সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১

মহিলা/স্ত্রী/নারী/মেয়ে বশীকরণ#লোক/পূরুষ/মানুষ্য বশীকরণ বা বাধ্য করা

আমরা আজ আমাদের সার্বজনিন কিছু ভুল নিয়ে আলোচনা করবো। সাধারনত তান্ত্রিক বিষয়ে আমরা সচারাচর যে ভুল গুলো করে থাকি-
আমরা অনেকেই জীবনের কোন এক সময় এসে আমাদের চিরচেনা খুব কাছের খুব আপন, খুব’ই গুরুত্বপূর্ণ মানুষটাকে অকারনেই হটাৎ বদলে যেতে দেখি বা অন্যের সাথে ঘনিষ্ট হতে দেখি বা নিজের কাছ থেকে দুরে সরে যেতে দেখি যা আমাদের হৃদয়কে আন্দলিত করে, কখনো কখনো হৃদয়কে ক্ষত বিক্ষত চূর্ন বিচূর্ণ করে দেয়। আমাদের বেচে থাকার অর্থ’ই শেষ করে দেয়। কোন ভাবেই তাকে ফেরাতে পারি না, তাকে বোঝাতে পারি না, তাকে পূর্বের ন্যায় ভালোবাসায় জরাতে পারি না। হটাৎ করেই যেনো চিরচেনা মানুষটা একদম অপরিচিত হয়ে যায়। এমন সময় খুব সাধারন ভাবেই আমাদরে মেধা শূন্য হয়ে যায়, এবং তাকে ফিরে পাবার জন্য ব্যকুল হয়ে উঠি, যে কোন মূল্যেই তাকে ফিরে পেতে চাই, কাছে পেতে চাই। দ্বিক-বিদ্বীক জ্ঞানশুন্য হয়ে যাই। আর এই আমাদের মাথায় আসে তান্ত্রিকদের কথা, বশিকরণের কথা, আকর্ষন, বশ করা বা বাধ্য করার কথা। তখন আমরা বন্ধু মহলে বা এলাকার কিছু চতুর মানুষদের সাথে আলাপ চারিতার মাধ্যমে জানতে চেষ্টা করি কে বা কারা এই সকল তান্ত্রিক কাজের সাথে জরিত। অনেকেই অনলাইনে বিভিন্ন স্যোসাল মিডিয়ায় সার্চ করা শুরু করি। মনে পরে যায় পথে ঘাটে বিভিন্ন লিফলেট বা  ২৪ ঘন্টায় মুশকিল আসান সাইন বোর্ড ইত্যাদি। এ ক্ষেত্রে শতকরা আমরা ৯৯% ভুল করি সঠিক তান্ত্রিক চিনতে। কারন বর্তমান সময়ে আমাদের আসে পাসে যেমন হাজারো ভূইফোড় জিন হুজুর, জীন মাতা, কালি সাধকের অবির্ভাব তেমনি অনলাইনেও টোকাই শ্রেনীর নষ্টবুদ্ধির অল্প বয়ষ্ক ছেলেদের দ্বারা তৈরী ফেইসবুক বা ব্লগার তান্ত্রিকের ছরাছরি। বিশেষ করে এ্যন্ড্রোয়েড মোবাইল যারা ব্যবহার করে তারা নিশ্চয় মোবাইল এ্যাপ ও ভিডিও ডাউনলোড করতে এমন হাজারো হাইব্রিড তান্ত্রিকের এ্যড বা পেইজ দেখেই থাকবে। আমরা ইতিপূর্বেই ফেইক তান্ত্রিক পেইজ বা সাইট চেনার বেশ কয়েকটি পোষ্ট করেছি। আজ এ বিষয় আলোচনা নয়, আজকের আলোচনা যারা সত্যিকারের তান্ত্রিকের স্বরনাপন্য হয়েও ফল পেতে বিলম্ব হচ্ছে তাদের বিষয় নিয়ে।
দেখুন সর্বপ্রথম কাজ হচ্ছে আপনার সমস্যাটি নিজেই বা তান্ত্রিক মহোদয়কে দিয়ে সঠিক ভাবে বিশ্লেষন করুন। কারন যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি আপনার সম্পর্কের অবনতির কারন খুজে বের করতে না পারবেন ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি সঠিক ভাবে তার তদবীরও করতে পারবেন না। মনে রাখুন তান্ত্রিকতা এক প্রকার চিকিৎসা ব্যবস্থা যাকে আপনি আধ্যাত্মিক চিকিৎসা বা মনচিকিৎসাও বলতে পারেন। সুতারাং কোন রোগের চিকিৎসার জন্য যেমন সর্বপ্রথম বিভিন্ন পরিক্ষা নিরিক্ষার মাধ্যমে সমস্যার মূল খুজে বের করতে হয়, তেমনি এই তান্ত্রিকতার ক্ষেত্রেও আপনাকে সর্বপ্রথম সমস্যার মূল খুজে বের করতে হবে। সমস্যার মূল খুজে না পেলে আপনার সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। যেমনটা প্যারাসিটামল টেবলেটে সব ধরনের জ্বর ভালো হয় না। তেমনি বশিকরণ তদবীর করলেই যে একজনকে বশিকরণ করতে পারবেন সেটা ভাবা মূর্খতা। পৃথিবীতে প্রায় ৭৩ হাজারের মত বশিকরণ মন্ত্র/দোওয়া তাবিজ রয়েছে, এই সকল কিছুই বিভিন্ন প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে সৃষ্টি। বিভিন্ন জাতের বিভিন্ন ধরনের মানুষের জন্য বিভিন্ন প্রকার তন্ত্র। একটি ছেলে বা একটি মেয়ে কেমন, তার আচরণ কেমন, তার স্বভাব কেমন, তার ভালো লাগা, মন্দ লাগা, তার পূর্বশুরীরা কোন চরিত্রের/ তার বর্তমান কোন নতুন সঙ্গী রয়েছে কি না, তার জন্ম তারিখ কি, তার উপর পূর্বেকার কোন তদবীর চলমান কি না, বর্তমানে তার উপর কোন ভিন্ন ধর্মি তদবীর চলছে কি না, তার পূর্বের কোন পছন্দের মানুষ আছে কি না। ইত্যাদি নানা বিষয় অনুসন্ধান করতে হয়। আর যদি যিনি তদবীর করাতে এসেছে তার দ্বারা এই সকল কিছু অনুসন্ধান করা সম্ভব না হয় তবে অবশ্যই তান্ত্রিক মহোদয়কে দিয়ে এই বিষয়গুলো পরিষ্কার করে বের করতে হবে। তবেই একজন নারী/স্ত্রী বা পূরুষকে সহযেই বশিকরণ করা সম্ভব। নতুবা আপনার সময়, শ্রম, অর্থ সবকিছুই জলে ডুববে। আর একটি কথা আপনার তান্ত্রিক যদি আপনাকে এটি বলে যে তার কাছে জীন বা পরী আছে তার মাধ্যমে সে সবকিছুই যেনে যাবে সমস্যা নেই ২৪ ঘন্টা বা ৭ দিনে আপনার আকাঙ্খীত ব্যক্তিকে সে আপনার কাছে এনে দিবে। তবে আমাদের পরামর্শ থাকবে সেই সকল তান্ত্রিক হতে শতহাত দুরে থাকুন। কারন এই শ্রেনীর ভন্ডরাই আমাদের মাঝে তান্ত্রিক সম্প্রদায়ের কলঙ্ক লেপে দিচ্ছে। একটু ভাবুন তো—— ছোট বেলায় আলিফ লায়লা দেখেছেন নিশ্চয় ??? আলাদিনের নিকট হাজার টা নয়, একটি মাত্র জীন ছিলো তাতেই সে একটি রাজ্যের মালিক ও রাজ কন্যাকে বিয়ে করে সুখি হয়। তাহলে এই জীন পালক তান্ত্রিক কেনো আপনার কাজ করে পয়সা নিচ্ছে। সেতো কোটি কোটি টাকা জীনের মাধ্যমেই আনতে পারতো বা কোথায় মাটির নিচে কোষ্টি পাথর রয়েছে তা খুজে বের করতে পারতো। নিজে ভাবুন অন্যকেও ভাবতে উৎসাহিত করুন। মনে রাখবেন তান্ত্রিকতা একটি আধ্যাত্মিক চিকিৎসা পদ্ধতী মাত্র, এরদ্বারা অনেক অসাধ্য সাধন সম্ভব তবে এমন কিছু ভাববেন না যা ভন্ডরা আপনাকে ডুবিয়ে ভাবায়।।

