বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২২

পরী‌ সাধনা করার‌ সহজ‌ উপায়


     ।পরী‌ সাধনা করার‌ সহজ‌ উপায়

তোরে আমি আগেও কয়ছি, এই লাইন থেইক্যা চইলা যা। আমি তরে কিছুই শিখামুনা। নিজের সর্বনাশ করিস না। 
- আমার সর্বনাশ আমি নিজেই বুঝমু। আপনে শুধু আমারে মন্ত্রটা দেন। নিয়ম কানুন সব আমি আগেই শিখছি! 
- তোরে শিখাইলে তুই সবাইরে কইয়া দিবি। সবার সর্বনাশ করবি রে তুই!
- গুরু, আপনারে কসম দিয়ে কইতাছি, আমি কাউরে কমু না। আপনের কথা না শুনলে তো আপনে আমারে সাথে সাথেই বান মাইরা দিতে পারবেন। আপনার কাছ থেইক্যা পালাইয়া এই দুনিয়ায় যামু কই আমি?

কথা অতিশয় সত্য। কাপালিক মোহনরাজ রক্তলাল চোখে হাশিমের দিকে তাকিয়ে হাশিমের মনের কথাগুলি পড়তে শুরু করল......

এক
নিশুতি রাত। চারদিকে নিঃস্তব্ধ অন্ধকারের হাতছানি। ঘুটঘুটে অন্ধকারে ভিতরেও হাশিম একমনে ঘন জঙ্গলের ভিতরে হেঁটে যাচ্ছে। অনেকদুর হাঁটার পর মাটির ঘরটা চোখে পড়ল হাশিমের। এই ঘরটা ওর বাসা থেকে অনেক দূরে। বহুদিন আগে এটা ব্যবহার করা হতো। প্রথম যেদিন খুঁজে পায় এই ঘরটা, সেদিন দরজা খুলে ভিতরে ঢুকে হাশিম সাথে সাথেই বুঝে যায়, ঠিক এই রকম একটা ঘরের কথাই বলেছে গুরু। অন্ধকারাচ্ছন্ন, সূর্যের আলো খুব একটা প্রবেশ করে না দিনের বেলা এখানে আর বহুদিন ধরে এই ঘরে কোন মেয়ে বা মহিলার আগমন ঘটেনি, যেটা ও মনপ্রান দিয়ে চেয়েছিল। যথেষ্ঠ সাফসুতর করে গতকালকে ঘরটা কাজে লাগানোর মতো তৈরি করলেও, আজকেই সাধনায় বসবে ও। চান্দ্রমাসের প্রথম রাত আজকে, তার উপর আবার বৃহঃস্পতিবার। ঠিক যেমন রাত ওর দরকার। সাথে আনা সব জিনিসপত্র মেঝেতে নামিয়ে রেখে হাত ঘড়ির দিকে তাকাল হাশিম। রাত প্রায় সাড়ে এগারোটা। 
হাতে সময় বেশি নেই দেখে তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করল হাশিম………..

রাত বারটা বাজার সাথে সাথেই ঘরের মাঝখানে নতুন সবুজ একটা ছোট কার্পেট বিছিয়ে দিল প্রথমে। সারাঘরে তীব্র গন্ধের একটা আতর ছিটিয়ে দিয়ে, সারা ঘরে লাল জংলি গোলাপের পাপড়ি ছিটিয়ে দিল। কাপড় পরিবর্তন করা শুরু করল হাশিম। রেশমি কাপড়ের প্রিন্স কোটটা আজকেই দর্জির কাছ থেকে নিয়ে এসেছে ও। রেশমি কাপড় দিয়ে বানানো নতুন কাপড়চোপড় পড়া শেষ হতেই, মাথায় একটা বড় টোপড় দেয়া নতুন পাগরী পড়ল ও। চারটা চার রঙ এর মোমবাতি মন্ত্রপড়া প্যাকেট থেকে বের করে সবুজ কার্পেটের চারপাশে মেঝেতে রেখে জ্বালিয়ে দিয়ে নিরাপত্তার বেষ্টনী দিল হাশিম। আতরটা সারা গায়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিয়ে নিয়ম মতো কার্পেটের উপর চন্দ্রাসন গেড়ে বসল হাশিম। সামনে কার্পেটের উপর ছোট একটা নতুন কাঠের পিড়ির উপর গুরুর দেয়া পিতলের থালাটা রাখল। ব্যাগ থেকে কস্তুরি, মেশক আর গোলাপ জল বের করে মন্ত্র পড়তে পড়তে পিতলের থালার উপর নিয়ম মতো নির্দিষ্ট একটা নকশা বারবার আঁকা শুরু করল হাশিম। 
টানা কয়দিন যে সাধনা চলবে হাশিম নিজেও জানে না.....

