বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২০

প্ল্যানচেট কিংবা আত্না হাজির করার উপায়

..প্ল্যানচেট। বা আত্মা হাজির করন পদ্ধতিঃ
এই পদ্ধতিটার মাধ্যমে আত্মা হাজির হয়,যদিও বিষয়টা
অবিশ্বাষ্য বটে। অনেকে ভাবে এটা হয়তো জ্বিন
হাজির করন,আসলে এটার মাধ্যমে জ্বিন হাজির হয়
না,আপনার আশেপাশের এক বা একাধিক আত্মা হাজির
হয়,যা আপনার দৃষ্টিগোচর হবে। বলাবাহল্য কার্যের
শুরুতে ভালো একটা গুরুর কাছে এই বিষয়ে
আরো জেনে কাজটা শুরু করবেন। কারন এখানে
আমি হয়তো লেখার মাধ্যমে আমার যথেষ্ঠ
মনোভাব প্রকাশ করতে পারবো না। এটা সঠিকভাবে
প্রয়োগ না করতে পারলে বিপদের আশংখা আছে।
প্রয়োগ পদ্ধতি:::যে কোনো শনিবারে একটা
বিশেষ ঘর বা রুম নির্বাচন করবেন,যেই রুমে সেই
দিন বা রাতে যাতে করে অন্য কোনো দ্বিতীয়
ব্যক্তি প্রবেশ না করে। শনিবার সকালে নির্বাচিত
ঘরে ধূপ-দ্বীপ জ্বালিয়ে রাখবেন। ঘরের এক
কোনে এই আয়াতটা লিখে রাখবেন, ﺍﺗﻢ ﺍﻟﻦ ﻗﻦ ﻛﻔﺮ
ﻗﻦ ﻗﺜﺐ ﻫﺬﺩ ﺷﻮ ﻫﺬﺭ ﺷﻮ ﻫﺬﺭ ﺷﻮ ﺑﺤﻖ ﺷﻠﻤﻦ
ﻧﺒﻴﻚ..এবার যখন মধ্যরাত হয়ে যাবে,তখন ঐ ঘরে
প্রবেশ করবেন,এবার ঘরের মধ্যে উচ্চস্বরে
এই বাক্যগুলো উচ্চারন করবেন,"আতাইতুহু
হারওয়ালাতান,কাতামু ছানুয়ার জাসুদা বাহু,নিশ্কান ফিতরে
মাজাদ হাজির শাও প্রভুকা কুদরাত,"এই বাক্যটা কমপক্ষে
৩১বার পাঠ করবেন,এবার দেখবেন ঘরটা কিছুটা
কাপতে শুরু করেছে,এবার পড়াটা বন্ধ করতে
হবে,ঘরের কিছুদিন অপেক্ষা করার পর দেখতে
পাবেন ঘরের যে কোনে আপনি পূর্বোক্ত
আয়াতটা লিখেছিলেন সেই লেখার উপর হঠাৎ আগুন
লেগে যাবে,তখনি উদ্দেশ্যকৃত আত্মা হাজির হবে
এবং তা আপনার দৃষ্টি গোচর হবে।এইটা সম্পূর্ণ গুরু
পদ্ধতি,এযোগই পদ্ধতিটা একাধিক মানুষ দ্বারা পরীক্ষিত।।
এই আত্মাগুলো আবার আড়ানোর প্রয়োজন
হলে এইটা পাঠ করুন উচ্চস্বরে একবার"মাতলুন
হাব্রাতান জিস্রা জিবরাইলা ওয়া মিকাইল"।কিন্তু এটা খুব বিপদ
জনক। এটা করতে খোব সাহসি লোক প্রয়জন।
তবে অবিঘ লোক ছারা। এই কাজ না করাই ভালো।
মন্ত মন্ত কালো যাদু বিষয় যে কোন সমাধান
পেতে আজি যোগা যোগ করুন তান্তিক গুরু আজিজ রহমান..01757786808