 

বুধবার, ৭ এপ্রিল, ২০২১

নারী বশীকরন মন্ত্র


 ভালোবাসার মানুষ বাধ্য করণ মন্ত্র। যদি আপনি কাউকে ভালোবাসেন কিন্তু অপর জন আপনাকে পছন্দ না করে তাহলে বিদ্যাটি কাঙ্খিত ব্যক্তির উপর প্রয়োগ করতে পারেন। মাত্র তিন দিনের জন্য উক্ত ব্যক্তি আপনার জন্য দেওয়ানা হয়ে যাবে। এক কথায় আপনাকে ছাড়া অন্য কিছুই বুঝবেনা। আপনাকে কাছে না পাওয়া পর্যন্ত উতলা হয়ে থাকবে। 


মন্ত্রঃ অঞ্জম ধরা নিবাক ষল


অমুকের পঞ্চ নিবাক শ্রীসর


কাউর কামখ্যার ত্রিপদের জল


অমুকের আত্মার আত্মা ধর


ডানে ধর বামে ধর ত্রিনয়ন ধর


পর্বে ধর পশ্চিমে ধর স্বচক্ষে ধর


এস্কের টানে আমার পদতলে পর


জলেশ্বরীর তন্ত্রের বলে


অমুকের মস্তকে যাক বানি


কাউর কামাখ্যার ত্রিপদ দিয়ে


অমুকের রাহু আত্মা টানি


ছাড় ঘর ছাড় আত্মীয় স্বজন


আমার কাছে ছুটে আয়


না আসলে চান্ডালের দোহায়


চান্ডালিনী কামাখ্যার মাথা খায়। 


নিয়মঃ মন্ত্রটি ৩০১ বার পাঠ করে মুখস্থ করে নিবেন। তদরপর কাঙ্খিত ব্যক্তির সামনে গিয়ে মন্ত্রটি মনে মনে ২১ বার পাঠ করবেন। মোট ৩ দিন।আপনাদের যে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য           মায়াজাল মন্ত্রগুরু আছে আপনার পাসে অনেক তান্ত্রিক কবিরাজ এর কাছে ঘুরে ‌অনেক‌ টাকা 💸

নষ্ট করেছেন কোন‌ ভালো ফলাফল পাননি 

আজি আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন তান্ত্রিক জগতে ১০০%লিখিত গ্যারান্টিতে তদবির করতে পারেন তন্ত্র মন্ত্র কালো যাদু তাবিজ টোটকাওজ্বিন

চালানের মাধ্যমে তদবির করা হয় যে কোন কঠিন কাজ ৩/৫ দিনের মধ্যেই সমাধান ইনশাআল্লাহ। আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে তদবির করতে পারেন জ্বীন চালানোর মাধ্যমে তদবির করা হয় 

