বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

‌‌ ‌লটারিতে ভাগ্য বদলাতে চান?যে মন্ত্র সাধনা ও সংখ্যাগুলির উপর গুরুত্ব দিলেই জেতার সম্ভাবনা





লটারিতে ভাগ্য বদলাতে চান?যে মন্ত্র সাধনা ও সংখ্যাগুলির উপর গুরুত্ব দিলেই জেতার সম্ভাবনা বেশি,জেনে নিন🎑

🍂তান্ত্রিক শাস্ত্রীয় বিধান🍂
🦄🦄🦄🦄🦄🦄🦄🦄🦄🦄🦄🦄🦄🦄🦄🦄

জীবনে চলার পথে এমন কিছু সময় আসে যখন জীবনের সূর্য নিভে যাওয়ার পর্যায়ে এসে দাড়ায় আর তখনই মানুষ চমৎকার কিছু আশা করে। রাতারাতি ভাগ্য পরিবর্তন এর উদ্দেশ্য লটারী, জুয়া এই ধরনের নানাবিধ খেলায় অংশগ্রহণ করে।যদিও হাজারো বা লক্ষ মানুষের মাঝে একজনই জয়ী হয়।

লটারিতে জেতার কোনও গ্যারান্টি নেই আবার জেতার গ্যারান্টি আছে যদি কিছু নিয়মাবলী মানা হয় ও তান্ত্রিক কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় ৷ যে পদ্ধতি অবলম্বন করলে লটারিতে কিছু না কিছু জেতা সম্ভব ৷

যে নিয়মগুলি অবলম্বন করলে লটারিতে জেতার সুযোগ থাকে সেগুলি হল, আপনি যে লটারি নম্বরটা বাছতে চান তাতে সবচেয়ে কম নম্বরটা বাছতে পারেন ৷ ১ দিয়ে শুরু করাটাই ভাল ৷ কারণ সমীক্ষা বলছে লটারিতে জেতার সংখ্যার মধ্যে ৬০ শতাংশ ক্ষেত্রেই ১ নম্বরটি থাকে ৷

আপনার লটারির নম্বর বাছার সময় কখনও কখনও পরপর দুটো সংখ্যা রাখতে পারেন। যেমন ৪-৫, ৬-৭, ৮-৯, ৩-৪,৫৪-৫৫,৮৮-৮৯

সাধারণত দেখা যায়, জেতা লটারির সংখ্যার মধ্যে বিজোড় সংখ্যা বেশি থাকে। তাই লটারি খেলার আগে বিজোড় সংখ্যাকে গুরুত্ব দিতে পারেন।
এর পাশাপাশি ৮ নম্বরের আশপাশের কোনও নম্বর ৷ যেমন ৭ বা ৯ নম্বর বাছতে পারেন ৷ কারণ হিসেব বলছে লটারিতে জেতার সংখ্যা গুলির মধ্যে এই সংখ্যাগুলিই বেশি থাকে ৷

💢সাধারণ মানুষ শিক্ষা মূলক হিসেবেই পোস্ট টি গ্রহণ করবেন 💢

শরীরং ত্রিবিধং প্রোক্তমুত্তমাধমমধ্যমম্ ।
তত্রৈব ত্রিবিধং প্রোক্তমুত্তমাধমমধ্যমম্ ।।- 
আদৌ ভাবং পশোঃ কৃত্বা পশ্চাৎ কুর্যাদাবশ্যকম্ ।।
বীরভাবং মহাভাবং সর্বভাবোত্তমোত্তমম্ ।
তৎপশ্চাদতিসৌন্দর্যং দিব্যভাবং মহাফলম্ ।।- 
বৈদিকং বৈষ্ণবং শৈবং দক্ষিণং পাশবং স্মৃতম্ ।
সিদ্ধান্তবামে বীরে তু দিব্যং সৎ কৌলমুচ্যতে।।-
শক্তিপ্রাধান্যাৎ ভাবানাং ত্রয়াণাং সাধকস্য চ।
দিব্যবীরপশুনাঞ্চ ভাবত্রয়মুদাহৃতম্ ।।- (রুদ্রযামল)

তন্ত্র বিধানে "মা কালী "সকল দৈব ক্ষমতার অধিকারী তাই লটারীর মত চমৎকার বিষয়ে বিজয়ী হতে হলে "মা কালী " চরনে পশু বলী প্রদান ও যথার্থ ভোগ প্রদান করে বলী রক্ত দ্বারা তিলক অবলম্বন করে রুদ্র মালায় উক্ত মন্ত্র ১১ হাজার বার জপ করতে হবে কারন পৃথিবীর অর্ধেক " মা কালী " আর বাকি অর্ধেক মহাদেব আর এরা একে অপরের পরিপূরক তাই সাধনার নিয়মতান্ত্রিক হিসেবে মহাদেব এর চরনে ও ভোগ দিতে হবে মন্ত্র জপ করতে হবে আমাবস্যার রাতে কালী মন্দিরে বা মহা শ্বশানে সবুজ বস্ত্র ধারণ করে সাধনা করতে হবে। সাধনায় সিদ্ধ লাভ করলে পরবর্তী দিন স্বপ্ন যোগে বা সরাসরি দৈব শক্তির মাধ্যমে আপনাকে কাংখিত নাম্বার জানিয়ে দেওয়া হবে। ( উল্লেখ্য সাধনার সময়ে আপনার সাহসিকতার পরীক্ষা হিসেবে নানাবিধ ভয় ভীতি প্রদর্শন করা হবে তাই এই সাধনা কখনোই অনজ্ঞ কেউ করবেন না)

শত শত বছর যাবত প্রাচীনতম রীতি নীতি একটি অংশ এই সাধনা এবং এই সাধনা শতভাগ অব্যর্থ। পরিপূর্ণ রীতি নীতি পালন করা হলে নিশ্চিত ফলাফল পাওয়া যাবে।

[ তান্ত্রিক বিদ্যা বিষয়ে পরিপূর্ণ অভিজ্ঞতা ছাড়া ভুলেও কেউ এই সাধনা করবেন না, আর যদি করেন তাহলে সাক্ষাৎ মৃত্যু ]

এই সাধনার দুটো পদ্ধতি আছে একটি হলো নিজে নিজে আর একটি হলো দিক্ষা প্রাপ্ত কোন তান্ত্রিক দিয়ে করিয়ে নিতে পারবেন।

🛑নোট : এই সাধনা করার আগে অবশ্যই অভিজ্ঞ কোন সাধক বা ব্যক্তি হতে সাধনা সম্পর্কে পরিপূর্ণ নিয়মাবলী জেনেশুনে তারপর করবেন।

🔴বিঃদ্রঃ যেকোনো সাধনা নিজ দ্বায়িত্বে করবেন। যেকোনো ধর নের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য আমি বা আমার পেজ বা গ্রুপ কোন ধরনের দ্বায় গ্রহণ করে না।

.তান্ত্রিক জগতে ১০০% গ্যারান্টিতে তদবির করা হয় কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী । তান্ত্রিক গুরু আজিজ রহমান ফোন    imo- 01757786808

* প্রেমিক/প্রেমিকা - নারী/পুরুষ বশীকরন৷ 

* অবাধ্য স্বামী/স্ত্রী বশীকরন৷

* স্বামী/স্ত্রীর পরকীয়া ঠেকাতে চান ৷

* শত্রু ধ্বংশ করতে চান ৷

* দুরের মানুষকে কাছে আনতে চান৷

* মানসিক হতাশগ্রস্থ ৷

* ভাঙ্গা প্রমে জোড়া লাগাতে চান ৷

* বিবাহ বিচ্ছেদ করতে চান৷

* ব্যাবসায় মন্দা ৷

* চাকরিতে প্রমোশন৷ 

* আর্থিক অবনতি ৷ 

* সংসারে অশান্তি ৷

* পুরাতন কোন রোগ আছে৷

* বান কাটাতে চান ৷

* কাউকে পাগল বা মতিভ্রম ঘটাতে চান ৷

* শত্রুকে বন্ধু বানাতে চান ৷

* লটারিতে বিজয় ৷

* আপনার ছেলে কিংবা মেয়ে নেশায় আসক্ত ৷

* সন্তান হচ্ছেনা ৷

* বিবাহ হচ্ছেনা ৷

* শনি রাহু গ্রাস থেকে মুক্তি ৷

উপরোক্ত যে কোন কাজের ফলাফল ১০০% গ্যারান্টি সহকারে পাবেন ৷

আজই যোগাযোগ করুন তান্ত্রিক গুরু আজিজ রহমান

যারা তান্ত্রিক কবিরাজ ঘাটতে ঘাটতে আজও কোন ফলাফল পান নাই তারা এখনি যোগাযোগ করুন আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে কাজ করতে পারবেন কালো জাদু ও জ্বীন চালানোর মাধ্যমে কাজ করে দেয়া হয় যে কোনো কঠিন কাজ ৩/৫ দিনের মধ্যে সমাধান যে‌ কোন কাজে ১০০% গ্যারান্টি বিফলে মূল্য ফেরত যোগাযোগ ঠিকানা । খুলনা কালিস পুর বাজার সুপার মার্কেট ২তালায় ফোন / imo- 01757786808)


বন্ধ বিবাহ খোলার তদবীর


 

বন্ধ বিয়ে খোলার তদবির

প্রশ্ন :- যদি কোন মেয়ের বিয়ে না হয় বা বন্ধ করে রাখা হয় তাহলে করণীয় কি?