মন্তগুরুএ্যাসোসিয়েশন

হ্যা
আপনি যদি আপনার বাবা মা ভাই বোন ওস্তাদ শিক্ষক বন্ধু প্রেমিক পরিচিত যে কাহারো সাথে মরোনত্তর বিশেষ কোন বিষয় জানার জন্য যোগাযোগ করতে ইচ্ছুক হয়ে থাকেন তবে অবশ্যই আমাদের সহায্য নিতে পারেন। বিশ্বে একমাত্র আমরাই কোন প্রকার ব্লাক ম্যাজিক, কুফুরী, জীবন নাষের সংঙ্কা ছারাই নিরাপদে আপনার পরলোকগত প্রিয়জনের সাথে আলোচনা করাতে সক্ষম। সর্ত প্রযোজ্য. ☆☆বশীকরন বিদ্যা☆☆
☞ প্রেমিক/প্রমিকা বশীকরন 12 ঘন্টায় ৷
☞ স্বামী/স্ত্রী বশীকরন করতে চান?
☞ পরকীয়া ঠেকাতে চান?
☞ হারানো ব্যাক্তিকে ফিরে পেতে চান?
☞ কাঙ্খিত ব্যাক্তির সাথে আপোষ করতে চান?
☞ শত্রুকে বিনাশ করতে চান!
☞ সন্তান হচ্ছেনা?
☞ বিবাহ হচ্ছেনা?
☞ কাউকে মতিভ্রম পাগল বানাতে চান?
☞ বিবাহ বিচ্ছেদ করতে চান?
সরাসরি কল করুন ☎ +88 01757786808/
সম্মানিত ভিজিটর আপনি কি দৈনন্দিন জীবনে হতাশা গ্রস্থ কিংবা চিন্তা টেনশনে মানসিক রোগা হয়ে গেছেন?
তাহলে আর দেরী না করে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ৷
বর্তমান সময়ের সব থেকে সুপার পাওয়ার ব্ল্যাক ম্যাজিক এবং জ্বিন শক্তি পরী শক্তি অলৌকিক রুহানি শক্তি আধ্যাতিক কুন্ডলি শক্তির মাধ্যমে বান বশীকরন শতভাগ গ্যারান্টি নিশ্চয়তা সহকারে আপনাকে উপযুক্ত মর্যাদা উপযুক্ত ফলাফল প্রদান করা হবে ৷
নিবেদক, গুরুজি  আজিজ রহমান(কামরুপি অলৌকিক পান্ডে লীলা সাধক কামরুপ কামাক্ষা)
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ বাংলাদেশের যে কোন প্রান্তে চিকিৎসা প্রদান করা হয় এবং দেশ /বিদেশি থেকে অনলাইনে তদবীর করতে পারেন জ্বীন চালানের মাধমে তদবীর করা হয় 

সরা সরি চেম্বার .খুলনা . খালিস পুর বাজার .ফোন ..01757786808/

( ছবি দিয়ে বশীকরন করার উপায় )


.
































.( ছবি দিয়ে বশীকরণ ). .ভালোবাসার মানুষটি এখন আপনার পিছনে ঘুরবে, আপনি নন। না দেখলে চরম মিস।
ইয়া আল্লাহ ইয়া মোহম্মদ।
তোমাদের নাম পড়িয়া-
করিলাম আমি বশিকরন।
অমুক ঊঠিলে বোকা শুইলে পাথা।
আমার এই বশিকরন হইতে যেই নারী নড়ে চড়ে।
৯ লক্ষ ৩৬ হাজার পীর পয়গম্বর কুরান পেরে বসে।
দোহায় আল্লাহু আকবর এর জোরে।
আল্লাহু আল্লাহু কাদের গনি।
পাক -ছুবহানি আল্লাহ তুমি।
এই মন্ত্র খুব প্রভাবশালী মন্ত্র। এই মন্ত্র দ্বারা মাত্র ৭ দিনে যেকোন মেয়ে কে বা নারী কে সহজেই বশ করা যায়।সেই নারী যতই রাগী হোক না কেন আপনার বশ হবেই।
আপনাদের সেবাই আমাদের মুল কামনা।
বশিকরন কর্ম ১০০% গ্যারান্টি।
আপনি কাউকে ভালোবাসেন, ভালোবেসে বিয়ে করতে চান তাহলে এই পোষ্ট টি আপনার জন্য। এবার ভাবা যাক সমস্যার কথা আপনি যাকে আপন করে পেতে চান সে হয়ত আপনাকে চায়না, ভালোবাসে অন্য কাউকে এমতবস্থায় আপনি কি করবেন। আবার হয়তবা কোন ছেলে/মেয়ে আপনার সাথে কিছুদিন ভালোবাসার অভিনয় করে তার পর অন্যকারো সাথে প্রেম করে। তখন কি করবেন?
এই বশিকরন উপায় দিয়ে আমি মাত্র ৩ দিন থেকে ৭ দিনের মধ্যে ছেলে/মেয়েকে আপনার সামনে হাজির করবো ইনশাআল্লাহ। এই কাজের জন্য আপনাকে শুধু দিতে হবে।
১.মেয়ের নাম,
২.মেয়ের মায়ের নাম,
৩.মেয়ের বাবার নাম।
৪.ছেলের নাম ,
৫.ছেলের বাবার নাম।
৬.ছেলের মায়ের নাম
ছবি যদি থাকে তাহলে কাজের জন্য সুবিধা হবে।
ছেলে মেয়ে উভয় এর জন্য।তান্তিক গুরু আজিজ রহমান 