তান্ত্রিক গুরু আজিজ রহমান জ্বিন সাধক

ঠিকানা খুলনা কালিস পুর বাজার সুপার মার্কেট

ফোন imo-whatsapp . 01757786808

01978142102/ www.mayajalbd.com।

মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল, ২০২১

আজও এই রহস্যময় গ্রামে প্রচলিত রয়েছে কালো যাদু

 

 


বলা হয় যে কালো জাদুতে পুতুলের ওপর সূচ ফুটিয়ে যে কোনও মানুষকে কষ্ট দেওয়া যায়। তাকে ইচ্ছামতো যে কোনও কাজ করানো যায়। কালো জাদুর সাহয্যে শয়তানী শক্তিও লাভ করা যায়। সেজন্য এখনোও কালো জাদুর নাম এলেই প্রথমেই সামনে আসে লেবু, মরিচ, সূঁচ, এবং পুতুলের ছবি।

ভারতে বহু বছর ধরে কালো জাদুর প্রচলন চলে আসছে। এখানে এমন একটি গ্রাম রয়েছে যাকে কালো জাদুর ভিত বলা হয়। এখনো এই গ্রামের প্রত্যেকটি বাড়িতে কালু জাদু করা হয়। মনে করা হয় বিশ্বে কালো জাদুর আরম্ভ এখান থেকে হয়েছিল। স্হানটি হলো আসামের মায়োঙ্গে। বর্তমানে এটি জনপ্রিয় পর্যটন স্হান।


স্থানীয়দের মতে সংস্কৃত শব্দ মায়া থেকে এই নামটি এসেছে। যার অর্থ বিভ্রম। স্হানটির নাম নিয়ে বহু কাহিনী প্রচলিত আছে। বহু লোক দাবি করেন স্হানটি মা-এর-অঙ্গ দেবীর অংশ। যার থেকে এই নামটি এসেছে।


এই স্থানের ইতিহাস সম্পর্কে বেশি কেউ জানেন না। কিন্তু এই স্হানের গল্প বহু বছর ধরে স্থানীয় লোকাচারবিদ্যার অংশ। আসল ব্যাপারটি হলো কেউ জানে না কিভাবে এখানে এই জাদু এসেছে। বা কিভাবে এটা এতো জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আমাদের পৌরাণিক কাহিনীর মত, শিল্প ও কালো জাদু নৈপুণ্য বহু প্রজন্ম ধরে এখানে চলে আসছে।


গ্রামটি গুয়াহাটি থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে পবিত্র অভয়ারণ্যের কাছাকাছি অবস্হিত রয়েছে। স্হানটি মায়োঙ্গ কেন্দ্রীয় জাদুঘর নামে পরিচিত। যেখানে অনেক পুরানো কালো জাদু এর সাথে সম্পর্কিত ধ্বংসাবশেষ রাখা রয়েছে। এখান থেকে অনেক পুরানো ধর্মগ্রন্থ পাওয়া গেছে। যেখানে স্হানটির কালো জাদু সম্পর্কে উল্লেখ রয়েছে।এই এলাকায় কালো জাদু চিকিত্সার দ্বারা জনগণের সেবা করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এখানের লোকেদের কালো জাদু সম্পর্কে শুধুমাত্র জ্ঞান রয়েছে। তাই নয় তার সাথে আয়ুর্বেদ সম্পর্কে তাদের জ্ঞান রয়েছে। হস্তরেখাবিদ্যা থেকে ব্যথা আরোগ্যকরণ সবকিছু তারা করতে সক্ষম। কয়েক মিনিটের মধ্যে আপনার পিঠের ব্যাথা কমিয়ে দেবে, তামার প্লেট পেছনে রেখে কয়েকটা মন্ত্র পাঠ করেই।


কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো যে যতটা মনোযোগ এই গ্রামের পাওয়া উচিত, সেটা তারা পাচ্ছে না। তহবিল ও সুযোগের অভাবে এই শিল্প ধীরে ধীরে তার জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে।


আপনাদের যে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য মায়াজাল মন্ত্রগুরু আছে আপনার পাসে অনেক তান্ত্রিক কবিরাজ এর কাছে ঘুরে ‌অনেক‌ টাকা 💸


নষ্ট করেছেন কোন‌ ভালো ফলাফল পাননি 


আজি আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন তান্ত্রিক জগতে ১০০%লিখিত গ্যারান্টিতে তদবির করতে পারেন তন্ত্র মন্ত্র কালো যাদু তাবিজ টোটকাওজ্বিন


চালানের মাধ্যমে তদবির করা হয় যে কোন কঠিন কাজ ৩/৫ দিনের মধ্যেই সমাধান ইনশাআল্লাহ। আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে তদবির করতে পারেন জ্বীন চালানোর মাধ্যমে তদবির করা হয় 


তান্ত্রিক গুরু আজিজ রহমান জ্বিন সাধক


ঠিকানা খুলনা কালিস পুর বাজার সুপার মার্কেট


ফোন imo-whatsapp . 01757786808


01978142102/ www.mayajalbd.com





সোমবার, ৫ এপ্রিল, ২০২১

মায়াজাল মন্ত্রগুরু


 আপনাদের যে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য           মায়াজাল মন্ত্রগুরু আছে আপনার পাসে অনেক তান্ত্রিক কবিরাজ এর কাছে ঘুরে ‌অনেক‌ টাকা 💸

নষ্ট করেছেন কোন‌ ভালো ফলাফল পাননি 

আজি আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন তান্ত্রিক জগতে ১০০%লিখিত গ্যারান্টিতে তদবির করতে পারেন তন্ত্র মন্ত্র কালো যাদু তাবিজ টোটকাওজ্বিন

চালানের মাধ্যমে তদবির করা হয় যে কোন কঠিন কাজ ৩/৫ দিনের মধ্যেই সমাধান ইনশাআল্লাহ। আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে তদবির করতে পারেন জ্বীন চালানোর মাধ্যমে তদবির করা হয় 

তান্ত্রিক গুরু আজিজ রহমান জ্বিন সাধক

☆বশীকরন বিদ্যা☆☆

☞ প্রেমিক/প্রমিকা বশীকরন 24 ঘন্টায় ৷

☞ স্বামী/স্ত্রী বশীকরন করতে চান?