দুই
টানা তিন রাত্রী সাধনার পর ক্লান্ত হয়ে হাশিম প্রায় ঘুমিয়ে পড়েছে সেই সবুজ কার্পেটের উপর। হঠাৎ ঘরের ভিতর হালকা ধুম করে একটা শব্দ হতেই ঘুমটা ভেঙ্গে গেল ওর। মাত্র কিছুক্ষন আগেই ঘুম এসেছে, তাই হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ায় হাশিম বুঝতে পারছে না কিসের শব্দ হলো! হালকা নীলাভ একটা আলোয় ডুবে আছে যেন ঘরটা। কিছুক্ষণ পর হাশিমের মনে হলো কামিনী ফুলের তীব্র ঘ্রানে পুরো ঘরটা ভরে গেছে! অবাক হয়ে গেল ও, বেশ ভালো করে সারা ঘরেই তীব্র আতর দিয়েছিল ও। কোথায় গেলে সেই আতরের ঘ্রান? দুচোখে লেগে থাকা ঘুমের রেশ চট করে কেটে গেল। ঠিক সেই সময় ঘরের ভেতর শুনতে পেল কংকনের টুংটাং আওয়াজ। হালকা করে মাথা তুলে তাকাতেই দেখল আবছা একটা ছায়া যেন আড়াল করে আছে এক নারীকে। খুব উজ্জল গৌড় বর্ণের শরীর থেকে নীলাভ সাদা আভা বিচ্ছুরিত হচ্ছে, গাঢ় সাদা রংয়ের কাপড় পড়নে, ঘন লাল লম্বা চুলের গোছা সামনে ভারী উঁচু বুকের উপর বিছানো। দুহাতে মোটা মোটা স্বর্ণের বালা, গলায় স্বর্ণের একটা বড় হার ঝুলছে। ব্যাখ্যাহীন একটা ভঙ্গিতে দাড়িয়ে ওর দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি করে হাসছে। অসহ্য সুন্দর সেই শারীরিক গঠন! কোন নারী এতটাই রুপসী হতে পারে সেটা একে না দেখলে হাশিম জানতই না । এ যেন অপার্থিব জগতের কোন সেরা শিল্পী, নিজ হাতে আপন মনে তৈরি করেছে এই নারীকে অকল্পনীয় অসহ্য সৌন্দর্য দিয়ে। চন্দ্রাহতের মতো সেদিকে তাকিয়ে রইল হাশিম। ওর মাথা ঠিক কাজ করছে না, ভুলে গেল এর পরের কি কি কাজ করতে বলেছিল কাপালিক মোহনরাজ। চোখে চোখ রেখে এক পা দুই পা করে আস্তে আস্তে এগিয়ে আসছে সেই নারী ওর দিকে। অল্প একটু দূরে দাঁড়িয়ে কামনারত ভঙ্গিতে বুকের উপর রাখা কাপড় ফেলে দিল। অসম্ভব সুন্দর সেই পীনোন্নত বুকের দিকে তাকিয়ে হাশিম ভুলে গেল মোমবাতি দিয়ে নিরাপত্তায় ঘেরা কার্পেটের কথা। দুই হাত তুলে হাশিমকে কাছে ডাকা সেই কামনার আহবান ও কিছুতেই উপেক্ষা করতে পারল না। ছুটে যেয়ে পাগলের মতো জড়িয়ে ধরল হাশিম ওরই সাধনায় ডেকে আনা প্রেয়সীকে। ওর মাথায় কিভাবে যেন শুধুই একটা চিন্তা ঘুরছে, এর সাথে ওকে যেভাবেই হোক সংগম করতে হবে। একবার দুইটা শরীর মিলিত হতে পারলেই এই পরী সারা জীবন ওর বশীভূত হবে। প্রচন্ড শারীরিক কামনায় এর শরীর থেকে শাড়ি খুলে ফেলল হাশিম। এক পলকের মধ্যেই হাশিমের সব কাপড় ওর গা থেকে একে একে খুলে পড়ে গেল। এই অপরূপা নারীদেহের স্পর্শে হাশিমের সারা শরীরে অকল্পনীয় যৌন উত্তেজনা এসে ভর করল। 
পাগলের মতো আদর করতে করতে ওর প্রেয়সীকে নিয়ে হাশিম মেঝেতে শুয়ে পড়ল......