যদি কোনো মেয়ের বিবাহ কেউ বন্ধ করে রাখে, বিবাহের প্রস্তাব এসে সব কিছু ঠিক হয়ে ভেঙে যায়!!

তাহলে, মঙ্গলবার ঐ মেয়ে রোজা রাখতে হবে, এবং সন্ধ্যায় ইফতারের পুর্বে সুরা ফাতেহা এবং চার কুল প্রতিটি সুরা সাতবার করে পড়ে পানিতে ফু দিবে!
তারপর ঐ পানি এক কলস পানিতে মিশিয়ে গোসল করে নতুন জামা কাপড় পড়ে ইফতার করবে!! আল্লাহর রহমতে তাহার বিবাহ বন্ধ ছুটে যাবে, এবং ভাল ফ্যামিলি আসবে বিবাহ ঠিক হবে!! ইনশাআল্লাহ!!
বিঃদ্রঃ বিবাহ ঠিক হবার পর  নতুন জামাটি
 গরিব মিসকিনদের  দান করে দিবেন!!
এই কাজটি শরু করার আগে বেশী পরিমান দান সদকা করে নিবেন,
বিস্তারিত জানার থাকলে কল করুন।

তান্তিক গুরু আজিজ রহমান জ্বীন সাধক তন্ত মন্ত কালো জাদুর তাবিজ টোটকাও জ্বীন চালানের মাধমে 100%গ্যারান্টিতে তদবীর করা হয় ..যে কোন কঠিন কাজ 3/5 দিনে সমাধান করা হয়ে যেমন .বশীকরন বিদ্যা☆
☞ প্রেমিক/প্রমিকা বশীকরন 12 ঘন্টায় ৷
☞ স্বামী/স্ত্রী বশীকরন করতে চান?
☞ পরকীয়া ঠেকাতে চান?
☞ হারানো ব্যাক্তিকে ফিরে পেতে চান?
☞ কাঙ্খিত ব্যাক্তির সাথে আপোষ করতে চান?

☞ শত্রুকে বিনাশ করতে চান!

☞ সন্তান হচ্ছেনা?

☞ বিবাহ হচ্ছেনা?

☞ কাউকে মতিভ্রম পাগল বানাতে চান?

☞ বিবাহ বিচ্ছেদ করতে চান?

আপনার সমসা জতো কঠিনই হোক না কেনো

আপনার সমসা আমাদের জানান

ঠিকানা .খুলনা .খালিসপুর বাজার রোড .25/3

সরাসরি কল করুন  +88 01757786808...

শুক্রবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২১

কিবাবে বুজবেন কেউ আপনাকে জাদু টোনা করেছে কিনা

যারা নিজেদেরকে যাদুগ্রস্থ মনে করছেন

যারা নিজেদেরকে যাদুগ্রস্থ মনে করছেন অথবা বুঝতে পারছেন না কিভাবে যাচাই করবেন আসলেই আপনি যাদুগ্রস্থ কিনা তাদের জন্য এই পোস্ট উপকারী হবে ইনশাআল্লাহ।
  1. যারা নিজেদেরকে যাদুগ্রস্থ মনে করছেন অথবা বুঝতে পারছেন না কিভাবে যাচাই করবেন আসলেই আপনি যাদুগ্রস্থ কিনা তাদের জন্য এই পোস্ট উপকারী হবে ইনশাআল্লাহ। নিচের লক্ষণগুলো মিলিয়ে দেখুন আপনার সাথে কতগুলো লক্ষণ মিলেঃ 


১। চোখের অবস্থা অস্বাভাবিক বা অসুন্দর লাগা।
২। কোন কারণ ছাড়াই শরীর গরম থাকা।
৩। ব্যাকপেইন। বিশেষত মেরুদণ্ডের নিচের দিকে ব্যথা করা।
৪। (মহিলাদের ক্ষেত্রে) অনিয়মিত মাসিক (পুরুষদের ক্ষেত্রে) প্রস্রাবে ইনফেকশন এর সমস্যা।
৫। প্রায়সময় পেট ব্যথা থাকা।
৬। দীর্ঘদিন চিকিৎসা করেও কোন রোগ ভালো না হওয়া।
৭। তীব্র মাথা ব্যথা, ঔষধ খেয়েও তেমন লাভ হয়না।
৮। হঠাৎ করে কারো প্রতি তীব্র ঘৃণা বা তীব্র ভালোলাগা অনুভব হওয়া।
৯। পরিবার, বাসা, সমাজের প্রতি তীব্র বিতৃষ্ণা থাকা।
১০। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত খুব অস্বস্তিতে ভুগা অথবা মেজাজ খারাপ থাকা।
১১। কোন কারণ ছাড়াই বাড়ি থেকে দৌড় দিয়ে বের হয়ে যেতে ইচ্ছা হওয়া।
১২। শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে অতিরিক্ত ব্যথা হওয়া।
১৩। ঠিকমত ঘুমাতে না পারা। ঘুমালেও ভয়ংকর স্বপ্ন দেখা।
১৪। স্বপ্নে কোনো গাড়ি বা প্রাণিকে আক্রমণ করতে বা ধাওয়া করতে দেখা (যেমনঃ কুকুর, বিড়াল, গরু, মহিষ, বাঘ, সিংহ, সাপ)।
১৫। স্বপ্নে কোন ফাঁকা বাড়ি, মরুভূমি বা গোরস্থানে হাঁটাচলা করতে দেখা।
১৬। স্বপ্নে বিভিন্ন যায়গায় পানি দেখা (যেমন সাগর, নদী, পুকুর, ইত্যাদি)।
১৭। স্বপ্নে ঘনঘন কোথাও আগুন জ্বলতে বা কিছু পোড়াতে দেখা।
১৮। স্বপ্নে নিজেকে উড়তে দেখা বা কোন পাখি অথবা বড়বড় গাছ দেখা।
১৯।  যৌন চাহিদা ।

২০। নামাজ পড়তে অনিহা।
২১। বদ মেজাজী।
২২। শরীল ঝাকি দিয়ে উঠা।

এসব লক্ষণ যদি দুই একটা মিলে যায় তাহলে ইনশাআল্লাহ আপনার রুকইয়াহ করা লাগবে।
রকাইয়া সম্পকে জানতে অব্যশই কল করবেন
তান্তিক গুরু আজিজ রহমান জ্বীন সাধক তন্ত মন্ত কালো জাদুর তাবিজ টোটকাও জ্বীন চালানের মাধমে 100%গ্যারান্টিতে তদবীর করা হয় ..যে কোন কঠিন কাজ 3/5 দিনে সমাধান করা হয়ে যেমন .বশীকরন বিদ্যা☆

☞ প্রেমিক/প্রমিকা বশীকরন 12 ঘন্টায় ৷
☞ স্বামী/স্ত্রী বশীকরন করতে চান?
☞ পরকীয়া ঠেকাতে চান?
☞ হারানো ব্যাক্তিকে ফিরে পেতে চান?
☞ কাঙ্খিত ব্যাক্তির সাথে আপোষ করতে চান?

☞ শত্রুকে বিনাশ করতে চান!

