ত্রীর পরকিয়া বন্ধের তাবিজ।
23. সন্তানের অবৈধ প্রেম বন্ধ করার তাবিজ।
24. স্বমীর বাড়ী থেকে স্ত্রী চলে গেলে তাকে ফিরিয়ে আনার তাবিজ।
25. স্ত্রীকে রেখে স্বমী চলে গেলে তাকে ফিরিয়ে আনার তাবিজ।
26. স্বামী-স্ত্রীর মাঝে মনোমালিন্য দুর করার তাবিজ।
27. স্বামী-স্ত্রীর মাঝে দাম্পত্য সম্পর্ক নিবিড় করার তাবিজ।
28. বাড়ী-ঘর বন্ধের তাবিজ।
29. শরির বন্ধের তাবিজ।
30. বাড়ী-ঘর থেকে জ্বীন-ভূত দুর করার তাবিজ।
31. জ্বীন-ভুতের আছর দুর করার তাবিজ।
32. বদনজরের আছর দুর করার তাবিজ।
33. জ্বীন ছাড়ানোর তাবিজ।
34. জ্বীন-ভূতের আক্রমর থেকে রক্ষার তাবিজ।
35. জ্বীন-ভূতের আছর নষ্ট করার তাবিজ।
36. মাথা ব্যাথা দুর করার তাবিজ।
37. কানের ব্যাথা দুর করার তাবিজ।
38. চোখের ব্যাথা দুর করার তাবিজ।
39. দাঁতের ব্যাথা দুর করার তাবিজ।
40. ঘারের ব্যাথা দুর করার তাবিজ।
41. গলার ব্যাথা দুর করার তাবিজ।
42. কন্ঠনালীর ব্যাথা দুর করার তাবিজ।
43. হাতের ব্যাথা দুর করার তাবিজ।
44. বুকের ব্যাথা দুর করার তাবিজ।
45. কলিজার ব্যাথা/হৃদকম্পন দুর করার তাবিজ।
46. পেটের ব্যাথা দুর করার তাবিজ।
47. পিঠের ব্যাথা দুর করার তাবিজ।
48. কপাল ব্যাথা দুর করার তাবিজ।
49. ক্ষুদা বৃদ্ধির তাবিজ।
50. হজম শক্তি বৃদ্ধির তাবিজ।
51. নাভি ব্যাথা দুর করার তাবিজ।
52. চোখ উঠা নিরাময়ের তাবিজ।
53. গলা ফুলা নিরাময়ের তাবিজ।
54. স্বরন শক্তি বৃদ্ধির তাবিজ।
55. পরিক্ষায় পাসের তাবিজ।
56. পলাতক ব্যক্তিকে ফিরিয়ে আনার তাবিজ।
57. হারানো ব্যক্তিকে ফিরিয়ে আনার তাবিজ।
58. নিখোজ ব্যক্তিকে ফিরিয়ে আনার তাবিজ।
59. বিদেশে অবস্থানরত ব্যক্তিকে ফিরিয়ে আনার তাবিজ।
60. পলানোর অভ্যাস দুর করার তাবিজ।
61. মামলায় খালাস পাওয়ার তাবিজ।
62. জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার তাবিজ।
63. মামলার ফায়সালা নিজের পক্ষে আনার তাবিজ।
64. শত্রু থেকে রক্ষা পাওয়ার তাবিজ।
65. শত্রুর মুখ বন্ধ করার তাবিজ।
66. শত্রু দমন করার তাবিজ।
67. শত্রুকে নত রাখার তাবিজ।
68. দুই লোকের মাঝে ঝগড়া/শত্রুতা সৃষ্টির তাবিজ।
69. শত্রুর উপর জয়ী হওয়ার তাবিজ।
70. শত্রুর আক্রমষ থেকে রক্ষার তাবিজ।
71. শত্রুর শত্রুতা বন্ধের তাবিজ।
72. শত্রুর নিদ্রা বন্ধের তাবিজ।