তিন
হাশিমের ঘুম ভাঙ্গল পরের দিন প্রায় দুপুর বেলা। চোখ খুলতেই দেখতে পেল সারা ঘর ভয়ংকর তান্ডবে কে যেন প্রায় সব কিছুই তছনছ করে ফেলেছে! উঠে বসার চেস্টা করতেই টের পেল সারা শরীরে প্রচন্ড ব্যথা। ওর শরীরে কোন কাপড়ই নেই। সবুজ কার্পেটটা প্রচন্ড আক্রোসে কেউ কুচি কুচি করে কেটে ফেলেছে। কাঠের পিড়ি সহ গুরুর দেয়া পিতলের থালাটা নেই। আঁতিপাঁতি করে সারা জায়গায় খুঁজল হাশিম, কিন্তু কোথাও নেই। আর এটা বুঝার সাথে সাথেই ওর সারা শরীরে হীমশীতল ভয়ের একটা স্রোত বয়ে গেল। গুরু যেকোন মূল্যে এটাকে হাতছাড়া না করতে বলেছিল, আর পরী হাজির হবার পর সর্বপ্রথম এর নাম জিজ্ঞেস করতে বলেছিল। কোনটাই করেনি ও। তার মানে ওকে ঠিকই প্রলুব্ধ করে কার্পেট থেকে বের করে নিয়ে এসেছিল। দুইপায়ের মাঝখানে হঠাৎ ব্যথা এসে ভালো করে ওকে বুঝিয়ে দিল গতকাল রাতে কি সর্বনাশ হয়েছে ওর! অনেক কষ্ট করে উঠে দাড়িয়ে গতকালকে পড়ে আসা পুরানো লুঙ্গিটা পড়ল। মাটির ঘরটা থেকে যখন ও বের হয়ে আসল, অদ্ভুত একটা অনুভূতি হলো ওর। সমস্ত শরীরটা কেমন যেন ভারী ভারী লাগছে ওর আর মাথাটা ঝিম ঝিম করে ব্যথা করছে। 
কোন রকমে বাসার দিকে রওনা দিল হাশিম.....

চার
পনের দিন পরের কথা। কাপালিক মোহনরাজের সামনে হাশিমের বাবা বসে আছে। খুব মনোযোগ দিয়ে হাশিমের বাসায় কি কি উপদ্রব শুরু হয়েছে সেটা শুনছে কাপালিক। হাশিমের বাবা বলা শুরু করল-
- বাড়ীর উপর গত এক সপ্তাহ ধরে যন্ত্রনাদায়ক আযাব শুরু হয়েছে। দিন রাতের কোন ঠিক নেই, হঠাৎ করে বাড়ীর ছাদের উপর শুরু হয় অনেক অনেক লোকের হাঁটাচলা। ভয়ে তখন কেউ ঘর থেকে আর বাইরে বের হই না। মনে হয় যেন ঘরের ছাদ এক্ষুনি ভেঙ্গে নীচে পড়বে। হঠাৎ ছাদের উপর ধাম ধাম করে একটানা পাথরের বৃষ্টি হতে থাকে অথচ বৃষ্টি শেষ হলে বাইরে যেয়ে দেখবেন একটা পাথরও নেই কোথাও! বাড়ীতে সবাই যে যার কাজে ব্যস্ত, হঠাৎ দেখা গেল বাসার চেয়ার টেবিল ঘরের ভিতরে শুন্যের উপর ভাসছে!

হাশিমের কি অবস্থা জানতে চাইল কাপালিক-
- ওকে একটা আলাদা ঘরের মধ্যে দুই হাত খাটের সাথে বেঁধে শুইয়ে রেখেছি আর দরজায় তালা মেরে রেখছি। 
- কেন? কি করে ও?
- হঠাৎ করেই খাট থেকে উঠে শুন্যে ভাসতে ভাসতে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। একবার ভুলে দরজায় তালা দেয়া ছিল না রাতে, পরের দিন উঠানের বড় আমগাছের মগডালে পাইছি। অজ্ঞান হয়ে ছিল। সারাক্ষন অদ্ভুত এক ভাষায় কথা বলে, তার আমরা কিছুই বুঝি না। কোন কিছু খায়না। কিছু খেতে বললে হাসে আর বলে কোন হুর পরী নাকি এসে বেহেস্তি খানা খাইয়ে দিয়ে গেছে, পেট ভরা। আর সারারাত ঘরের মধ্য নির্লজ্জের মতো আওয়াজ করে আকাম কুকাম করে। ওর এই বেহায়া চিল্লাচিল্লির জন্য কাউরে মুখ দেখাতে পারি না।
- কার সাথে করে? ঢুকে কি ভাবে? ঘরে তালা মারা থাকে না? 
- জানি না। এই সব করার সময় তালা আর দরজা কোনটাই আমরা খুলতে পারি না। একবার জানলার ফাঁক দিয়ে উঁকি দিছিলাম, খুব সুন্দর মতন একটা মেয়েরে দেখি খাটে বসে হাশিমকে আদর করে কি জানি খাওয়াচ্ছে। হঠাৎ করে আমার দিকে ফিরে তাকাল, চোখগুলি আগুনের মতো জ্বলছে। কি যে ভয় পাইছি! আপনের দুই পা ধরি। আপনে আমার একমাত্র ছেলেরে ঠিক করে দেন। যা টাকাপয়সা লাগে সেটাই দিব। আপনে আমার সাথে এখনই আমার বাসায় চলেন। 
- আমার নাম জানলি কেমনে? কে কইছে তোরে?
- হাশিম যেদিন সারা রাত না এসে দুপুরে বাসায় আসল, দেখি সারা শরীর জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে। উঠানেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেল। মাথায় পানি ঢালছি বালতির পর বালতি। জ্বর কিছুতেই কমে না। হঠাৎ চোখ খুলে কয়, বাবা, এই সবে কিছু হইব না। তুমি গুরু মোহনরাজ কাপালিকের কাছে যাও। যেয়ে আমার কথা বল।
- কথা শুইনা তো মনে হয় এর উপর খারাপ জিনিসের আছর হইছে! তোর ছেলের তো সর্বনাশ হইছে নিজের দোষে। কত কইরা বারণ করলাম। এইসব পরী সাধনায় যাইস না। এইগুলান তোর মতন বাচ্চা পোলাপানের কাম না। কে শুনে কার কথা? 