☞ সন্তান হচ্ছেনা?

☞ বিবাহ হচ্ছেনা?

☞ কাউকে মতিভ্রম পাগল বানাতে চান?

☞ বিবাহ বিচ্ছেদ করতে চান?

আপনার সমসা জতো কঠিনই হোক না কেনো

আপনার সমসা আমাদের জানান

ঠিকানা .খুলনা .খালিসপুর বাজার রোড .25/3

সরাসরি কল করুন  +88 01757786808.

শত্রুকে বশীকরন কারার তদবীর

 


শত্রুকে বশীকরণ মন্ত্র শিখে নিন>>
===========
আচ্ছা ,কেমন হবে যদি আপনার রক্তপিপাসু কোন শত্রু হয়ে যায় আপনার প্রেমপিপাসু বন্ধু? আপনি কি চাননা যে সেই ব্যাক্তি যেকিনা আপনাকে সহ্যই করতে পারতনা সেই হয়ে যাক আপনার পরম শুভাকাঙ্ক্ষী? যদি চান তাহলে জেনে নিন সেই জাদু যা দিয়ে শত্রুর মনকে সম্পুর্ন ঘুরিয়ে দিতে পারেন। আল্লাহ বলেন-

“ভালো এবং মন্দ সমান হতে পারেনা। তোমরা মন্দকে প্রতিহত কর ভালো দিয়ে। তখন দেখবে তোমার শত্রুও বন্ধু হয়ে গেছে” (সুরা ফুসিলাত ৪১:৩৪)

হ্যা, এটাই সেই জাদু যা দিয়ে শত্রুকে বস করবেন। সে যখন আপনাকে গালি দেবে,আপনি তার দিকে একটা আকৃত্রিম মুচকি হাসি দিন। চেষ্টা করেই দেখুন, সে আইসক্রিমের মত গলতে বাধ্য। সে যখন আপনাকে ঘৃণা করবে,আপনি তাকে ভালোবাসুন। আমি হলফ করে বলতে পারি সে দ্বিতীয় বার আপনাকে ঘৃণা করার আগে দশবার ভাববে।
.
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে একবার এক ব্যক্তি হযরত আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহুকে অকথ্য গালিগালাজ করতে থাকলো। আবু বকর চুপচাপ তার গালি শুনতে থাকলেন আর তার দিকে চেয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুচকি হাসতে থাকলেন। অবশেষে আবু বকর সিদীক জবাবে তাকে একটি কঠোর কথা বলে ফেললেন। তার মুখ থেকে সে কথাটি বের হওয়া মাত্র নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার উপর চরম বিরক্তি ভাব ছেয়ে গেল এবং ক্রমে তা তার পবিত্র চেহারায় ফুটে উঠতে থাকলো। 
তিনি তখনই উঠে চলে গেলেন। আবু বকরও উঠে নবীকে অনুসরণ করলেন এবং পথিমধ্যেই জিজ্ঞেস করলেন, ব্যাপার কি? সে যখন আমাকে গালি দিচ্ছিলো তখন আপনি চুপচাপ মুচকি হাসছিলেন। কিন্তু যখনই আমি তাকে জবাব দিলাম। তখনই আপনি অসন্তুষ্ট হলেন? 
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ তুমি যতক্ষণ চুপচাপ ছিলে ততক্ষণ একজন ফেরেশতা তোমার সাথে ছিল এবং তোমার পক্ষ থেকে জবাব দিচ্ছিলো। কিন্তু যখন তুমি নিজেই জবাব দিলে তখন ফেরেশতার স্থানটি শয়তান দখল করে নিল। আমি তো শয়তানের সাথে বসতে পারি না। [মুসনাদে আহমাদ:২/৪৩৬]
.
আপনি হয়তো বলবেন এটাও কি সম্ভব? আপনি ঠিক ধরেছেন। শত্রুকে ঘায়েল করার এই অস্ত্রটা ব্যবহার করা সবার পক্ষে সম্ভব না। কাদের জন্য সম্ভব সেটাও আল্লাহ্‌ জানিয়েছেন-
“এই চরিত্রের অধিকারী কেবল তারাই হতে পারে যারা ধৈর্যশীল এবং মহাসৌভাগ্যবান”( সুরা ফুসিলাত ৪১:৩৫)
.
এবার আমার একটা ঘটনা বলি। আমার ইউটিউব চ্যানেলের একটা ভিডিওতে একদিন জনৈক ব্যক্তি আক্রমণাত্মক একটা কমেন্ট করেবসলো । আমাকে একেবারে নাস্তিক- কাফের বানিয়ে দিলেন। বুঝতেই পাড়ছেন তখন আমার অনুভুতি কেমন হওয়া উচিৎ! মাথায় রক্ত উঠে যাবার অবস্থা। ইচ্ছামত পচানি দিয়ে একটা রিপ্লাই লিখলাম । কিন্তু ‘post' বাটনে ক্লিক করার আগে কেন যেন মনটা নরম হয়ে গেলো। বুঝলাম লোকটার জ্ঞান বা বোঝার কমতি রয়েছে। তাই পুরো কমেন্ট আবার নতুন করে লিখলাম। রিপ্লাইয়ের মাঝে কোথাও আক্রমণাত্মক কিছু বলিনি। বরং নরম ভাষায় ব্যাপারটা বুঝিয়ে দিলাম। আর একদম শেষ লাইনে তার জন্য দোয়া করলাম। এরপর উনি যে রিপ্লাই দিয়েছিলেন তা একেবারে অবিশ্বাস্য ।উনি লিখেছেন-
- শামস, ধন্যবাদ সুন্দরভাবে বোঝাবার জন্য।

চিন্তা করেন!! আগের কমেন্টে আমাকে নাস্তিক কাফের বলে ঝাড়লেন, আর পরের কমেন্টেই ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। বিশ্বাস করেন, এইটা খুবই কার্যকরী একটা আমল শত্রুকে বস করার জন্য। বাস্তবে যদিও এমন পরিস্থিতিতে বেশিরভাগ সময় মাথা গরম করে কিংবা ইগো ধরে রাখতে উলটা রিয়েক্ট করি,কিন্তু আজ পর্যন্ত যতবার এই কর্মপদ্ধতি অবলম্বন করার চেষ্টা করেছি ততবার হাতেনাতে রেজাল্ট পেয়েছি।
.
এটাই দ্বীন-উল-হ্বক। যা কেবল কল্যানের পথেই মানুষকে আহবান করে । যে কেউ সেই কল্যানের ডাকে সারা দেবে সেই হবে সৌভাগ্যবান। চেষ্টা করেই দেখুননা একবার নিজেকে সেই সৌভাগ্যবানদের একজন করতে। আপনার চরম শত্রুও আইসক্রিম এর মত গলতে বাধ্য!

তান্তিক গুরু আজিজ রহমান জ্বীন সাধক তন্ত মন্ত কালো জাদুর তাবিজ টোটকাও জ্বীন চালানের মাধমে 100%গ্যারান্টিতে তদবীর করা হয় ..যে কোন কঠিন কাজ 3/5 দিনে সমাধান করা হয়ে যেমন .বশীকরন বিদ্যা☆
☞ প্রেমিক/প্রমিকা বশীকরন 12 ঘন্টায় ৷
☞ স্বামী/স্ত্রী বশীকরন করতে চান?
☞ পরকীয়া ঠেকাতে চান?
☞ হারানো ব্যাক্তিকে ফিরে পেতে চান?
☞ কাঙ্খিত ব্যাক্তির সাথে আপোষ করতে চান?

☞ শত্রুকে বিনাশ করতে চান!

☞ সন্তান হচ্ছেনা?

☞ বিবাহ হচ্ছেনা?

☞ কাউকে মতিভ্রম পাগল বানাতে চান?

☞ বিবাহ বিচ্ছেদ করতে চান?

আপনার সমসা জতো কঠিনই হোক না কেনো

আপনার সমসা আমাদের জানান

ঠিকানা .খুলনা .খালিসপুর বাজার রোড .25/3

সরাসরি কল করুন  +88 01757786808.

বুধবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২১

সকলের জন্যই এ্যাটক সাধনা

ত্রাটক সর্ম্পকে জানুন
ত্রাটক সাধনা সর্ম্পকে জানুন

ত্রাটক সাধনাঃ

জীবনের চলার পথে আমাদের সকলেরই রয়েছে হাজারো স্বপ্নপূরনের লক্ষ্য, কিছু আশা, কিছু চাওয়া ইত্যাদি কারন মানুষের জীবনের শুরুই হয় বিভিন্ন চাহীদা দিয়ে। আমরা কেউ’ই সকল চাহীদা পূরনে সমর্থ নই। আমাদের চাওয়ারও কোন শেষ নেই।। তবে সমাজে কিছু কিছু মানুষ আছে যাদের আকাঙ্খার চাইতে পাওয়াটা অনেক বেশি আবার কেউ কেউ না চাইতেই অনেক কিছু পেয়ে যায় আবার কারও হয়তো অধিকাংশ চাওয়াই পূর্ন হয়ে যায়, কিন্তু এমন মানুষের সংখ্যা খুবই নগন্য। আমরা অনেকেই হয়তো বিশ্বাষ করবো না যে এই বিংশ শতাব্দিতেও আমাদের চারপাসে প্রতি ১০ জন সফল মানুষের বিষয়ে যদি ভালো ভাবে খোজ খবর নেওয়া হয় তবে আমরা জানতে পারবো তাদের ৭-৮ জনই কোন না কোন পীরের মুরীদ, কোন তান্ত্রিক গুরুর শিশ্য, কোন সুফির খাদেম, কোন দেবতার সাধক বা কোন শক্তির আর্শিবাদ প্রাপ্ত। যা সাধারনত অত্যন্ত গোপন বিষয়।

আমরা আজ যে বিষয়ের উপর আলকপাত করবো তা হলো “ত্রাটক” !!! আসলে এই “ত্রাটক” বিষয়টি কি, আমরা এখানে ত্রাটক বলতে এমন এক সাধনাকে বোঝাচ্ছি যা মানুষের তৃত্বিয় নেত্রের সাথে জরিত, যা মানুষের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের সাথে সংপৃক্ত। আধুনা বিজ্ঞানের যুগে আমরা সকলেই হয়তো মেডিটেশন, যোগ ব্যয়াম ইত্যাদি সর্ম্পকে বেশ ভালোই জানি, এই “ত্রাটক” হচ্ছে এই গুলোরেই গুরু সমতূল্য। কারন এই একটি মাত্র সাধনা দ্বারা ব্যক্তি তার অসম্পূর্ণ স্বপ্নগুলোকে বাস্তবে রুপদিতে পারে। একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, কেউ বড় হয়ে জন্মায় না, প্রতিটি মানুষ তার কর্ম সেই সাথে কর্মের সূযোগ্য সুবিধা সমৃদ্ধ সুযোগের মাধ্যমেই উপরে উঠে বড় হয়। মূল.

জ্বিন পরী সাধক )

তান্তিক গুরু আজিজ রহমান।

তন্ত মন্ত কালো যাদু তাবিজ টোটকা ও জ্বিন

চালানের মাধমে তদবির করা হয়

১/★ প্রেম ভালোবাসা বের্থ

২★/ স্বামী,স্তীর অমিল সংসারে অশান্তি ★

৩★/ মনের মানুষকে প্রমে বা বিবাহে রাজি করা ★

৪★/ স্বামী, স্তীর অবধ্য সম্পক নষ্ট করা ★

৫★/ দুই ব্যক্তির মধে বিচ্ছেদ করা ★

৬★/ যে মহিলাদের ছেলে সন্তান হয় না তদবির দেয়া

৭★/ ছেলে মেয়ের লেখা পরায় মন বসে না ★

৮★/ পরীখায় ও মামলায় জয় লাভ ★

৯★/ যাদু টোনা জ্বিন পরীর আচর থেকে চির মুক্তি

১০★/ যে কোন জটিল ও কঠিন রোগ থেকে মুক্তি★

১১★/ শত্রুর হাত থেকে মুক্তি

১২★/ শত্রুকে বান মারণ ও খতি করা ★

১২★/ নিখুজ বা পালাতক ব্যক্তি কে হাজির

১৩★/ চোর ধরাও চোরকে চিনার তদবির ★

১৪★/ চোরা ই মামা মাল ফিরে পাবার তদবির ★

১৫★/ জুয়া বা লটারী জয় লাভ করার তদবির ★

১৬/ ★মামলায় জয় লাভ করা

১৭/★ চাকরী হয়না চাকরী লাভের তদবির

১৮/★/ শুভ কাজে বাধা বিবাহে বাধ্যা

১৯/★ শনীর ধশা থেকে মুক্তি

২০/★ দেকানে বেচা কিনা হয় না

২১/★ প্রেমিক প্রিকার বিবাহ বন্ধ করার তদবির

২২/★ অবৌধ সম্পর্ক বিচ্ছেদ করা।

আরো যে কোন সমসা সমাধান পেতে

আজি যোগা যোগ করুন।তান্তিক গুরু আজিজ রহমান ও

কবিরাজ।খোলনা খারিস পুর বাংলাদেশ।

যোগা যোগ। শুধু ইমু নাম্বার imo/01757886808/

gmail/. montrogurubd12@gmail.com

আমাদের সাদে থাকার জন্নে। ধন্যবাদ

রবিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২১

লাভার জ্বীন বিযয়ক

লাভার জ্বিন বিষয়ক

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম,

লাভার জ্বিন বিষয়ক



জিন আল্লাহর এক সৃষ্টি। কোরআনে তাদের সৃষ্টি সম্পর্কে অনেকগুলো আয়াত রয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন,

– “তিনি জিনকে সৃষ্টি করেছেন ধোঁয়াবিহীন অগ্নিশিখা থেকে।” (সুরা আর-রাহমান ১৫)
– “এর পূর্বে উত্তপ্ত আগুন থেকে জিনকে সৃষ্টি করেছি।” (সুরা হিজর ২৭)
.
আমাদের আজকের আলোচ্য বিষয় হলো, আশিক জিন বা প্রেমিক জিন। এই জিন আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করে কুৎসিত এবং আপত্তিকর উপায়ে তাকে ব্যবহার করে থাকে। এটা এক প্রকার জুলুম এবং এ থেকে নিস্তার পেতে শরীয়তসম্মত পদ্ধতিতে রুকইয়াহ করা উচিত। জিনের সমস্যাগুলোর মাঝে এই ধরনের সমস্যাগুলো সাধারণত তুলনামূলক জটিল এবং ঝামেলাপূর্ণ হয়। যদিও এটা নতুন কোন বিষয় না, তবুও অধিকাংশ মানুষে এব্যাপারে ভুল ধারণা রাখে।

শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেন, “জিন যৌন ইচ্ছা পূরণ করার জন্য, খারাপ ইচ্ছা অথবা ভালোবাসা থেকে মানুষকে দখল করার চেষ্টা করে। এটা ফাহেশা (অশ্লীল) এবং নিষিদ্ধ আচরণ, এমনকি যদি সেটা দুইজনের সম্মতিতে হয় তবুও। আর যদি জিন সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছায় এই কাজ করে তাহলে এটা জুলুম।”
যারা এরকম করে তাদেরকে জানানো উচিত, মানুষ এবং জ্বিনদের জন্য আল্লাহ এবং রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আইন অনুযায়ী তাদের বিচার হবে। ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেন, “আনন্দ হাসিলের অর্থ হচ্ছে, নিজের ইচ্ছামত কারো কাছ থেকে কোনকিছু নিয়ে নেয়া বা যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে তাকে ব্যবহার করা। কিন্তু কোন জুলুমই শেষ অবধি শাস্তিবিহীন থাকবে না, তা ইহকালে হোক কিংবা পরকাল। যেমনটা আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,

“সেদিন তিনি তাদের সবাইকে একত্রিত করবেন, বলবেন, হে জিন সম্প্রদায়, তোমরা তো অনেক মানুষকেই গোমরাহ করেছো, মানুষের মধ্যে থেকে তাদের বন্ধুরা বলবে, হে আমাদের মালিক, আমরা একে অপরের দ্বারা দুনিয়ার জীবনে লাভ করেছিলাম, আর এভাবেই আমরা চুড়ান্ত সময়ে এসে হাজির হয়েছি, যা তুমি আমাদের জন্য নির্দিষ্ট করে রেখেছিলে; তিনি (আল্লাহ তায়ালা) বলবেন, তোমাদের ঠিকানা হচ্ছে জাহান্নাম, সেখানে তোমরা চিরকাল থাকবে। অবশ্য আল্লাহ তায়ালা যা কিছু চাইবেন (তা আলাদা); তোমার মালিক অবশ্যই প্রজ্ঞাময়, সম্যক অবহিত।”
(সুরা আনআম, ১২৮)”