☞ পরকীয়া ঠেকাতে চান?

☞ হারানো ব্যাক্তিকে ফিরে পেতে চান?

☞ কাঙ্খিত ব্যাক্তির সাথে আপোষ করতে চান?

☞ শত্রুকে বিনাশ করতে চান!

☞ সন্তান হচ্ছেনা?

☞ বিবাহ হচ্ছেনা?

☞ কাউকে মতিভ্রম পাগল বানাতে চান?

☞ বিবাহ বিচ্ছেদ করতে চান

** অবৌধ সম্পর্ক বিচ্ছেদ করতে চান / /*প্রেম ভালোবাসা ব্যর্থ

/★/ স্বামী,স্তীর অমিল সংসারে অশান্তি ★

/★/ মনের মানুষকে প্রমে বা বিবাহে রাজি করা 

/★/ স্বামী, স্তীর অবধ্য সম্পক নষ্ট করা ★

/★/ দুই ব্যক্তির মধে বিচ্ছেদ করা ★

/★/ যে মহিলাদের ছেলে সন্তান হয় না তদবির দেয়া

/★/ ছেলে মেয়ের লেখা পরায় মন বসে না ★

/★/ পরীখায় ও মামলায় জয় লাভ ★

/★/ যাদু টোনা জ্বিন পরীর আচর থেকে চির মুক্তি

/★/ যে কোন জটিল ও কঠিন রোগ থেকে মুক্তি★

/★/ শত্রুর হাত থেকে মুক্তি

/★/ শত্রুকে বান মারণ ও খতি করা ★

/★/ নিখুজ বা পালাতক ব্যক্তি কে হাজির

/★/ চোর ধরাও চোরকে চিনার তদবির ★

/★/ চোরা ই মামা মাল ফিরে পাবার তদবির ★

/★/ জুয়া বা লটারী জয় লাভ করার তদবির ★

/ ★মামলায় জয় লাভ করা

/★ চাকরী হয়না চাকরী লাভের তদবির

/★/ শুভ কাজে বাধা বিবাহে বাধ্যা

/★ শনীর ধশা থেকে মুক্তি

/★ দেকানে বেচা কিনা হয় না

/★ প্রেমিক প্রিকার বিবাহ বন্ধ করার তদবির

/★ অবৌধ সম্পর্ক বিচ্ছেদ করা।

আরো যে কোন সমসা সমাধান পেতে

সরাসরি কল করুন ☎ +88 01757786808/

সম্মানিত ভিজিটর আপনি কি দৈনন্দিন জীবনে হতাশা গ্রস্থ কিংবা চিন্তা টেনশনে মানসিক রোগা হয়ে গেছেন?

তাহলে আর দেরী না করে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ৷

বর্তমান সময়ের সব থেকে সুপার পাওয়ার ব্ল্যাক ম্যাজিক এবং জ্বিন শক্তি পরী শক্তি অলৌকিক রুহানি শক্তি আধ্যাতিক কুন্ডলি শক্তির মাধ্যমে বান বশীকরন শতভাগ গ্যারান্টি নিশ্চয়তা সহকারে আপনাকে উপযুক্ত মর্যাদা উপযুক্ত ফলাফল প্রদান করা হবে ৷

নিবেদক, গুরুজি আজিজ রহমান (কামরুপি অলৌকিক পান্ডে লীলা সাধক কামরুপ কামাক্ষা)

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ বাংলাদেশের যে কোন প্রান্তে চিকিৎসা প্রদান করা হয় এবং আপনারা যে কোন দেশ বিদেশ থেকে অনলাইনে তদবীর করতে পারেন জ্বীন চালানের মাধমে তদবীর করা হয় 

যে‌ কোন কঠিন কাজ ৩/৫ দিনের মধ্যে সমাধান করা হয় ইনশাআল্লাহ আজি যোগাযোগ করুন

সরা সরি চেম্বার .খুলনা . খালিস পুর বাজার .ফোন ..01757786808।

শনিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২১

হারানো মনের মানুষকে ফিরে পেতে চান


 পাওয়ারফুল বশিকরন (চাকমা) মন্ত্র

বিসমিল্লিহর রহমানির রহিম কাল যম কৌড়ি পন্তা, শিফা যম শিবের মাথা- চৌন্য যম কামেশ্বরী; নাগমাতা মৌন্য নারী.! আয় অমুক মোর কাছে, কথা কমু নিদ্রাযছে- মোর কাছে দে ধরা; সমুদ্রুতে লাগুক ক্ষরা.! ছাড় ছাড় ছাড়, অমুক অমুকের মাও মাসি ছাড়- ছাড় ছাড় ছাড়; অমুকের চৌদ্দ গুষ্ঠি ছাড়.! মোরে ছাড়ি যদি, অন্য দিকে চাস- দোহায় ধর্মের লাগে; কার্তিক গণেশের মাথা খাস। 
নিয়মঃ 
মন্ত্রটি ৩১২ দফা পাঠ করে মুখস্ত করতে হবে। তারপর ২১ দফা পাঠ করে প্রয়োগ করতে হবে। 

নোটঃ ছোট-খটো বিষয়ে মন্ত্র প্রয়োগ নিষেধ।

.বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের টেলিফোন নাম্বারে ফোন দিতে পারেন। সবচেয়ে কম কলরেটে কথাবলুন দিন-রাত ২৪ঘন্টা।যোগাযোগ করবেন । তম্ত মন্ত কালো জাদুর তাবিজ টোটকার মাধমে 100%গ্যারান্টিতে তদবীর করা হয় ..যে কোন কঠিন কাজ 3/5 দিনে সমাধান করা হয়ে যেমন .বশীকরন বিদ্যা☆☆