হাশিমের বাবা কাপালিকের দুই পা জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে আবার যেতে বলল। 
-এখন যাইতে পারুম না। প্রস্তুতি লাগব। সন্ধ্যায় যামু। অমাবস্যার তিথি আছে রাইতে। তুই এখন বাসায় যা। হাশিমরে কোনভাবেই ঘর থাইক্যা বাইর করতে দিবি না। এইবার বাইর করতে পারলে একবারে সারা জীবনের লাইগ্যা নিয়া যাইব! যা, আমি না আসা পর্যন্ত আইজকা ভাল মতন পাহারা দে। আর ঐ ঘরে কেউ ঢুকবি না, খবরদার! উঁকিঝুঁকিও মারবি না! যা, তাড়াতাড়ি নিজের ছেলের কাছে যা! 

পাঁচ
হাশিমের বাবা চলে যাবার পর মোহনরাজ শরীর বন্ধক দিয়ে মন্ত্র পড়ে সৌরাসন গেড়ে বসল। হাশিমের উপর আসলে কি হয়েছে সেটা আগে জানা দরকার। এটা না জানলে কোন কিছুই করা যাবে না।

দশ মিনিট পর কাপালিক চোখ খুলে অনেকক্ষন পূর্ব দিকে তাকিয়ে রইল। সামনে বসা তিন জন শিষ্য অবাক হয়ে দেখল কাপালিক অস্থির ভঙ্গিতে মাথা নাড়ছে আর বিড়বিড় করে কি যেন পড়ছে। একটু পরে কাপালিক এই তিনজনকেই বিশেষ কয়েকটা জায়গায় গোপন কিছু জিনিসপত্র আনতে পাঠাল। এইগুলি ছাড়া হাশিমের বাসায় যেয়ে কোনই লাভ নেই! 

ঠিক দুই ঘন্টা পরে শিষ্যদের আনা সাতটা পুকুরের পানি এক জায়গায় করে পুরানো একটা বটগাছের নীচে সম্পুর্ণ নগ্ন হয়ে পূর্বদিকে ফিরে গোছল করল কাপালিক। গায়ের জল না মুছে নতুন একটা অধোয়া সেলাইছাড়া সাদা ধুতি পড়ে সাত বার সূর্যের দিকে প্রনাম করে শরীর আবার বন্ধক দিয়ে মন্ত্র পড়ে সৌরাসন ভঙ্গিতে আসন গেড়ে বসল। আগামি এক ঘন্টা কোনভাবেই যেন ওকে কেউ বিরক্ত না করে সেটা বলে, পূর্ব দিকে মুখ ফিরিয়ে চোখ বন্ধ করে আবার বিড়বিড় করে মন্ত্র পড়া শুরু করল কাপালিক। 

আজকে সন্ধ্যার পর অমাবস্যার রাতে হাশিমের বাসায় ওকে কঠিন এক যজ্ঞ করতে হবে.......

ছয়
কৃষ্ণপক্ষের অমাবস্যার প্রথম রাত। ঘন কালো অন্ধকারে চারপাশের সবকিছু যেন ঢেকে আছে। মোহনরাজ জঙ্গলের ভিতরে মাটির বাসাটার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। সারাশরীর বন্ধক দেয়ার পরও কিছুটা ইতস্তত লাগছে ওর। ডান হাত দিয়ে দরজাটা ধাক্কা দিয়ে খুলে ভিতরে প্রবেশ করল ও। ভাদ্রমাসের তালপাঁকা গরমের সময়েও ঘরের ভিতর নিঃসীম শীতলতা অনুভব করল ও। কিছু একটা ঠিক নেই ভিতরে! ওর অবচেতন মন বলছে মারাত্মক কোন ভুল করেছে হাশিম। হাতের জ্বলন্ত হ্যাজাক বাতি মেঝেতে নামিয়ে স্বয়ং শিবকে স্মরন করে তান্ত্রিক মন্ত্র পড়ে সামনে জোরে ফুঁ দিল ও। তীক্ষ্ম একটা শব্দ ওর চারপাশে উঠছে আর নামছে। বাম হাতের পাত্র থেকে অসুরের যম মা কালীর নামে সদ্য বলি দেয়া পাঠার রক্ত হাশিম যেখানে আসন গেড়ে বসেছিল তার চারিদিকে ছিটিয়ে দিয়ে চন্দ্রকে স্মরণ করে মন্ত্র পড়তে পড়তে চন্দ্রাসনে বসল ও। দুই হাতের দুই কনিষ্ঠ আঙ্গুল মাথার দুই পাশে চেপে ধরে চোখ বন্ধ করল মোহনরাজ। সেদিন রাতে কি কি ঘটেছিল সব এক এক করে ভেসে উঠল ওর চোখের সামনে। সংগমের দৃশ্য চোখের সামনে শুরু হতেই আচমকা অসহনীয় ব্যথায় চিৎকার দিয়ে উঠল ও। এই দৃশ্য ওকে কিছুতেই দেখতে দেয়া হবে না, কিন্তু সেই এক মুহূর্তের লহমায় হাশিমের আহবান করা পরীকে এর আসল রূপে দেখতে পেয়েছে ও। সমস্ত শরীর কাটা দিয়ে উঠল মোহনরাজের। 
- হাশিম রে, তুই কি সর্বনাশ করেছিস? কাকে ডেকে এনেছিস তুই? 