চরিত্র, শক্তি, চেহারাভেদে এ ধরনের জ্বিনরা অনেক রকমের হয়। মানুষ যেরকম একজন আরেকজনের প্রতি ভালোবাসা, কেয়ার করা ইত্যাদি নানাভাবে আবেগপ্রবণ হয়ে যায় সেরকমই কোন কোন জিন আক্রান্ত ব্যক্তির প্রতি বেশ কেয়ারিং হয়ে যায়। আবার কোন জিন বিভিন্ন শারীরিক এবং মানসিক সমস্যা সৃষ্টি করে ব্যক্তির দেহ ‘উপভোগ’ করা শুরু করে। এরকম জিন আক্রান্ত ব্যক্তির জীবনে অনেক জটিলতা তৈরি হয়। চারপাশের সবার সাথে তাদের সম্পর্ক খারাপ হতে থাকে। বিভিন্ন কারণে মানুষ এরকম জিন দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে, রুকইয়া ইনডেক্সের জিন সিরিজে জিন অধ্যায়ে আক্রান্ত হওয়ার কারণ নিয়ে আলোচনা আছে।

[খ]

লাভার জীনের প্রকারভেদ
১। এক প্রকার আশিক জ্বিন হলো- যারা ব্যক্তির দেহকে ভালোবাসে এবং দেহের প্রতি মোহাবিষ্ট হয়ে পড়ে এবং এই দেহে তাদের সবরকম অধিকার আছে বলে মনে করে। আক্রান্ত ব্যক্তির দেহকে শুধুই একটা ভোগের বস্তু মনে করে। কেউ কেউ মনে করে আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে তাদের বিয়ে হয়ে গেছে। আক্রান্ত ব্যক্তি বিবাহিত হলে জিন তাদের বিবাহিত জীবনে অনেক জটিলতা তৈরি করে। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মাঝে নানান জটিলতা সৃষ্টি করে শেষ অবধি তালাক পর্যন্ত নিয়ে যায়। আক্রান্ত ব্যক্তি অবিবাহিত হলে তার বিবাহ নিয়ে নানান জটিলতা তৈরি করে বিয়েকে প্রায় অসম্ভব করে তোলে।

২। আরেক প্রকার জিন ব্যক্তির দেহের কোন একটা নির্দিষ্ট অঙ্গের প্রতি মুগ্ধ হয়ে পড়ে। যেমন- চোখ, হাত, মুখ, চুল ইত্যাদি। এই ‘ভালোবাসার’ কারণেই সে আক্রান্ত ব্যক্তিকে নানান সমস্যা ফেলে দেয়। যেমন- নানান শারীরিক অসুস্থতা, বৈবাহিক জীবনে অশান্তি, অবিবাহিতদের বিয়েতে ঝামেলা। এই ক্ষেত্রে দেখা যায় তুচ্ছ কারণে অথবা কোন কারণ ছাড়াই বিয়ে হচ্ছেনা বা প্রস্তাব আসলেও পরে আর কোন যোগাযোগ নাই।

৩। এই প্রকারের আশিক জিন অনেক বেশি ক্ষতিকর এবং এরা ফাহশা বা অশ্লীল কাজে আক্রান্ত ব্যক্তিকে ব্যবহার করে। পার্ভার্ট / বিকৃত রুচির জিন বলতে পারেন। মানসিক এবং শারীরিকভাবে অনেক টর্চার করে, কখনো তাদের পরিচিত অথবা অপরিচিত মানুষের রূপে এসে ধর্ষণ করে। এটা স্বপ্নের মত অথবা জাগ্রত অবস্থায়ও হতে পারে। কখনো আক্রান্ত ব্যক্তির বন্ধু বা তার সাথে যে থাকে তাকেও পজেস করে আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোতে উদ্বুদ্ধ করে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে সমকামীতায় অথবা কোন প্রানীর সাথে শারীরিক সম্পর্কেও জড়াতে চায় অনেকসময়।

৪। আমাদের মধ্যে যেমন গরু ছাগলের মত জন্তু জানোয়ার আছে, জিনদের মধ্যেও তাদের নিজস্ব জন্তু জানোয়ার আছে। জিনদের মধ্যে কিছু জন্তু জানোয়ার অন্য প্রানীদের সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়াতে চায়। এই উদ্দেশ্যে তারা আক্রান্ত ব্যক্তিকে ব্যবহার করে বিভিন্ন জন্তু জানোয়ারের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। এরকম সম্পর্ক আজকাল বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি বুঝতে পারেনা কেন তাদের মাথায় এরকম চিন্তা আসছে আর কেনইবা তারা এরকম জঘন্য কাজ করছে। এতে তাদের মধ্যে একধরনের হতাশা, উদ্বেগ, ঈমানের ঘাটতি তৈরি হয়। সবচেয়ে ভয়াবহ হল, এতে আক্রান্ত ব্যক্তি অনেক ক্ষেত্রে আত্মহত্যা করে বসে।

৫। এই প্রকারের জিন প্রতিরাতে আসে আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য। সে ব্যক্তির শরীরে বসবাস করেনা। আক্রান্ত ব্যক্তির দেহে তার ‘অধিকার’ আছে এরকম ধারণা থেকে নিজের ইচ্ছামত আসে এবং চলে যায়। এরকম রোগীর সংখ্যা বেশি, এর প্রতিকার নিয়ে “রাত্রিতে জিনের সমস্যা” প্রবন্ধে আলোচনা করা হয়েছে।

৬। কিছু জিন অনেক দিন পরপর আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে আসে এবং শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। মাঝখানের এই সময়ে সে নিজেদের পৃথিবীতে ঘুরে বেড়ায় অথবা অন্য কোন মানুষের সাথে কুকর্মে লিপ্ত থাকে।

৭। অন্য কিছু আশিক জিন আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেনা কিন্তু ব্যক্তির প্রতি একধরনের আকর্ষণ অনুভব করে। মানুষের মধ্যে যেমন উত্ত্যক্তকারী থাকে তেমনি এই জিনও আক্রান্ত ব্যক্তিকে দূর থেকে দেখে দেখে উপভোগ করার চেষ্টা করে। এভাবে থাকতে থাকতে একসময় কখনো সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যক্তিকে পজেস করারও চেষ্টা করতে পারে।

৮। পেডোফাইল বা বাচ্চাদের প্রতি আকৃষ্ট জিন। এই জিন বাচ্চাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তাদেরকে সঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করে তার দেহে বসবাস শুরু করে।
——————————

উপরের যেকোন ক্ষেত্রে দেখা যেতে পারে জিন আক্রান্ত ব্যক্তির দেহে অনেকদিন ধরে বসবাস করে তাকে প্রভাবিত করে এমন অবস্থা তৈরি করেছে যে, জিন এবং মানুষের আচরণ আলাদা করা অনেকসময় কঠিন হয়ে যায়। মানুষের শরীরে থাকতে থাকতে এদের এমন একগুয়ে অবস্থা হয় অন্য কোথাও যেতে চায়না। নিজের জীবন দিয়ে হলেও আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে থাকতে চায়। কখনো আক্রান্ত ব্যক্তি মারা গেলে সে অন্য কোন ব্যক্তির উপর আসর করে। ভয়ানক বিষয় হল, অনেক মানুষকে এরা এমনভাবে প্রভাবিত করে যে, সে এই শয়তান জিনকে একপ্রকার ভালোবেসে ফেলে এবং তার থেকে পরিত্রাণও চায় না। মনে করে যে, থাকলেই ভাল আছি! কেউ একজন সাথে আছে! নাউযুবিল্লাহ।



[গ]