তন্ত মন্ত ও কালো জাদু জ্বীন চালানের মাধমে তদবীর করা হয় আপনারা যে কোন দেশ বা জেলে থেকে অনলাইনে 100%গ্যারান্টিতে তদবীর করতে পারেন যোগা যোগ .01757786808/ 

( হিপনোটাইজ কিংবা সম্মোহন )


হিপনোটিজম করার ৪ টি উপায় | যেভাবে কাউকে সম্মোহিত করে বশীকরণ করে ফেলে



সত্যিই কি কাউকে হিপনোটাইজ করা সম্ভব?
হিপনোটিজম কিংবা সম্মোহন বিদ্যা বলে একটাব্যাপার আমরা অনেকেই শুনেছি।  আপনাকেযখন কেউ সম্মোহিত করবেআপনি তখন এমনএক জগতে চলে যাবেন যে আপনি শুধু তা-দেখবেন বা অনুভব করবেন যা আপনাকেদেখতে বলা হবে। অবচেতন মনে আপনিএতোটাই প্রভাবিত হবেন যেআপনি সম্মোহিতহয়ে একটি নির্দিষ্ট আচরণ করতে বাধ্য হবেন।

হিপনোটিজম বেশ প্রাচীন বিদ্যা। প্রাচীন মানবসভ্যতার অনেকেই এই বিদ্যাটিকে ভাবতো যাদুবিদ্যা। কেউ হিপনোটিজম করলে মানুষ মনেকরতো তার অলৌকিক ক্ষমতা রয়েছে।
 ১৮৪০ সালে স্কটল্যান্ডের ড. জেমস ব্রেড এইবিদ্যার নাম দেন “হিপনোটিজম”। 
নামের পেছনে অবশ্য কার্যকরণ আছে।হিপনোটিজম শব্দটির উতপত্তি গ্রীক শব্দহিপনোস (Hypnos) থেকে। এই হিপনোস শব্দেরঅর্থ হচ্ছে, “ঘুম যেহেতু সম্মোহিত ব্যাক্তিঅনেকটা ঘুমের ঘোরেই হিপনোটাইজড হয়েকাজ করতে থাকেনতাই এই বিদ্যাকেহিপনোটিজম নাম দেয়া হয়।


 
সম্মোহনের কয়েকটি পর্যায় আছে।
  • মারণ
  • ত্রাটন
  • স্তম্ভন
  • বশীকরণ
মারণ: মারণ হল অপছন্দের লোক কিংবাকোনো শত্রুকে সম্মোহিত করে নিকেশ করেফেলা।

ত্রাটন: ত্রাটন হল ত্রাণ। এর মানে হচ্ছেসম্মোহন করে শত্রুর দুর্বলতার সুযোগ নেওয়া।সুযোগ নিয়ে তাকে বশীভূত করা।

স্তম্ভন: স্তম্ভন মানে তোল্লাই দেওয়া বা বারখাওয়ানো। এই পদ্ধতিতে ঘোরতর অপরাধীকেসম্মোহন করে এমন অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয় যেসে অপরাধবোধ স্বীকার করে মহান হতে চায়।স্তম্ভনে ফেঁসে গিয়ে আসামী গড়গড় করে সবকিছু তদন্তকারী অফিসারকে বলে দেয়।

বশীকরণ: নানা কৌশলে মানুষকে সম্মোহনেরমাধ্যমে নিজের বশে এনে বিভিন্ন নির্দেশ দেয়াইবশীকরণ।