২য় পর্ব কালকে প্রকাশিত হবে...........

পাদটীকাঃ জ্বীনের মানুষের ওপর ভর/আশ্রয় গ্রহন করাকে সাধারনভাবে ‘আছর' বলে। এটা এই বিষয়ে প্রচলিত শব্দ। এটি এমন একটি অবস্থা যখন মানুষের নিজের ওপর কোন নিয়ন্ত্রণ থাকে না। মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায় এবং সাময়িক স্মৃতি বিভ্রম ঘটে। 


শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২২

তান্ত্রিক সেবা ও কবিরাজি সেবা প্রতিষ্ঠান


 আমাদের এখানের চিকিৎসা সমূহ : 

🎀 (চরিত্র ঠিক না থাকলে কাজ হবে না) 🎀
১। প্রেমিক/প্রেমিকাকে বশিকরণের তদবির
২। স্বামী/স্ত্রীকে বশীকরণ অশান্তি দূর করা
৩। স্বামী/স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্ক বিচ্ছেদ করা
৪। স্বামী/স্ত্রীর ভলোবাসা বৃদ্ধির তদবির
৫। কাঙ্ক্ষিত ব্যাক্তির সনে বন্ধুত্ব লাভের তদবির
৬। শ্বশুর বাড়ির অত্যাচার বন্ধ করা
৭। সংসারে সর্বক্ষণ অশান্তি ও ক্ষতি দূর করা
৮। যে কোনো মানুষকে অনুগত করণ
৯। শরীর বন্ধ করা সহ বাড়ী বন্ধের তাবিজ
১০। অবাধ্য ছেলে/মেয়ে সন্তান বাধ্য করা
১১। কর্মক্ষেত্রে ও ব্যবসায় ব্যর্থতা মুক্তির তদবির
১২। কর্মস্থলে শত্রুতা দূর করার তদবির
১৩। ব্যবসায় উন্নতির তদবির
১৪। জায়গা জমির বিরুদ্ধ
১৫। বিবাহ বন্ধ করা ও বন্ধ বিয়ে হওয়া
১৬। শত্রুকে অনুগত করা
১৭। শত্রুর উপর জয়ী হওয়া
১৮। শত্রুর আক্রমন থেকে রক্ষার তদবির
১৯। যাদু - টুনা নষ্ট করা
২০। পাওনা টাকা আদায় করার তদবির
২১। জিন-পরির নজর থেকে মুক্ত থাকার তাবিজ
২২। যে কোনো বন্ধ/বেধেঁ রাখা জিনিস খোলা
২৩। মীমাংসা ও শত্রুতা সৃষ্টি করা
২৪। বিবাহ বিচ্ছেদ করানো (শর্ত স্বাপেক্ষে)
২৫। গ্রহ ও অন্যান্য দোষ থেকে মুক্ত করা
২৬। শরীর বন্ধের তাবিজ সহ অন্যান্য তদবির
২৭। দোকানের উন্নতির জন্য তদবির
২৮। মাল হেফাজতের তদবির
২৯। শত্রুকে বান মারণ ❌
৩০। প্রেমিক/প্রেমিকা বিচ্ছেদ করা ❌
৩১। শত্রুকে জবান বন্ধ/শাস্তি দেওয়া ❌
মুত্র থলি, কিডনি, অন্য কোথাও পাথর ইত্যাদি সহ
অপারেশনের জন্য তদবির দেওয়া হয় !!
আপনার সমস্যা যতো বড়ো হোক ১০০% গ্যারান্টিতে
দিবো সকল সমস্যার সমাধান, তবে যাদের নিয়ত খারাপ আর মনে বিশ্বাস নেই তাদের তদবির কাজ করবে না কারণ মনে খোঁটা রেখে কোনো কাজ করলে সেই কাজে সফলতা আসে না !!
মনে খোঁটা রেখে কাজ করা আর অল্প ঈমানদার মানুষ এক সমান, তাই যাদের বিশ্বাস নেই তাঁরা আমার পেজ, গ্রুপ, আইডি থেকে ১০০ গজ দূরে থাকুন কারণ যার বিশ্বাস নেই/ঈমান নেই তারা নাস্তিক !!
বিশ্বাসে বস্তু মিলে তর্কে বহুদূর, আপনার যে কোনো সমস্যার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন মোবাইলে অথবা কমেন্ট বক্সে !!
মোবাইলঃ 01757786808 ☎️ Imo/WhatsApp
আর নয় সমস্যা, এখন শুধুই সমাধান কারণ মায়াজাল মন্ত্রগুরু এখন আপনার সহযোগিতায় ২৪ ঘন্টা নিয়োজিত তাই আর দেরি না করে এখুনি যোগাযোগ করুন । বিশ্বাসে ভক্তি, বিশ্বাসে মুক্তি !!