73. দুই দলের মাঝে বিরোধ মিটানোর তাবিজ।
74. শত্রুকে বন্ধু বানানোর তাবিজ।
75. শত্রুর ভয় দুর করার তাবিজ।
76. জালেমের জুলুম থেকে রক্ষার তাবিজ।
77. বিপদ-আপদ থেকে নিরাপদ থাকার তাবিজ।
78. ভয় দুর করার তাবিজ।
79. বিপদ থেকে মুক্তির তাবিজ।
80. সফরে বিপদ-আপদ থেকে নিরাপদ থাকার তাবিজ।
81. মর্জাদা লাভের তাবিজ।
82. জনপ্রিয়তা লাভের তাবিজ।
83. মানুষের নিকট প্রিয় হওয়র তাবিজ।
84. কঠিন কাজ সহজ করার তাবিজ।
85. সমস্ত রোগ থেকে নিরাপদ থাকার তাবিজ।
86. সন্তান লাভের তাবিজ।
87. জ্বর ভালো হওয়ার তাবিজ।
88. বসন্ত রোগ ভালো হওয়ার তাবিজ।
89. কলেরা ভালো হওয়ার তাবিজ।
90. কলেরা থেকে নিরাপদ থাকার তাবিজ।
91. মহামারী থেকে নিরাপদ থাকার তাবিজ।
92. প্লিহা রোগ ভালো হওয়ার তাবিজ।
93. অর্শ রোগ ভালো হওয়ার তাবিজ।
94. মৃগী রোগ ভালো হওয়ার তাবিজ।
95. নাকছির ভালো হওয়ার তাবিজ।
96. রাতকানা রোগ ভালো হওয়ার তাবিজ।
97. হাঁচি রোগ ভালো করার তাবিজ।
98. প্রশ্রাব বন্ধ হলে তা নিরাময়ের তাবিজ।
99. কুষ্ঠ রোগ ভলো হওয়ার তাবিজ।
100. স্বেত রোগ ভলো হওয়ার তাবিজ।
101. কম্প রোগ ভলো হওয়ার তাবিজ।
102. দাস্ত রোগ ভালো করার তাবিজ।
103. যৌন শক্তি বৃদ্ধির তাবিজ।
104. স্ত্রীলোকের যৌন শক্তি বৃদ্ধির তাবিজ।
105. দেরিতে বির্জপাত হওয়ার তাবিজ।
106. স্বপ্নদোষ বন্ধ করার তাবিজ।
107. শস্য ক্ষেত নিরাপদ রাখার তাবিজ।
108. বাগার নিরাপদ রাখার তাবিজ।
109. ফসল নিরাপদ রাখার তাবিজ।
110. ক্ষেতে অধিক ফসল হওয়ার তাবিজ।
111. গাছে অধিক ফল লাভের তাবিজ।
112. গরু, মহিষ ও ছগলের দুধ বৃদ্ধির তাবিজ।
113. অতিরিক্ত রক্ত স্রাব বন্ধের তাবিজ।
114. গর্ভ নষ্ট না হওয়ার তাবিজ।
115. বন্ধা মেয়ের সন্তান লাভের তাবিজ।
116. ছেলে সন্তান লাভের তাবিজ।
117. মেয়েদের স্তনে দুধ বেশি হওয়ার তাবিজ।
118. শিশুর দুধ ছাড়ানোর তাবিজ।
119. শিশু দীর্ঘায়ু লাভের তাবিজ।
120. শিশুর হেফাজতের তাবিজ।
121. তারাতারি মেয়েলোকের বিবাহ হওয়ার তাবিজ।
122. যাদু নষ্ট করার তাবিজ।
123. যাদুর আছর নষ্ট করার তাবিজ।
124. বান নষ্ট করার তাবিজ।
125. বানের আছর নষ্ট করার তাবিজ।
126. বদনজরের আছর নষ্ট করার তাবিজ।
127. মুখদোষের আছর নষ্ট করার তাবিজ
‌মোবাইল.01978142102