☞ প্রেমিক/প্রমিকা বশীকরন 12 ঘন্টায় ৷
☞ স্বামী/স্ত্রী বশীকরন করতে চান?
☞ পরকীয়া ঠেকাতে চান?
☞ হারানো ব্যাক্তিকে ফিরে পেতে চান?
☞ কাঙ্খিত ব্যাক্তির সাথে আপোষ করতে চান?
☞ শত্রুকে বিনাশ করতে চান!
☞ সন্তান হচ্ছেনা?
☞ বিবাহ হচ্ছেনা?
☞ কাউকে মতিভ্রম পাগল বানাতে চান?
☞ বিবাহ বিচ্ছেদ করতে চান?
আপনার সমসা জতো কঠিনই হোক না কেনো 
আপনার সমসা আমাদের জানান 
সরাসরি কল করুন ☎ +88 01978142102

বৃহস্পতিবার, ১৮ মার্চ, ২০২১

কোন রাশির মেয়েরা কেমন হয়

  

কোন রাশির মেয়েরা কেমন


  প্রকাশিত: জানুয়ারি ১, ২০১৬, ০৯:০০ এএম
কোন রাশির মেয়েরা কেমন
মেষ (২১ মার্চ - ২০ এপ্রিল)

জীবনের সব ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে পছন্দ করে মেষ রাশির নারী। সহজাত নেতৃত্ব দেবার ক্ষমতা থাকে তাদের। সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠার প্রবণতা দেখা যায় তাদের মাঝে। প্রতিটা দিন কর্মচঞ্চল করে রাখার ব্যাপারে তাদের জুড়ি নেই। কখনও কখনও নিজের ক্ষমতার বেশি কাজের ভার নিয়ে ফেলে তারা।

অনেক সময়ে একটা কাজ শেষ না করেই আরেকটা শুরু করে দেয়। জীবনের ব্যাপারে আশাবাদী হয়ে থাকেন মেষ রাশির জাতিকা। একটা ভালো কাজ করার সুযোগ পেলে তারা সেটা করে ফেলবে, এতে তার নিজের কতখানি লাভ হলো সেটা নিয়ে চিন্তা করবে না। নিজের মতামত জানানোর ব্যাপারে একেবারেই ঠোঁটকাটা তারা। কখনও কখনও মেষ নারী এতই সফল হয়ে থাকে যে অন্যরাও তার মতো হতে চায় (যদিও পেরে ওঠে না)।

প্রেমের ক্ষেত্রে মেষ নারী কেমন হয়? মেষ রাশির প্রতীক চালিত হয় আগুনের উপাদানে। এ থেকেই বোঝা যায়, মেষ নারীর প্রেমও হয় তেমনই উষ্ণ। প্রেমের ক্ষেত্রে মেষ নারী নিজেই উদ্যগ নিয়ে থাকতে পারে কিন্তু তার সঙ্গীকেও হতে হয় শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের অধিকারী। সঙ্গী পুরুষের ব্যক্তিত্ব দুর্বল হলে খুব দ্রুত আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন মেষ নারী। মেষ নারীর সাথে তর্ক হলে তেমন বিচলিত হবেন না। এই তর্কের মাধ্যমেও সম্পর্ক পোক্ত হয়ে উঠতে পারে।

 

বৃষ (২১ এপ্রিল - ২১ মে)

প্রথম দেখায় বৃষ নারীকে মনে হবে খুব শান্তশিষ্ট, মিষ্টি প্রকৃতির। সাধারণত তিনি আপনার সাথে এমন মিষ্টি আচরণই করবেন, কিন্তু রেগে গেলে তবেই তার আসল রূপ দেখতে পাবেন। বৃষ নারীর চরিত্রের "সুগার কোটিং"-এর নিচে রয়েছে আগুনে মেজাজ। এর আওতায় না পড়ার চেষ্টা করুন। তবে ভালোবাসার ছোট্ট ছোট্ট উপহার পেতে পছন্দ করেন বৃষ নারী। তাকে উৎসর্গ করতে পারেন নিজের তৈরি একটি কবিতা অথবা অন্যরকম কিছু ফুল, সাথে অবশ্যই আন্তরিক অনুভুতি। রাগ গলে পানি হয়ে যাবে।

বৃষ নারীর অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হলো, তারা হয়ে থাকে খুবই একগুঁয়ে। কোনো কিছু পাওয়ার জন্য কোমর বেঁধে লাগেন তারা। মানসিক শক্তির দিক দিয়েও তারা যথেষ্টই কঠোর। তবে যতই কঠোর হোক না কেন, তারা যথেষ্ট মমতাময়ী হয়ে থাকেন।

বৃষ নারী হয়ে থাকেন বিচক্ষণ এবং ধৈর্যশীল। এ কারণে তার সফলতা আসে প্রচুর। বৃষের উপাদান হলো মৃত্তিকা, আর তাই তার মাঝে মাতৃসুলভ বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। প্রকৃতির সাথে মিলেমিশে শান্তিতে থাকতেই পছন্দ করেন বৃষ নারী। জীবনে নিরাপত্তার অনুভুতি পেতেও তিনি পছন্দ করেন। সাধারণত বৃষ নারী একই ভুল বার বার করেন না।

ভালোবাসার ক্ষেত্রে ধীরস্থির এবং মিষ্টি ভাব নিয়ে অগ্রসর হোন বৃষ নারীর দিকে। একটু সময় নিয়ে সম্পর্ক গড়ে তুলতে তারা পছন্দ করেন। প্রেমের ক্ষেত্রে তাকে তাড়া না দেওয়াই ভালো। কিছু সীমানা মেনে চলেন তারা। এবং সঙ্গীরও উচিত এই সীমানাকে শ্রদ্ধা করে চলা।