( মায়াজাল মন্ত্রগুরু)
বিশ্বের বিস্তৃত আধ্যাত্নিক ও তান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান মায়াজাল মন্ত্র গুরু
তান্ত্রিক জগতে ১০০% লিখিত গ্যারান্টি
সরাসরি এসে লিখুন গ্যারান্টিতে তদবির করার সুযোগ। imo-whotapo . 01757786808/

সুন্দরী মেয়ে বশীকরণ‌

 

বশীকরন হিন্দুদের জন্য মুসলমান কেউ করলে পাপ হবে। সিন্দুর মোহন মন্ত্র: ওঁ নমো আদেশ গুরু কা। সিন্দুর কি মায়া। সিন্দুর নাম তেরী পওী। কামাখ্যা সির পর তেরী উওপতি। সিন্দুর পঢ়ি মৈ লগাউ বিন্দী। বশ অমুক হোকে রহে নিবুদ্ধী। মহাদেব কী শক্তি। গুরু কী ভক্তি। ন বশী হো কো কামরু কামাখ্যা কো দুহাই। আদেশ হাড়ী দাসী চন্ডী কা। অমুক (নাম হবে) কা মন লও নিকাল। নহী তো মহাদেব পিতা কা বাম পঢ় জায়ে লাগ। আদেশ! আদেশ! আদেশ! বিধি: প্রথমে মন্ত্রটি ভাল করে সিদ্ধি করতে হবে, কোন তিন রাস্তার মোড়ে বসে মুখস্ত করতে হবে। বারটি অব্যশই মঙ্গলবার হতে হবে। একটি রুপার কোটায় আসল সিন্দুর নিয়ে ছাদ বা কোন খোলা জায়গায় পূনিমার সারা রাত ফেলে রাখতে হবে। এমন ভাবে রাখতে হবে যে সারা রাত চাঁদের আলো যেন পড়ে। সূযোদয়ের আগেই উঠিয়ে নিতে হবে। সূযোদয়ের আগেই উঠিয়ে এনে নিজ শিয়রের কাছে রাখতে হবে। সোমবার রাতে দুধের মধ্য অল্প ব্যান্ডি মিশিয়ে সম্পুণ শরীরে মালিশ করতে হবে। এমন কি চুলে ও। এর পর গোসল করে, পূর্ব দিকে মুখ করে বসে ডান হাতে ঐ কোটা রেখে ১০০৮বার মন্ত্র জপ করতে হবে। এই আসন উঙ্গল হয়ে করতে হবে। আসনে রাত ১২ টার বসতে হবে। যার উদ্দেশ্য করে ঐ টিকা কপালে লাগাবে সেই আপনাকে দেখলেই বশীভূত হবে। অব্যশই গুরুর অনুমোতি নিয়ে কাজ করতে হবে। অনুমোতি নিতে চন্ডিবরন দিতে হবে।

সম্মানিত ভিজিটর আপনি কি দৈনন্দিন জীবনে হতাশা গ্রস্থ কিংবা চিন্তা টেনশনে মানসিক রোগা হয়ে গেছেন?


তাহলে আর দেরী না করে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ৷

বর্তমান সময়ের সব থেকে সুপার পাওয়ার ব্ল্যাক ম্যাজিক এবং জ্বিন শক্তি পরী শক্তি অলৌকিক রুহানি শক্তি আধ্যাতিক কুন্ডলি শক্তির মাধ্যমে বান বশীকরন শতভাগ গ্যারান্টি নিশ্চয়তা সহকারে আপনাকে উপযুক্ত মর্যাদা উপযুক্ত ফলাফল প্রদান করা হবে ৷

নিবেদক, গুরুজি আজিজ রহমান (কামরুপি অলৌকিক পান্ডে লীলা সাধক কামরুপ কামাক্ষা)


বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ বাংলাদেশের যে কোন প্রান্তে চিকিৎসা প্রদান করা হয় এবং আপনারা যে কোন দেশ বিদেশ থেকে অনলাইনে তদবীর করতে পারেন জ্বীন চালানের মাধমে তদবীর করা হয়

যে‌ কোন কঠিন কাজ ৩/৫ দিনের মধ্যে সমাধান করা হয় ইনশাআল্লাহ আজি যোগাযোগ করুন

সরা সরি চেম্বার .খুলনা . খালিস পুর বাজার .ফোন ..01757786808।আপনাদের যে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য যোগাযোগ করুন ধন্যবাদ

রবিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২২

mayajalbd.com

প্রিয়ো ভিজিটরগন কয়েকদিন আমি অনলাইনে আসতে পারি নাই এর জন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। 
এখন থেকে ২৪ ঘন্টা অনলাইনে থাকবো। যেকোনো প্রকার সমস্যার সমাধান ১০০% গ্যারান্টিসহ দেয়া হবে।
যদি কারো কোনো সাহায্য লাগে তাহলে ইনবক্সে মেসেজ করুন অথবা ফোন করুন।

যেসব সমস্যার সমাধান দেওয়া হয়ঃ----
১.প্রেম/ভালোবাসায় ব্যর্থ।
২.প্রেমিক/প্রেমিকা বাধ্য করণ।
৩.স্বামী/স্ত্রীর অমিল।
৪.মনের মানুষকে বাধ্য করণ।
৫.সংসারে অশান্তি।
৬.শত্রুকে বাণ মারণ।
৭.জ্বীন/পরি সাধনা।

বিঃদ্রঃ ষট কর্মের সকল প্রকার সমস্যার সমাধান দেয়া হয়।
একটা সঠিক সিদ্ধান্ত আপনার সারা জীবনের সুখের কারণ। ধন্যবাদ।
নিবেদক, গুরুজি আজিজ রহমান (কামরুপি অলৌকিক পান্ডে লীলা সাধক কামরুপ কামাক্ষা)

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ বাংলাদেশের যে কোন প্রান্তে চিকিৎসা প্রদান করা হয় এবং আপনারা যে কোন দেশ বিদেশ থেকে অনলাইনে তদবীর করতে পারেন জ্বীন চালানের মাধমে তদবীর করা হয়
যে‌ কোন কঠিন কাজ ৩/৫ দিনের মধ্যে সমাধান করা হয় ইনশাআল্লাহ আজি যোগাযোগ করুন
সরা সরি চেম্বার .খুলনা . খালিস পুর বাজার .ফোন ..01757786808।

শুক্রবার, ৪ নভেম্বর, ২০২২

বউ/স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্রঃ)

বউ/স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্রঃ)
আমাদের আজকের আলোচনা বউ বা স্ত্রী বশীকরণ। যে বউ বা স্ত্রী স্বামীর কথা শোনে না, কিংবা স্বামী কিছুতেই বউয়ের কাছে তার প্রাপ্য ভালোবাসা পাচ্ছে না ঠিক তাদের জন্যেই আমাদের এই মন্ত্রটি।

আজকের এই মন্ত্রটি খুব ছোট্ট একটি মন্ত্র যা ব্যবহার করাও খুব সহজ।

মন্ত্রঃ-

“রাম একাকী কুল্লে ফালে ও কাকী

কাওমে তোর

লাগলে মোরকা সব ফেলিহ।

ও তনে তোর না লাগিলে হামি ও

তনে তোর

না লাগিলে হামি ও তনে মরতেহ।

মোহাম্মদী কা থাকিলে তার

হে আঁচলে

আমি নে বঞ্চি থো

ছো ছো ছো

ফোরু মন্ত্র আল্লা বাচা”

প্রয়োগ বিধিঃ- এই মন্ত্রটি কোন আমাবস্যাঁর রাতে, রাত ১২ টার পরে একটানা একুশবার পড়ে মন্ত্রটি মুখস্ত করতে হবে। একুশ বারের বেশি যেন পড়তে না হয়। মন্ত্রটি সিদ্ধ করতে হবে। মন্ত্রটি সিদ্ধ হয়ে গেলে যেকোনদিন ব্যবহার করতে পারবেন। তবে শনিবার ও মঙ্গলবার হলে ভালো হয়। এই দুইদিন ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাবেন। এর জন্য আপনার স্ত্রী বা বউয়ের পরনের শাড়ীর আঁচলে এক কোনায় মন্ত্রটি ২১ বার পড়ে ফুঁ দিবেন আর তিনটি গিট দিবেন। প্রতি সাত বার পড়ে একবার করে গিট দিবেন। এভাবে তিনবার দিবেন। তিনটি গিট দেওয়া হয়ে গেলেই দেখা যাবে যে, সে মাটিতে পড়ে গেছে। তবে চিন্তার কোন কারণ নাই। কারন সে এতই উতালা হবে যে, তার মনের ভারসাম্য সে হারিয়ে ফেলবে, তারপর তেনাকে মাটি থেকে তুলে তার কোমরে আসতে করে তিনটি লাথি দিবেন। তবেই সে সুস্থ হবে। এই কাজ সঠিক ভাবে প্রয়োগ করতে পারলে সে সারাজিবন আপনাকে ভালোবাসবে এবং আপনার কথার বাইরে কিছুই করার চেষ্টা করবে না।

ইহা ছাড়াও আমাদের প্রতিষ্ঠান আপনাদেরকে বর্তমানে ফ্রিতেই নারী, স্ত্রী, বিবাহিত মহিলা ও মনপছন্দ রমণী বশীকরণ করার সহজ মন্ত্র ও তন্ত্র দিতেছে। এটা খুব সিমিত সময়ের জন্য। তাই আপনারা আর দেরী না করে এখনি নিচের ছবিতে ক্লিক করুন ও PDF File টি ডাউনলোড করুন। ধন্যবাদ।।।