লাভার জিন আক্রান্ত ব্যক্তিদের যেসব লক্ষণ দেখা যায় –
১। উপরে যেসব লক্ষণ বলা আছে এর পাশাপাশি নানারকম উন্মত্ত আচরণ দেখা যায়। দুঃখে নিজের প্রতি বিতশ্রদ্ধ হয়ে যাওয়া এবং নিজেকে সমাজ থেকে আলাদা মনে হওয়া। একা একা থাকতে ভালোলাগা। কোলাহল এবং সামাজিক মেলামেশা অপছন্দ হওয়া। আর জিন আক্রান্ত হওয়ার যে লক্ষণগুলো পূর্বে জিন সিরিজে বলা হয়েছে, সেগুলোও খেয়ালে রাখা উচিত।

২। প্রকৃতপক্ষে সুন্দর বা আকর্ষণীয় হওয়ার পরেও বিপরীত লিঙ্গের কারো প্রতি কোন আকর্ষণ বা কোন অনুভুতি না হওয়া। পুরুষ অথবা মহিলাদের বিয়ের প্রস্তাব আসার পর প্রস্তাবদাতাকে শারীরিক অথবা চারিত্রিক দিক দিয়ে অযোগ্য মনে করা এবং শেষে প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়া।

৩। চর্মরোগ এবং অন্যান্য শারীরিক সমস্যা দেখা দেওয়া যা আক্রান্ত ব্যক্তির কষ্ট আরো বাড়িয়ে দেয়। এসবের মাধ্যমে জিন মনে করে যে ব্যক্তিটি তার ‘নিয়ন্ত্রণে’ আছে।

৪। সবচেয়ে মারাত্মক বিষয়টা হল আক্রান্ত ব্যক্তি নিজে বুঝতে পারছেন যে তাকে শারীরিকভাবে আক্রমন করা হচ্ছে অথবা ধর্ষন করা হচ্ছে অথচ কিছুই করতে পারছেন না। এটা আক্রান্ত ব্যক্তির উপর খুবই বাজে একটা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।



[ঘ]

লাভার জিন চিহ্নিত করা
শুরুতে জিনের সমস্যা আছে কি না, এটা বুঝতে জিন আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণগুলো মিলিয়ে নিতে হবে। জিন সিরিজে এর অনেকগুলো লক্ষণ আলোচনা করা হয়েছে। সাধারণত সবধরনের জিনের ক্ষেত্রেই এই লক্ষণগুলো দেখা যায়।
তবে এই কেসে আরও যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন –
.
১। জিন এবং তার প্রকৃতি চিহ্নিত করা গেলে আল্লাহ চায়তো আক্রান্ত ব্যক্তি এবং রাকীর জন্য রুকইয়াহ করা সহজ হবে। প্রথম বিষয় যা জানার চেষ্টা করতে হবে তা হলো- জিন কেন এখানে এসেছে। সাধারণত রুকইয়াহ করার সময় জিনের কাছে থেকেই স্বীকারোক্তি আদায় করা যায়। কিছুক্ষণ রুকইয়াহ করার পর জিজ্ঞেস করতে হবে কেন এসেছে? তবে বলার সাথে সাথে জিনের কথা বিশ্বাস করা যাবে না, কারণ তারা খুব বেশি মিথ্যা বলে।

২। আল্লাহ চাইলে আক্রান্ত ব্যক্তির স্বপ্নের মাধ্যমেও জিনকে চিহ্নিত করা সম্ভব। এইক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি নির্দিষ্ট সময় পরপর অথবা প্রায়ই একইরকম স্বপ্ন দেখে। তাই স্বপ্নের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করতে হবে। স্বপ্নে, ঘুমের মাঝে এবং ঘুম থেকে উঠে কেমন অনুভূতি হয় এটাও খোঁজ নিতে পারেন।

৩। হঠাৎ করে ব্যক্তির স্বভাব চরিত্রে পরিবর্তন আসে। হারাম কাজের দিকে বেশি ঝুঁকে যাওয়া তারমধ্যে অন্যতম। যেমন- জুয়া খেলা, মদপান, ধূমপান, যিনা বা অনৈতিক কাজের প্রতি তীব্র আকর্ষণ অনুভব করা ইত্যাদি। কখনো জন্তু জানোয়ারের সাথে আবার কখনো পেডোফাইল বা বাচ্চাদের প্রতি শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা অথবা স্থাপনের আকর্ষণ অনুভব করা। ছেলেরা মেয়েদের মত সাজগোজ করা, তাদের মত পোশাক পরা, লিঙ্গ পরিবর্তনে আগ্রহী হওয়া। হঠাৎ করে চরিত্রে এরকম পরিবর্তন আসা (বিশেষ করে যৌন চাহিদা বা আগ্রহের দিকগুলোতে) লাভার জিন আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম লক্ষণ।

৪। লাভার জিন সাধারনত বাচ্চাদের অপছন্দ করে। বিশেষ করে যেসব বাচ্চারা আক্রান্ত ব্যক্তির আত্মীয় অথবা পরিচিত। স্বামী স্ত্রীর স্বাভাবিক সম্পর্কে বাধা দেয়া, তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানো উস্কে দেয়া লাভার জীনের সাধারন বৈশিষ্ট্য। স্বামী স্ত্রীর বিচ্ছেদের মাধ্যমে আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিজের করে পেতে চাওয়ার মানসিকতা থেকে শয়তানরা এই কাজটা করে। যাদের বিয়ে হয়নি তাদের বিয়েতে নানান জটিলতা তৈরি করে বাধা দেয়। কখনো লাভার জিন বিয়ের জটিলতা তৈরি না করে বিয়েটা স্বাভাবিকভাবে হতে দেয়। এটা তখন হয়, যখন দেখা যায় স্বামী স্ত্রীর স্বাভাবিক শারীরিক সম্পর্ক হওয়ার সম্ভবনা অনেক কম থাকে। যেমন- যদি এমন সম্ভাবনা থাকে যে, স্বামী দূরে কোথাও থাকবে এবং স্ত্রী বেশিরভাগ সময়েই একা থাকবে।

৫। গোত্রপ্রধান বা সর্দার জিন থাকতে পারে কখনো। এরা এমন যে, জিনদের মধ্যে তার নিজের একটা দল আছে যারা তার কথামত বিভিন্ন কাজ করে। এই জিন তার বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং চারপাশে একটা কঠিন পরিস্থিতি গড়ে তোলার চেষ্টা করে। এই নেতা জিন আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিজেই বদনজর, হিংসা, যাদুর মাধ্যমে নানান প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে যাতে তার চিকিৎসা পদ্ধতিতে সার্বিকভাবে বাধা দেয়া যায়।

————————

জিন চিহ্নিত করার আগে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল আক্রান্ত ব্যক্তির স্বভাব চরিত্রের দিকে নজর দেয়া। সে বয়সন্ধিকালে আছে কিনা, পর্ন দেখে কিনা, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের তীব্র ইচ্ছা আছে কিনা এই বিষয়গুলো দেখতে হবে। ছোটবেলায় যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছিল কিনা সেটাও দেখা দরকার (অনেক জিন এই সময়টাতে ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করে)। খতিয়ে দেখতে হবে যে এসব ব্যক্তির চরিত্রগত সমস্যা নাকি জিন আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ। যেভাবেই হোক, এগুলো বন্ধ করতে হবে প্রথমে।
.
কিছু লাভার জিন অনেক প্রটেক্টিভ বা ঈর্ষাপরায়ণ হয় (আক্রান্ত ব্যক্তিকে সকল প্রকার ঝামেলা থেকে তাকে বাঁচিয়ে দেয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করে)। এরা অনেক ক্ষেত্রেই রোগীকে তেমন কোন ক্ষতির চেষ্টা না করে চুপচাপ বসে থাকে। আবার কিছু জিন আছে যারা ব্যক্তিকে সবদিক দিয়ে ক্ষতি করার চেষ্টা করে। নিচে এমন কিছু অবস্থা আলোচনা করা হল-

.
১. ব্যক্তিকে হতাশ এবং একাকী করে দেয়ার মাধ্যমে নানান হারাম কাজে লিপ্ত করা।

২. স্লো পয়জনিং এর মত ব্যক্তিকে ধীরে ধীরে ঈমানহারা করতে থাকা। যেমন- মহিলাদের ক্ষেত্রে হঠাৎ হিজাব ছেড়ে দেয়া, পুরুষের ক্ষেত্রে দাঁড়ি শেভ করা ইত্যাদি।