মিথুন (২২ মে – ২১ জুন)

একজন মিথুন নারীকে বুঝে ওঠা বেশ কঠিন। আকাশের মেঘ ধরে রাখা যেমন কঠিন, মিথুনের মন বোঝাও তেমনি কঠিন। কারণ একজন নয়, তার মাঝে দেখতে পাবেন বহু নারীর ছায়া। কেউ কেউ মিথুন নারীর চরিত্রে বিরক্ত হতে পারেন, কিন্তু তারা নিজেদের ব্যক্তিত্বে স্বতন্ত্র। ক্ষণে ক্ষণে তার মাঝে পরিবর্তন আসতে পারে। পৃথিবীর সব কিছু নিয়ে তার মাঝে কৌতূহলের শেষ নেই। অনেক ক্ষেত্রেই সৃজনশীলতা দেখা যায় তার মাঝে। আশাবাদী মনোভাব থাকার কারণে যে কোনো পরিস্থিতিতে তিনি মানিয়ে নিতে পারেন।

মিথুন রাশির প্রতীকে রয়েছে একটি নয়, বরং দুইটি সত্ত্বা। মিথুন রাশির জাতিকার ব্যক্তিত্বে একটি নয়, বরং দুই বা তারও বেশি স্বাতন্ত্র্য দেখা যায়। এর ফলে তার ব্যক্তিত্ব অস্থিতিশীল মনে হতে পারে।

প্রেমের ক্ষেত্রে একটু খুঁতখুঁতে হতে পারেন মিথুন নারী। তবে তিনি নিজের পছন্দের সেই ভাগ্যবান ব্যক্তিকে খুঁজে পেলে তখন আর কোনও রকমের সংকোচ করেন না নিজের অনুভূতি প্রকাশে। আর এই সম্পর্ক সাধারণত হয়ে থাকে দীর্ঘস্থায়ী।

কর্কট (২২ জুন – ২২ জুলাই)

কর্কট নারীর চরিত্রে চাঁদের প্রভাব প্রবল। চাঁদের কলা বাড়া-কমার মতই ওঠানামা করে কর্কট নারীর মেজাজ। সাধারণত তিনি যথেষ্ট সহজ সরল এবং শান্তিপ্রিয়। তবে তার অনুভুতি হতে পারে অনেক অনেক জটিল। সবগুলো রাশির মাঝে কর্কট নারীর বৈশিষ্ট্য নির্ণয় করা সবচাইতে কঠিন। এরা হয়ে থাকে খুব খুব স্পর্শকাতর। বিশেষ করে কর্কট নারীকে সমালোচনা করার ব্যাপারে খুব সাবধান থাকুন। এই সমালোচনা তারা সারা জীবন মনে রাখবে। বুদ্ধির পাশাপাশি কর্কট নারীর অনুমানশক্তিও হয় খুব প্রখর। কোনও ব্যক্তির ব্যাপারে খুব কম জেনেও সে আসলে ভালো না খারাপ তা ধারনা করে নিতে পারে কর্কট নারী এবং এই ধারনা সাধারণত ঠিক হয়ে থাকে। অন্যদের ব্যাপারে সহানুভূতি দেখাতেও কর্কট নারী সিদ্ধহস্ত। প্রেমের ব্যাপারে কর্কট নারীকে একটু সময় দিতে হবে। হুট করে তারা প্রেমে জড়িয়ে পড়তে নারাজ। সঙ্গীকে তারা বিশ্বাস করতেও সময় নেন। এছাড়া খুব সহজেই কষ্ট পান তারা। এসব কারণে সম্পর্কের প্রাথমিক পর্যায় একটু ঝড়ো হলেও পরবর্তী পর্যায়ে সম্পর্ক অনেক মিষ্টি হয়ে ওঠে।

সিংহ (২৩ জুলাই - ২৩ আগস্ট)

এই রাশির নারীর মাঝে সিংহের বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়। তারা আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকেন সাধারণত। তাকে না ঘাঁটানোই ভালো। নাখোশ হয়ে গেলে উপহার এবং মিষ্টি মিষ্টি কথা দিয়ে তাকে ঠাণ্ডা করে নিতে হবে আগে। তারা যেমন বুদ্ধিমতী হয়ে থাকেন, তেমনি শক্তিশালী চরিত্র এবং সৃজনশীলতা দেখা যায় তাদের মাঝে।

প্রেমের ক্ষেত্রে এই রাশির নারী কোনও রকমের ছাড় দিতে রাজী হন না। তাকে খুশি করতে পারলে আপনার সম্পর্ক হয়ে উঠতে পারে প্রেমের গল্পের মতই রোমান্টিক এবং একই সাথে ড্রামাটিক। সঙ্গীর জীবনে তিনি হয়ে থাকতে চান সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং একই সাথে সঙ্গীকে তার প্রাপ্য গুরুত্ব দিতেও তিনি পিছ পা হন না।

কন্যা (২৪ আগস্ট – ২৩ সেপ্টেম্বর)

কন্যা রাশির নারী হবে একেবারেই নারীসুলভ এবং চুপচাপ, অবলা প্রকৃতির? এটা ভাবলে বিশাল ভুল করবেন। অন্যান্য রাশির চাইতে একটু চুপচাপ হলেও তারা একেবারে শান্তশিষ্ট নয়। কেউ কেউ খুব গোছালো। কেউ কেউ আবার ভয়াবহ রকমের অগোছালো। কন্যা রাশির নারীর মাঝে নিজেকে “নিখুঁত” করে গড়ে তোলার প্রবণতা দেখা যায়। নিজেকে আরও উন্নত করে তুলতে গিয়ে তারা জীবনকে জটিল করে ফেলেন অনেক সময়ে।
কন্যা রাশির প্রতীক হলো কুমারী এবং এই কারণে তার মাঝে দেখা যায় একটু লাজুক বৈশিষ্ট্য। সময়ের কাজ সময়ে করতে ভালোবাসেন তিনি। ভালোবাসেন প্রকৃতির কাছাকাছি থাকতে।