মায়াজাল মন্ত্রগুরু তান্ত্রিক জগতে ১০০%লিখিতো গ্যারান্টি 

কালো জাদু ও জ্বীন চালানের মাধ্যমে তদবির করা হয় আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে তদবির করতে পারেন বিফলে মূল্য ফেরত

সরাসরি ঠিকানা -খুলনা খালিস‌ পুর বাজার সুপার মার্কেট imo-whotapo :01757786808/

মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২

আলী‌ সধনা

 


 মহাশক্তিশালী আলী সাধন মন্ত্রঃ

এর কাচ কাচুম বিরী কাচ কাচু

কাচুম জুমের দূত-

লোহার স্বরে কাচ কাচিলাম

মুই কালিকার পুত-

কাকে দরুম, কাকে মুছুরুম

কাকে মুছুইরা খাম!

লোহার স্বরের বরে

আমি নান্দা করিবার যাম,

মা খাকি সাক্ষী থাকিও

তুমি কাঁচ কাচুম?

কাচের করলাম ধারা

আসমানের চন্দ্র সূর্য

কোমরে করলাম জোরা!

কাটা গোচার মুখ বন্ধ

করলাম ভূট কাঁচ দিয়া,

মুদ্দুই মোকালিপের মুখ

বন্ধ করলাম-

সমুদ্রে বানলাম বীর!

লাঠির বাড়ি, তরওয়ালের চোট

বন্দুকের গুলি না লাগে আমার গায়!

বর্মার বাণে কালকে দেবীর পায়

লোহার তীরগুলি না লাগে

আমার গায় ইয়া আলী-

ইয়া আলী, ইয়া আলী!

..

(তিন দফা পড়িতে হইবে)

..

মন্ত্র শিক্ষার নিয়মঃ মন্ত্রটি পাঁচ দিনে মুখস্ত করিতে হইবে, মন্ত্র পড়ার সময় মাছ ও গরুর মাংস খাওয়া নিষেধ তাহলে মন্ত্র সিদ্ধ হবে? তবে মন্ত্র সিদ্ধ করার আগে গুরুর অনুমতি নিয়ে চন্ডিবরন করতে হবে, উক্ত মন্ত্র পড়ে কাজ করার সময় উক্ত মন্ত্রটি তিন দফা পাঠ করিয়া একটি গামছা কোমরে বাঁধিতে হইবে! ইহাতে আল্লাহর রহমতে চল্লিশ, পঞ্চাশ জন মানুষের শক্তি নিজের শরীরে পাইবে? অন্যায় কাজে মন্ত্র খাটানো নিষেধ, নতুবা নিজের মারাত্মক ক্ষতি হইবো?

বিঃদ্রঃ বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন, কাজের জন্য চন্ডীবরন অথবা গুরুদক্ষিণা দিতে হবে? #তান্ত্রিক_গুরু_আজিজ_রহমান

রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২

যে কোনো ব্যাক্তিকে বশিকরন মন্ত্রঃ

যে কোনো ব্যাক্তিকে বশিকরন মন্ত্রঃ

অচল কুয়ার ছল ছল পানি

সেটে আছে মা ঠাকুরানী বলতো তিনি

চুল ভালো করে দে এখুনি

যারে চল পাগ দিয়া

কালীনিরে আন ডাক দিয়া

হাত জ্বলে পা জ্বলে

দুই স্থন যৌবন জ্বলে

অমুকে দেখি অমুক জ্বলে ।

নিয়মঃ কোনো ব্যাক্তিকে নিজের বশে আনার জন্য এই মন্ত্র তিনবার পাঠ করে তার দিকে ফু দিতে হবে, এই মন্ত্র প্রয়োগে কাঙ্ক্ষিত ব্যাক্তি দুই মিনিটে সাধকের বশ হবে!

উল্লেখঃ মন্ত্র প্রয়োগ করার পূর্বে অবশ্যই সিদ্ধ গুরুর অনুমতি নিয়ে চন্ডিবরন করতে হবে, নতুবা মারাত্মক ক্ষতি হবে! ১০৮ বার মন্ত্র পড়ে মুখস্থ করে নিতে হবে!

আপনার সমস্যা যতই বড়ো হোক না কেন, এর সমাধান আছে তবে তার জন্য সঠিক প্রয়োগ করতে হবে!

পৃথিবীতে সমস্যা যেমন আছে তার সমাধানও আছে, আর আমি সম্রাট মালেক দিচ্ছি এখন আপনার জটিল থেকেও কঠিন সমস্যার সমাধান চ্যালেঞ্জ সহকারে ১০০% গ্যারান্টিতে সমাধান তাই আর দেরি না করে এখুনি যোগাযোগ করুন মোবাইলে অথবা ইনবক্সে!

মোবাইলঃ ☎️ 01757786808 Imo/WhatsApp