৩. গাইরে মাহরাম (যাদের সাথে বিয়ের সম্পর্ক জায়েজ) পুরুষ ও মহিলাদের সাথে কথা বলার অভ্যাস তৈরি করার মাধ্যমে ধীরে ধীরে লজ্জাকে উঠিয়ে দেয়া। এভাবে শেষে আরো হারাম কাজের দিকে নিয়ে যাওয়া।

৪. জিনদের মধ্যে যারা যাদুকর তাদের সাহায্য নিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তিকে যাদু করা এবং অবস্থা আরো জটিল করে তোলার চেষ্টা করা।

৫. পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে ব্যক্তির অবস্থা খারাপ করে দিয়ে তাকে নোংরা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকতে অভ্যস্ত করে তোলা।

৬. আক্রান্ত ব্যক্তির এমন সব জটিল অসুখ হওয়া যা মেডিকেল সাইন্স ব্যখ্যা করতে পারেনা বা মেডিকেল সাইন্সে এর কোন সমাধান নেই। অথবা এমন সব অসুখ হওয়া যা ব্যক্তিকে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়। যেমন- ক্যান্সার।

৭. শারীরিকভাবে আক্রমণ করা। শরীরের বিভিন্ন জায়গাতে আঘাত করা যেমনঃ বিভিন্ন সময় হাতে-পায়ে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পাওয়া, গোপনাঙ্গ ফুলে উঠা, লজ্জাস্থানের চারপাশে ব্যথা করা এবং অস্বস্তি হওয়া যা ওষুধে ভালো হয়না।

৮. নানান হারাম কাজে ব্যক্তিকে লিপ্ত করা এবং এগুলো ব্যক্তির স্বাভাবিক অভ্যাসে পরিণত করা।

৯. মহিলাদের ক্ষেত্রে, পুরুষের দিকে তাকাতে বাধা দেয়া। এটা সাধারণত উপরে বলা সর্দার জিন দ্বারা আক্রান্ত হলে হতে পারে। একইরকম সমস্যা পুরুষদের ক্ষেত্রেও হতে পারে।

১০. সারাদিন অথবা দিনের বেশিরভাগ সময়ে উত্তেজিত রাখা এবং লিঙ্গ থেকে যৌন উত্তেজক পদার্থ নির্গত হওয়া। এটা এত বেশি সমস্যা তৈরি করে যে শেষে মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন অথবা যিনায় (অনৈতিক সম্পর্কে) গিয়ে শেষ হয়।

১১. নিজের কূরুচিপূর্ণ অথবা অশ্লীল ছবি অপরিচিত মানুষকে পাঠাতে উসকে দেয়া।

১২. বিবাহিত মহিলাদের স্বামীর সাথে শারীরিক সম্পর্কের সময় প্রশান্তি পেতে বাধা দেয়া বা এই সময়ে মহিলাদের একদম অনুভূতিহীন করে দেয়া। পুরুষের ক্ষেত্রে স্ত্রীকে প্রশান্তি দেয়া বা সন্তুষ্ট করা থেকে বিরত রাখা। কখনো শারীরিক সম্পর্কের সময় স্বামী বা স্ত্রীকে পুরোপুরি আসর করে নিজে কন্ট্রোল নিয়ে নেয়া।

১৩. এনাল সেক্স বা পায়ুকামে লিপ্ত করানো।

১৪. অপ্রয়োজনীয় শো অফ করে পুরুষ/মহিলাদের নিজের দিকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করা বা বদনজরে আক্রান্ত করা।

১৫. আক্রান্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা এবং মৃত্যুর পরে ব্যক্তিকে এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে আক্রমণ করা। এই জিন আক্রান্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত অথবা আল্লাহর ইচ্ছায় আরোগ্য হওয়া পর্যন্ত অশ্লীল কাজের দিকে নিয়ে যেতে চেষ্টা করে।



[ঙ]
নোটঃ এই ধরনের জিন অত্যন্ত খারাপভাবে সমাজে অনৈতিক কাজ, পাপাচার বৃদ্ধির মাধ্যমে বিশৃংখলা তৈরির চেষ্টা করে। এরকম জিন দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তি চিহ্নিত করতে পারলে তার উচিত সমস্ত গুনাহের জন্য তাওবা করা, খালিস দিলে সবকিছুর জন্য মাফ চাওয়া এবং যাবতীয় খারাপ কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখার চেষ্টা করা এবং এজন্য আল্লাহর কাছে সবসময়ই সাহায্য চাওয়া। আক্রান্ত ব্যক্তি অবিবাহিত হলে তাদের উচিত বিয়ে করা অথবা রোজা রাখা। তাদের দৃষ্টি ও লজ্জাস্থানের হিফাজত করার সর্বাত্মক চেষ্টা করা। আক্রান্ত ব্যক্তি বিবাহিত হলে, স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক বৃদ্ধির চেষ্টা করা উচিত। নিজেদের মধ্যে পরষ্পর বোঝাপড়া, ভালোবাসা বৃদ্ধি করা এবং চিকিৎসার সকল বিষয়ে একে অন্যকে সাহায্য করা উচিত। স্ত্রী তার স্বামীর প্রতি আরো বেশি অনুগত হওয়া এবং আল্লাহর জন্য স্বামীকে সর্বাত্মক খুশি রাখার চেষ্টা করা উচিত। স্বামীর উচিত স্ত্রীর প্রতি আরো বেশি ভালোবাসা দেখানো, স্ত্রীকে বুঝার চেষ্টা করা, স্ত্রীর প্রতি আরো মনযোগী হওয়া এবং স্ত্রীকে খুশি রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা করা।

আক্রান্ত ব্যক্তি উপরে বলা হারাম কোন কাজে জড়িত থাকলে সেটা অবশ্যই ত্যাগ করা উচিত। বেশি বেশি তাওবা ইস্তেগফার করা এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করা।

আরেকটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে, এসব সমস্যা নিয়ে খুব বেশি চিন্তা ভাবনা না করা। সমস্যাকে বড় করে দেখে সেটা নিয়ে হতাশাগ্রস্থ বা আতংকিত হওয়া থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। এটা মনে রাখতে হবে যে, সমস্যা যেহেতু হয়েছে তারমানে আল্লাহ চাইলে শিফাও হবে। আল্লাহর হাতেই রয়েছে যাবতীয় রোগের আরোগ্য। মনে প্রাণে এই বিশ্বাস রাখতে হবে যে, আল্লাহ চাইলেই সমস্যা ভালো হয়ে যাবে। মনে রাখতে হবে, কষ্টের পরেই আসে প্রশান্তি। আল্লাহ বলেন,

“নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে। আর নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে।” সূরা ইনশিরাহ, ৫-৬

ট্রিটমেন্ট-
১। প্রতিনিয়ত আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করা। প্রতিদিন কোরআন তিলাওয়াত করা, সাওয়াবের কাজ করা, রোজা রাখা, আল্লাহর জিকিরে নিজেকে ব্যস্ত রাখা এবং কথা বলার সময়ে জিহ্বাকে সংযত রাখা, প্রতিনিয়ত আল্লাহর সাহায্য চাওয়া এবং বেশি বেশি তাওবা ইস্তেগফার করা।

২। কদিন পরপরই সরাসরি রুকইয়াহ করানো। আর অভিজ্ঞ রাকীর নির্দেশনায় নিজে নিজে প্রতিদিন সেলফ রুকইয়াহ করা। নিয়মিত রুকইয়াতে দৃঢ় থাকা। রুকইয়ার আয়াত পড়া কালোজিরা তেল, অলিভ অয়েল, মধু, পানি ব্যবহার করা। ডিটক্স করা।

৩। রুকইয়াহ গোসল করা এবং রুকইয়াহ শোনা। এক্ষেত্রে সিহরের অডিও, আয়াতুল হারকের অডিও, রুকইয়া যিনার অডিও শোনা যেতে পারে। আর জিন সিরিজে আলোচিত রুকইয়াহ পরবর্তী নির্দেশনাগুলো খেয়াল রাখা।

৪। সুরা বাকারা, নূর, ইউসুফ তিলাওয়াত করা। তিলাওয়াত করতে না পারলে অডিও শোনা।

৫। সম্ভব হলে জীনের দূর্বলতা এবং তার অপছন্দের কাজগুলো খুঁজে বের করা এবং অপছন্দের কাজগুলো করা (শরিয়াহ বাধা না দিলে)।