চাইলেই অবশ্য কাউকে সম্মোহন করা যায় না।কাউকে হিপনোটাইজ করতে হলে তার সাহায্যলাগবে। মানে সেই ব্যক্তি যদি ইচ্ছে না করেনতাহলে হিপনোটাইজ করা সম্ভব হয় না।সাধারণত সম্মোহিত করার ক্ষেত্রে ব্যক্তিকেপ্রথমে এক দৃষ্টিতে কোনো জিনিসের দিকে পূর্ণমনযোগ দিয়ে তাঁকে তাকিয়ে থাকতে বলা হয়।অনেকক্ষণ যাবত যখন লোকটা কোনো কিছুরদিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকবে তখনএমনিতেই

 চোখ এবং মনও কিছুটা ক্লান্ত হয়ে যাবে। তখনতাকে বলা হবে চোখ বন্ধ করতে। চোখ বন্ধকরেই সম্মোহিত ব্যক্তি ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়বেঅনেকটা। যদি ঠিক ঠাক সম্মোহিত হয়ে থাকেতাহলে এই পর্যায়ে হিপনোটাইজড ব্যক্তিকেসম্মোহনকারী ব্যাক্তি বিভিন্ন কথা বলবেনির্দেশদিবে। সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার হলোহিপনোটাইজড ব্যক্তি এই নির্দেশগুলো পালনকরতে শুরু করবে!

আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে খুব সাধারণ ব্যাপার।

হিপনোটিজমের এতটাই প্রভাব যেধরে নিনএখন গ্রীষ্মকাল। কিন্তুআপনি যাকেহিপনোটাইজ করলেন তাকে আপনি বুঝালেনএখন শীতকাল। সম্মোহিত ব্যাক্তি তখনহিপনোটাইজড থাকা অবস্থায় ঠক ঠক করেকাঁপা শুরু করবেপ্রবল শৈত্য প্রবাহে যেমন করেমানুষ কাঁপে ওমন। সম্মোহিত ব্যাক্তি  নির্দিস্টসময়টায় নিজেকে কানাখোঁড়াঅন্ধবাকশক্তিহীন সবকিছুই ভাবতে পারে। ধরেনআপনারকোনো বন্ধু চরম পর্যায়ের বাঁচাল। কিন্তুহিপনোটিজম করে আপনি তাকে বুঝালেনতুমিবোবাতুমি কথা বলতে পারবে না। মজার ব্যাপারহচ্ছে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সে সত্যিই বিশ্বাসকরবে সে বোবাএবং কথা বলতে পারবে নাএবং সম্মোহন ভেঙ্গে যাওয়ার পর সেই ব্যক্তি ওইনির্দিষ্ট সময়ে কী কী ঘটেছে এবং সে কী কীকরেছেতার কিছুই মনে রাখতে পারে না!

ইংল্যান্ডে একজন দাঁতের ডাক্তার ছিলেন। তারনাম ডাএস ডেল। তিনি অবশ করার কৌশলব্যবহার না করে রোগীকে হিপনোটাইজ করে দাঁততুলে নিতেন। দাঁত উঠানোর সফলতা কাজেলাগিয়ে হিপনোটিজম ব্যবহার করে তিনি এরপরফুসফুসের অস্ত্রোপচারও করেনজটিলঅপারেশনের সময় রোগীর মনে যে চাপ পড়ে,দুশ্চিন্তার তৈরি হয় সেসব দূর করা সম্ভবহিপনোটিজম করে।

এতো ভালো দিক বললাম। হিপনোটিজমেরঅপব্যবহারেরও উদাহরণ আছে অজস্র। ১৯৭০দশকের কথা। আমেরিকায় থাকতেন একভারতীয় গুরু। তার শিষ্য সংখ্যা বেশ ভালোই।একদিন তার কি মতি হলো কে জানেতিনি তারশিষ্যদেরকে হিপনোটাইজড করে নির্দেশ দিলেনবিষ পান করতে। একটা বড় ড্রামে তরল বিষভর্তি ছিলো। শিষ্যরা সম্মোহিত অবস্থায় গুরুরকথা শুনে এক গ্লাস করে বিষ পান করলো। এইঘটনায় এক সাথে প্রায় ৭০ জন মানুষ মারা যায়আমেরিকান সরকার তখনকার এইগণআত্মহত্যায় আতংকিত হয়ে এই ধরণেরগুরুকেন্দ্রিক আশ্রম গড়ে তোলার উপরনিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলো।