প্রেমের ক্ষেত্রে কন্যার মাঝে দেখা যায় প্রচ্ছন্ন সংকল্প এবং শক্তি। সত্যিকারের ভালবাসায় বিশ্বাসী তিনি। ভালোবাসার নামে ভুলেও তার হৃদয় নিয়ে খেলা করতে যাবেন না। তিনি প্রেমে পড়েনও না খুব সহজে। কিন্তু একবার প্রেমে পড়লে তিনি সেই সম্পর্ককে করে তোলেন দীর্ঘস্থায়ী।

তুলা (২৪ সেপ্টেম্বর – ২৩ অক্টোবর)

তুলারাশির নারী সৌন্দর্য, ন্যায় এবং ভারসাম্যের প্রতীক। দাঁড়িপাল্লার মতই তার চরিত্রেও দেখা যায় সমতা। এরা অন্যদের সাথে ভালো মিশতে পারে। শুধু তাই নয়, তুলা নারীর প্রতি অন্যদের আকর্ষণ থাকে প্রবল। এ কারণে অন্যদের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকতে কোনও সমস্যাই হয় না তার।

প্রকৃতির দুই বিপরীত শক্তি (ইন ও ইয়াং) এর মিশ্রন দেখা যায় তুলা রাশির নারীর মাঝে। এ কারণে তার মাঝে দেখা যায় একই সাথে যৌক্তিক বিবেচনা এবং অযৌক্তিক আবেগ। যুক্তি দিয়ে যে কোনও কিছু তাকে বোঝাতে পারবেন আপনি। একই সাথে আপনার আবেগের মুল্য দিতেও তিনি সিদ্ধহস্ত।

বৃশ্চিক (২৪ অক্টোবর – ২২ নভেম্বর)

১২ টি রাশির মাঝে সবচাইতে “সেক্সি” হলেন বৃশ্চিক নারী। একই সাথে তিনি রহস্যময়ী। চুম্বকের মতো আকর্ষণে আপনাকে জড়িয়ে ফেলতে পারেন তিনি। তখন তাকে মনে হবে এক গভীর সাগর, যে মুহূর্তেই প্রশান্ত আবার মুহূর্তেই উত্তাল। প্রকৃতির সাথে একই সুরে বাধা তার মেজাজ। কখনও হালকাভাবে নেবেন না বৃশ্চিক নারীকে। একদম সোজাসাপটা আচরণ পছন্দ করেন তিনি। আত্মবিশ্বাসী, শক্তিশালী বৃশ্চিক নারী।

পরিস্থিতি নিজের নিয়ন্ত্রনে রাখতে পছন্দ করেন তারা। কখনও কখনও নিজের ক্ষতি করে বসেন। কিন্তু সবকিছু মিলিয়ে চাপা একটি সৌন্দর্য রয়েছে তাদের ব্যক্তিত্বে। তাদের মনের ভেতরটা অনেক জটিল। এই জটিলতার রহস্য সবাইকে জানাতেও ইচ্ছুক না তারা। তাই কোনও বৃশ্চিক নারীর মন বুঝতে পারলে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করাই শ্রেয়।

ধনু (২৩ নভেম্বর – ২১ ডিসেম্বর)

ধনু রাশির নারীর মাঝে প্রচ্ছন্ন দার্শনিক বৈশিষ্ট্য দেখতে পাওয়া যায়। সব পরিস্থিতিতেই সত্যের খোঁজ করেন তিনি। অনেক বৈচিত্র্য দেখা যায় তার চরিত্রে এবং সব অভিজ্ঞতাকেই তিনি মুল্যবান বলে মনে করেন। নিজের জীবনের সার্থকতা খুঁজে বেড়ান তিনি। খুব স্বতঃস্ফূর্ত এবং স্বাধীনচেতা এই নারীর গভীর ব্যক্তিত্ব অনেকের কাছেই আকর্ষণীয়। কোনও বাঁধাধরা নিয়মের বেড়াজালে আটকাতে যাবেন না বৃশ্চিক নারীকে, সহসাই সেই জাল ছিঁড়ে চলে যাবেন তিনি।

মকর (২২ ডিসেম্বর – ২০ জানুয়ারি)

উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং নেতৃত্ব দেবার মনোভাব মকর নারীকে নিয়ে যায় সাফল্যের চূড়ায়। এই সাফল্য অর্জন করার পথে কোনও বাধাই সহ্য করেন না তিনি। সুতরাং তার ইচ্ছেপূরণের বিরোধীতা করবেন না কখনোই। আপনাকেও ধুলোয় ফেলে যেতে তিনি দ্বিধা করবেন না। মকর নারী হয়ে থাকেন একগুঁয়ে। খুব সহজে নিজের মেজাজ খারাপ করেন না তিনি। মাথা ঠাণ্ডা রেখেই নিজের প্রতিযোগীকে পিষে ফেলেন পায়ের নিচে।

 

কুম্ভ (২১ জানুয়ারি – ১৮ ফেব্রুয়ারি)