৬। বাসা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা এবং রুকইয়াহর আয়াত পড়া পানি পুরো বাসায় ছিটিয়ে দেয়া বা স্প্রে করা। বাসায় নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত করা, কোরআন তিলাওয়াতের অডিও প্লে করা। হারাম কোনকিছু বাসায় যেন না থাকে সেদিকে খেয়াল করা। যেমন- যেকোন মূর্তি, ঝুলানো ছবি, বাসায় কুকুর রাখা, গান বাজনা হওয়া এবং টিভিতে অশ্লীল অনুষ্ঠান দেখা।

৭। কিছু নির্দিষ্ট সময় পরপর হিজামা করা। জমজমের পানি ও খেজুর খাওয়া।

৮। বিবাহিতদের জন্য ট্রিটমেন্টের মূল বিষয় হল স্বামী/স্ত্রীর ভূমিকা। একে অন্যের প্রতি রাগান্বিত না হওয়া, বেশি বেশি ভালোবাসা এবং একে অন্যকে কেয়ার করা, আনন্দে রাখার চেষ্টা করা। সর্বোপরি বাসায় ভালোবাসাময় একটা পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং পরষ্পরের দূরত্ব যথাসম্ভব কমিয়ে আনা।

৯। পরিবারের বাচ্চাদের জড়িয়ে ধরা, চুমু খাওয়া, স্বামীর সাথে শারীরিক সম্পর্কে সময় বৃদ্ধির চেষ্টা করা এবং সেসময় পুর্ণ মনযোগ দেয়া, ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছানো ইত্যাদি। এসব আচরণ শয়তান জিনরা অপছন্দ করে।

১০। শরীরের কোথায় জিন আছে সেটা খুঁজে বের করে রুকইয়ার আয়াত পড়ে সেখানে ফুঁ দেয়া যায়, পড়ার পরে সেখানে হালকাভাবে থুথু ছিটিয়ে দেয়া। রুকইয়ার তেল, পানি ইত্যাদিও আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করা যায়।

১১। যতই ভয় দেখাক, ঝামেলা করুক, বিভিন্ন কথাবার্তা বলে একজনের প্রতি আরেকজনকে বিষিয়ে তোলার চেষ্টা করুক, জিনকে কোন প্রকার পাত্তা না দেয়া। এসব জিনরা চায় আমরা তাদের গুরুত্ব দেই। তারা নিজেদেরকে গুরুত্বপূর্ণ ভাবতে ভালোবাসে, এজন্য বিভিন্ন মিথ্যা কিচ্ছা কাহিনী বর্ণনা করে।

১২। হতাশ না হওয়া। একা একা না থেকে সবসময়ই কোন না কোন কাজে ব্যস্ত থাকা। পারতপক্ষে একা না ঘুমানো।

১৩। কারো দিকে বেশি প্রশংসার দৃষ্টিতে না তাকানো। আয়না দেখার সময়ে অবশ্যই দোয়া পড়া। কাপড় বদলানোর আগে বিসমিল্লাহ বলা।

১৪। বেশি বেশি আয়না দেখার অভ্যাস থাকলে রুকইয়ার পানি আয়নাতে ছিটিয়ে দেয়া উচিত এবং আয়না সবসময় ঢেকে রাখা উচিত।

১৫। সবচেয়ে জরুরী বিষয়! দোয়া করা। দোয়া মুমিনের সবচেয়ে বড় অস্ত্র। দিনের অধিকাংশ সময়ে দোয়া করা। দোয়ার জন্য আলাদা সময় বের করে নেয়া। দুই হাত তুলে রবের নিকট দোয়া করা, যেন আল্লাহ এই সমস্যা পুরোপুরি ভালো করে দেন এবং তাদেরকে যেন আল্লাহর উপর ভরসা করে ধৈর্য্য ধরার তৌফিক দেন।

বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২১

নারী ‌-পুরুষ বশীকরন


 

বশীকরন মন্ত (পরুষ অথবা মেয়ে)

আমরা আমাদের প্রিয়জনের মনোযোগ আর্কষন করার জন্য যা করে থাকি তাকেই বশিকরন বলে ধরে নেই আসলে কিন্তু বশিকরন অনেক ভাবেই ব্যবহৃত হয়ে থাকে যেমন অল্প কথায় যে কোন প্রানীকে তার নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে আপনার প্রতি আর্কষন করাকেই বশিকরণ বা আর্কষন বিদ্যা বলা যেতে পারে, এটা হতে পারে পূরুষ বা মহিলা, আবার আপনার অফিসের কর্মকর্তা বা কর্মচারী, আপনার সন্তান বা পিতা মাতা, আপনার স্ত্রী বা প্রেমীকা সে যেই হোক না কেন যখন আমরা লক্ষ করি- কেউ যদি আমাদের প্রতি অনিহা প্রকাশ করে বা এক সময় খুব ভালো সর্ম্পক্য ছিল কিন্তু এখন আর তেমন ভালো আচরন করছে না এড়িয়ে চলছে, অন্য কাউকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এমনটি দেখলেই আমরা বশিকরন করার প্রয়োজন অনুভব করি। সেটাও তখন যখন আমরা স্বাভাবীক ভাবে সেটা করার রাস্তা খুজে না পাই বা সেটা সম্ভব না হয়ে উঠে।

আজ আপনাদের দেব এমন একটি তান্ত্রীক পদ্ধতী যা বর্তমান সময়ে সারা বিশ্বের অধিকাংশ্য স্বনাম ধণ্য তান্ত্রিকগন বশিকরনের কাজে ব্যবহার করে।

প্রয়োজনীয় সরঞ্জামঃ

১। ৬টি মোমবাতী, সবুজ, নীল, লাল, হলুদ, গোলাপী (দুটি)।

২। পঞ্চঁ কৌনিক তান্ত্রিকাসন।

৩। একটি দিয়া-শালাই।

৪। নির্জন গৃহ।

৫। শরীরের জন্য এক রঙ্গা বস্ত্র।

সময়ঃ

শুক্ল পক্ষের রবি কিংবা বৃহস্পতি বার বা পূর্ণ চন্দ্রিমার রাত্রী ১০ টার পর হতে।

বিধিঃ

তান্ত্রিক আচার পূর্বের ৫-৭ দিন মেনে চলতে হবে, গুরুর অনুমতি অবশ্যক।

করনীয়ঃ

সর্বপ্রথম আসন পেতে আপনি দক্ষিণ কোণে বসবেন, উত্তরে সবুজ মোমবাতি, হলুদ মোমবাতি পূর্ব কোনে এবং পশ্চিম প্রান্তে নীল মোমবাতি রাখুন, দিয়াশালাই দিয়ে সকল মোমবাতি গুলো জালিয়ে দিন, আপনার দুই হাতে গোলাপী মোমবাতিগুলো ধরে রাখবেন আর লাল মোমবাতি আপনার সম্মুখ্যে থাকবে।

মন্ত্রঃ ইলাহী বহুরমত জিব্রাইল

ওয়া মিকাইল, ওয়া ইস্রাফীল,

ওয়া তৌরাতে মূসা ওয়া ঈসা

ওয়া ফুরকান মুহাম্মদ

সল্লাল্লাহু অলাইহে ওয়া সাল্লাম (সাধকের নাম)

প্রেমিকার নাম সহ এই মন্ত্রটি উচ্চারন করতে হবে,  ততক্ষন পর্যন্ত যতক্ষণ মোমবাতি জলতে থাকবে, মন্ত্র উচ্চারন এমন হতে হবে যেন আপনি নিজ কানে তা শুনতে পান এবং তাতে নিজের কনসালট্রেশন ও আপনার প্রেমিকার প্রতিচ্ছবি হৃদয়ে থাকতে হবে।

আলতো অবস্থায় চক্ষু বন্ধ থাকবে।

ডিউরেশনঃ

সাধারনত এক বৈঠকের তদবীরেই উদ্দেশ্য সাধন হয়ে থাকে তবে প্রয়োজন বোধে ও শক্ত হৃদয়ের জাতকদের জন্য পর পর তিনটি আসন দিতে হতে পারে।