আমেরিকা  ব্রিটেনের বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানীএকদল মানুষের ওপর হিপনোটিজমের প্রভাবকতখানি কার্যকর হয় সেটি নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষাচালিয়েছেন।তারা দেখতে চেয়েছেন যেহিপনোটাইজ করে একজন নিরেট ভদ্র ভালোমানুষকে খুনি বানানো সম্ভব কি নাগবেষণারফল কি হয়েছে জানেনগবেষণার ফল হয়েছেযেএকজন সাধারণ মানুষকে হিপনোটাইজ করেসত্যি সত্যি তাকে দিয়ে মানুষ খুন করানো সম্ভবহিপনোটাইজ হয়ে সে একজন মানুষকেঅবলীলায় খুন করে আসবে এবং মজার ব্যাপারহচ্ছে সম্মোহন ভেঙ্গে গেলে এই খুনের কোনোকথাই তার মনে থাকবে না

শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২০

জ্যাকপট, সাট্টা জুয়ায় বিজয়ী হওয়ার সাধনা মন্ত্র তান্ত্রিক পদ্ধতি)


 জ্যাকপট, সাট্টা জুয়ায় বিজয়ী হওয়ার সাধনা মন্ত্র
                            তান্ত্রিক পদ্ধতি)


 দেবলোকের সর্বো শক্তিমান সৃষ্টি আদি রহস্যাবৃত "কালী "দেবীর সাধনা ছাড়া পৃথিবীর কেউ কখনোই সাট্টার নাম ,জ্যাকপট ,বা জুয়ায় জয়ী হওয়ার নাম্বার পায় না বা বের করতে পারেনা শুধুমাত্র মহাদেবী কালীর সাধকগন এই কাজে সফলতা পায়। 
এই সাধনা মোটেও সহজ কোন পথ নয় ,যদি এতো সহজেই এইসব জুয়ার নাম্বার পাওয়া যেতো তাহলে তো সকলেই এই কাজ করতো, এই পথ কঠিন বলেই হাজারে একজন সফলতা পায় 
এই সাধনা কালে অনেক অনেক বিপদ ও বিঘ্নের সন্মুখীন হতে পারেন তা মনে রেখে সাধনা তে বসবেন । কালির অনেক রুপ ভদ্রকালি , শ্মশান কালি , রক্ষা কালি দক্ষিণা কালি ইত্যাদি ।
অনুষ্ঠান সামগ্রী ঃ
১ মহাকালির চিত্র ২ পরনে শ্বেত বস্ত্র ,৩ ভোগ ও নৈবেদ্য ৪ ধুপ ও দীপ ৫ ফুল ফল।                                    
সাধনা কালে উপবাস থেকে সন্ধ্যাকালে হাল্কা ফল মুল ভোজন করবেন । পূর্ণ ব্রহ্মচর্য পালন করবেন । অনুষ্ঠানের আগে স্নান আবশ্যক তার পর স্বচ্ছ বস্ত্র ধারন করবে । আসনে কালি মূর্তি স্থাপন তার সামনে ধুপ দীপ জ্বালাবে আর নৈবেদ্য রাখবে । সর্ব প্রথম গুরু কে স্মরণ করে মা কালির ধ্যান করবে । ধ্যান করার সময় মন বশে রেখে এক দৃষ্টি কালির দিকে তাকিয়ে থাকবেন , 
durga-mntr-1
কালি আরাধনার শক্তিলাভ , দুঃখ , শোক , রোগ , মারীভয় নিবারণ ,গ্রহ শান্তি , দারিদ্রতা নাশ , শত্রু ক্ষয় ,  সর্বপরি সিদ্ধি লাভ , মুক্তি লাভের জন্য কালী পুজা করা । শাস্ত্রে দেখা যায় কালী আরাধনা ব্যতিত মুক্তি অসম্ভব
জপের মন্ত্র ঃ
ক্রীং ক্রীং ক্রীং হুং হুং হ্রীং হ্রীং দক্ষিণ কালিকে ক্রীং ক্রীং ক্রীং হুং হুং হুং স্বাহা 
আচমন ঃ
ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ তদবিষ্ণুঃ পরমং পদং পশ্যন্তি সুরয়ঃ । দিবীব চক্ষুরাততম ।। ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ।।
পুস্প শুদ্ধি ঃ
ওঁ পুস্পে পুস্পে মহাপুস্পে সুপুস্পে পুস্পে পুস্পসম্ভবে । পুস্পেচয়াবকীরনে ওঁ হুং ফট স্বাহা ।
ওঁ খর্ব স্থুলতনু গজেন্দ্রবদনং লম্বধরনং সুন্দরম । প্রসন্দন মদগন্ধলুব্ধমধুপব্যালোলগণ্ডস্থলম । দন্তঘাত বিদারিতারিরুধিরৈঃ সিন্দুরশোভাকরম , বন্দে শৈলসুতাং গনপতিং সিদ্ধিপ্রদং কর্মসু ।।
পুজোর আসনে গন্ডি দিয়ে উক্ত শ্লোক ১০১বার পাঠ করা হলে মহা মায়া মা কালী স্বরুপে উপস্থিত হবেন এবং আপনার প্রার্থনা কৃত নাম্বার ও প্রয়োজন পূর্ণ করবেন, তার আগে মন্ত্র পাঠ ও আসনে নানাবিধ ভয় প্রদর্শিত হয় যা দৃঢ় সাহসী ব্যক্তির পক্ষে মোকাবেলা সম্ভব এছাড়া যে সহ্য করতে পারবেনা ,ভয় করবে, বা মাঝ পথে বন্ধ করে দিবে, ছেড়ে দিবে, এইরুপ করলে মৃত্যু নিশ্চিত ।
নোট : এই মন্ত্র ও পুজো করার আগে অবশ্যই উপযুক্ত তান্ত্রিক গুরু বা তান্ত্রিক জ্ঞান সম্পুর্ন ব্যক্তির পরামর্শ নিয়ে করবেন। কোন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য আমি বা আমার ব্লগ কোন ধরনের দ্বায় গ্রহণ করবে না। ‌তান্তিক গুরু ‌আজিজ ‌রহমান ‌01757786808/