হাতের মুঠোয় বাতাস ধরে রাখতে পারবেন আপনি? পারবেন না। কুম্ভ নারীকে কোনও রকম শৃঙ্খলে আটকে রাখাটাও একই রকমের অসম্ভব। তার চরিত্র বোঝার চেষ্টা করাতাও একই রকমের অসম্ভব। কারন আপনার সব ধারনাকে ভুল প্রমাণিত করে তিনি পরিবর্তিত হয়ে যাবেন মুহূর্তের মাঝে। এই বাতাসের মতই তিনি পরিবর্তনশীল, কখনও মৃদুমন্দ আবার কখনও ঝড়ো বিধ্বংসী। কিন্তু এই ঝড়ের কেন্দ্রে রয়েছেন চমৎকার একজন নারী। জীবনের প্রতি ইতিবাচক তাদের মনোভাব। অনেক ক্ষেত্রেই সমাজসেবী হয়ে থাকেন তারা। নিজেরদের বুদ্ধি এবং সৃজনশীলতা দিয়ে চমৎকার সব আইডিয়া তৈরি করে ফেলতে পারেন তারা।

কুম্ভ নারী অন্যের অযাচিত উপদেশ শুনতে মোটেই পছন্দ করেন না। কিন্তু আপনার যে কোনও প্রয়োজনে তাদের সাহায্য পাবেন আপনি। তারা নিজেরা বেশ কার্যকরী উপদেশ দিতে পারেন। ভ্রমন করতে পছন্দ করেন তারা। ভালোবাসেন নতুন, কিন্তু একই সাথে পুরনোর প্রতি তাদের অদ্ভুত এক মায়া দেখা যায়।

 

মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি – ২০ মার্চ)

মীন রাশির নারীর ভেতরে লুকিয়ে আছে অনেক অনেক রহস্য। প্রাণবন্ত এবং রোমান্টিক তিনি। বাইরে থেকে দেখে যেমনটা মনে হয়, তার থেকে একেবারেই অন্যরকম ব্যক্তিত্ব লুকিয়ে রাখেন তারা। হয়ে থাকেন স্পর্শকাতর, আবেগী, কিন্তু সেটা সহজে বুঝতে দেন না কাউকে। সত্যিকারের স্বপ্নচারী হয়ে থাকেন মীন নারী। গভীর আধ্যাত্মিক মানসিকতা রয়েছে তার মাঝে। খুব সাধারণ কোনও কিছুর মাঝেও অন্তর্নিহিত অর্থ খুঁজে বের করেন তিনি, যেটা অন্য কারও চোখে পড়বেই না।

তারা হয়ে থাকেন বেশ সৃজনশীল। পরিচিত-অপরিচিত সবার প্রতিই দয়ালু হয়ে থাকেন তারা। তার চরিত্রের অন্যতম একটা বৈশিষ্ট্য হলো, বাস্তবতা যখন কঠিন হয়ে যায়, তখন মীন নারী নিজের কল্পনার জগতে হারিয়ে যেতে পারেন সহজেই। এর মাধ্যমে নিজের দুঃখকে সবার থেকে আড়াল করে রাখতে পারেন মীন নারী

মোহা বশীকরন মন্ত্র পড়ে সবাইকে আপনার বশে আনুন

 


 মহা বশিকরণ। পৃথিবীর যে কোনো ব্যক্তিকে নিজের ভালোবাসায় আবদ্ধ করতে বিদ্যাটি অত্যান্তই ফলপ্রদ। সঠিক ভাবে প্রয়োগ করলে ফল সু-নিশ্চিত ১০০% গ্যারান্টি।

মন্ত্রঃ বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
পবনের পঞ্চ বায়ু মৌঙ্কার
ছত্রিশ শেকড় আট মোকাম
অমুকের বেটা/বেটির ধরে শ্রীধাম
আমার কাছে টেনে আন
বত্রিশ নাড়ি সাতশ শ্লোকে
অমুক আমায় ছেড়ে না যায় সরে
আমায় না দেখলে অমুকের
হৃদায়াত্নার আত্না ধরফর করে
পবনের পঞ্চ বায়ু মায়া ধরুক
অমুকে হৃদায়াত্না জ্বলে পুরে মরুক
আমায় না দেখিলে অমুকের
মনোসিরের জল গড়ে পড়ুক
ছাড় ছাড় ছাড়
অমুক তোর পিতা মাতা ছাড়া
ছাড়া ছাড়া ছাড়
অমুক তোর ঘর ভিটা ছাড়
শ্রীদাম আজ্ঞা গুরুর পা
কালিকা চন্ডী সিদ্দিকী করে যা
না হলে দোহায় লাগে
ভোলা মহেশ্বরের মস্তক খা।

নিয়মঃ মন্ত্রটি ভালো করে মুখস্ত করে নিবেন। তারপর যাকে বশিভুত করবেন তার সামনে গিয়ে মন্ত্রটি ২১ বার পাঠ করতে হবে। মোট ৩ দিন। অবশ্যই মন্ত্রটি সিদ্ধ করে নিতে হবে।

আপনাদের যে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য মায়াজাল মন্ত্রগুরু আছে আপনার পাসে অনেক তান্ত্রিক কবিরাজ এর কাছে ঘুরে ‌অনেক‌ টাকা 💸

নষ্ট করেছেন কোন‌ ভালো ফলাফল পাননি 

আজি আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন তান্ত্রিক জগতে ১০০%লিখিত গ্যারান্টিতে তদবির করতে পারেন তন্ত্র মন্ত্র কালো যাদু তাবিজ টোটকাওজ্বিন

চালানের মাধ্যমে তদবির করা হয় যে কোন কঠিন কাজ ৩/৫ দিনের মধ্যেই সমাধান ইনশাআল্লাহ। আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে তদবির করতে পারেন জ্বীন চালানোর মাধ্যমে তদবির করা হয় 

তান্ত্রিক গুরু আজিজ রহমান জ্বিন সাধক

ঠিকানা খুলনা কালিস পুর বাজার সুপার মার্কেট

ফোন imo-whatsapp . 01757786808

01978142102/ www.mayajalbd.com/