সোমবার, ২ মার্চ, ২০২০

‌প্রেমে ‌পাগল ‌করার ‌তদবীর

আপনি কি ‌কাউকে ভালোবেসে কাচে পেতে 
চান তাহলে এই পোষ্ট টি আপনার জন্য। এবার ভাবা যাক সমস্যার কথা আপনি যাকে আপন করে পেতে চান সে হয়ত আপনাকে চায় না, ভালোবাসে অন্য কাউকে এমতবস্থায় আপনি কি করবেন। আবার হয়তবা কোন ছেলে/মেয়ে আপনার সাথে কিছুদিন ভালোবাসার অভিনয় করে তারপর আপনাকে ত্যাগ করে অন্য কারও সাথে প্রেম করে। তখন কি করবেন?
এই সকল সমস্যার সমাাধান করার জন্য তখন বাধ্য হয়ে একমাত্র ভরসা হিসেবে বশীীকরণ করতে হয়। এই ধরনের বশীকরণ গুুলো দ্রুত ,মধ্যম, ও ধীরে পদ্ধতি ,ব্যবহার করা হয়, মাত্র ৩/৫ দিন থেকে ৭/৯ দিনের মধ্যে ছেলে/মেয়েকে আপনার সামনে হাজির করা হয় । এই ধরনের বশীকরণ প্রয়োগ করা হলে ছেেল বা মেয়ে একে অপরের জন্য ব্যকুল হয়ে যায় ,ভালোবাসা কথা নিজেই প্রকাশ করে এই ধরনের কাজের জন্য যা যা প্রয়োজন হয়।
১.মেয়ের নাম,
২.মেয়ের মায়ের নাম,
৩.মেয়ের বাবার নাম।
৪.ছেলের নাম ,
৫.ছেলের বাবার নাম।
৬.ছেলের মায়ের নাম
ছবি যদি উভয়ের ছবি দেওয়া হয় তাহলে কাজের জন্য আরও বেশি সুবিধা হবে।
অনেক সময় ছেলে মেয়ে উভয়ে পছন্দ করে একে অপরকে ভালোবাসে কিন্তু এক পরিবার মেনে নিচ্ছে তো আর এক পরিবার গ্রহণ করছে না ,পরিবারের সকলেই রাজি কিন্তু পিতা বা মাতা রাজি নয় এক্ষেত্রে বশীকরণ সর্বোচ্চ গ্রহণ যোগ্য পথ এবং এটাই নিরাপদ ও কার্যকরী পথ। যদি বিয়ের জন্য রাজি না হয়।
 বশীকরণ ,বিচ্ছেদ ,মিলনে নির্ভরযোগ্য ও অব্যর্থ ১০০% কার্যকরী মন্ত্র।
💖মন্ত্র:
হড় গৌরি ইন্দ্রপতি হর গৌরি মা বসুমতী ।!!
ফলনা ফলনীর মিলন করি দে মা চন্ডি ।
ফলনা ফলনীর মিলন না হবু!!
গাধার মিলন না হবু !
হর গৌরি হর নৌরি!
দোহাই মা বসুমতি ।
দোহাই হাড়ির ঝি চন্ডি ।!!
কালীর দোহাইয়ে মন্ত্র চলে ফলনা ফলনীর মিলন করে!!!
নোট : মন্ত্র প্রয়োগ ও বিধিমালা, তান্ত্রিক জ্ঞান সম্পুর্ন অভিজ্ঞ ব্যক্তি ,কোন সাধক, বা ভালো কোন তান্ত্রিক গুরুর উপযুক্ত পরামর্শ নিয়ে কাজ করবেন। সঠিকভাবে নিয়ম ও পদ্ধতি পালন করা হলে শতভাগ ফলাফল পাবেন। তন্ত মন্ত কালো জাদুর মাধমে ‌100% গ্যারান্টিতে ‌তদবীর করা হয় .ফোন ..01978142102/

বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

শত্রুকে ‌বিনাশ ‌করার ‌তদবীর


শত্রুকে ‌বিনাশ করতে চান.
বিদ্বেষপূর্ণ ধ্বংসাত্বক,শত্রুকে পরাস্ত (বান) মন্ত্র .তান্ত্রিক বিদ্যা
যদি কোন ব্যক্তি তার শক্তর সাথে কোন দিক দিয়েই না পেরে উঠে বা শত্রু এতটাই শক্তিশালী যে তার কারনে জীবন বিপন্ন হয়ে উঠে, এই ধরনের শত্রুে ধ্বংস করতে এই মন্ত্র অব্যর্থ ভাবে কার্যকরী।
যেকোনো বান বিদ্যা মানুষের জন্য অকল্যাণ কর তাই এইসব বান বিদ্যা প্রয়োগের আগে নিজ নিজ ধর্মীয় পথ অনুসন্ধান করে যদি দেখেন যে শত্রুর উপরে প্রয়োগ সিদ্ধ, তখনই এইসব কাজ করবেন।
বিনা কারনে উদ্দেশ্য প্রনীত হয়ে যদি কেউ এই মন্ত্র প্রয়োগ করে, তাহলে উল্টো ক্রীয়া হিসেবে এই মন্ত্র তার উপরেই প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সে ধ্বংস হবে
মন্ত:
ওঁ নমো আদেশ গুরু কা।
সিন্দুর কি মায়া।
সিন্দুর নাম তেরী পওী।
কামাখ্যা সির পর তেরী উওপতি।
সিন্দুর পঢ়ি মৈ লগাউ বিন্দী।
বশ অমুক হোকে রহে নিবুদ্ধী।
মহাদেব কী শক্তি।
গুরু কী ভক্তি।
ন বশী হো কো কামরু কামাখ্যা কো দুহাই।
আদেশ হাড়ী দাসী চন্ডী কা।
অমুক (নাম হবে) কা মন লও নিকাল।
নহী তো মহাদেব পিতা কা বাম পঢ় জায়ে লাগ।
আদেশ! আদেশ! আদেশ!
🛑নোট : নিরাপত্তা জনিত কারনে প্রয়োগ বিধি প্রাকাশ করা সম্ভব নয়। যারা তান্ত্রিক বা অভিজ্ঞ ব্যক্তি তারা এই বিষয়ে ভালো করেই জানেন আর যারা এই বিযয়ে অভিজ্ঞ নয় তারা নিকটবর্তী ভালো কোন তান্ত্রিক এর নিকট হতে শিক্ষা গ্রহণ করে নিবেন।
যেকোনো প্রশ্ন ও পরামর্শে যোগাযোগ নাম্বার :তান্তিক গুরু আজিজ রহমান .01757786808